মূল লেখায় যান
শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬, ৬:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
অসংখ্য ডিসেম্বর আসবে, তবু শেখ হাসিনা ফিরতে পারবেন না: রাশেদ খাঁন এইমাত্রঅন্যান্য অসংখ্য ডিসেম্বর আসবে, তবু শেখ হাসিনা ফিরতে পারবেন না: রাশেদ খাঁন ধেয়ে আসছে হারিকেন সাইমন, ৭ ফুট জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা এইমাত্রঅন্যান্য ধেয়ে আসছে হারিকেন সাইমন, ৭ ফুট জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা শাহজাদপুর প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন করলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মুহিত এইমাত্রঅন্যান্য শাহজাদপুর প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন করলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মুহিত হাম উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১,৩৪৯ এইমাত্রঅন্যান্য হাম উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১,৩৪৯ বায়তুল মোকাররমে খতিবের ‘অপসারণ দাবি’ ঘিরে উত্তেজনা এইমাত্রঅন্যান্য বায়তুল মোকাররমে খতিবের ‘অপসারণ দাবি’ ঘিরে উত্তেজনা শেরপুরে প্লাস্টিকের দাপটেও টিকে আছে বাঁশ শিল্প এইমাত্রঅন্যান্য শেরপুরে প্লাস্টিকের দাপটেও টিকে আছে বাঁশ শিল্প সেনা কর্মকর্তা পরিচয়ে টিকটকের প্রেমের ফাঁদে তরুণী, যুবকের ১ বছরের জেল এইমাত্রঅন্যান্য সেনা কর্মকর্তা পরিচয়ে টিকটকের প্রেমের ফাঁদে তরুণী, যুবকের ১ বছরের জেল কুমিল্লায় সিএনজি থেকে ছিটকে পড়ে যুবক নিহত এইমাত্রঅন্যান্য কুমিল্লায় সিএনজি থেকে ছিটকে পড়ে যুবক নিহত
অন্যান্য

শেরপুরে প্লাস্টিকের দাপটেও টিকে আছে বাঁশ শিল্প

প্রতিবেদক:
শেরপুরে প্লাস্টিকের দাপটেও টিকে আছে বাঁশ শিল্প

কালের বিবর্তনে আধুনিকতার ছোঁয়ায় প্লাস্টিকের দাপট বাড়লেও শেরপুর জেলাজুড়ে এখনও টিকে রয়েছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী বাঁশ শিল্প। বিশেষ করে শেরপুর সদর, ঝিনাইগাতী, শ্রীবরদী, নালিতাবাড়ী ও নকলা উপজেলাসহ গোটা গারো পাহাড় অঞ্চলে এই শিল্পের ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন স্থানীয় কারিগররা।

বর্তমানে নির্বিচারে বাঁশ কাটা ও পরিচর্যার অভাবে বাঁশঝাড় ক্রমশ কমে যাচ্ছে। ফলে উজাড় হচ্ছে প্রকৃতির দুর্যোগ প্রতিরোধক ও পরিবেশবান্ধব বাঁশঝাড়। এরপরও স্থানীয় হাটবাজারগুলোয় বাঁশের তৈরি পণ্যের জমজমাট বেচাকেনা চোখে পড়ে এবং এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত পরিবারগুলো প্রধানত এই কাজ করেই জীবিকা নির্বাহ করছে।

জেলার ঝিনাইগাতী, শ্রীবরদী ও নালিতাবাড়ীসহ বিভিন্ন হাট-বাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, কারিগরেরা এখনও হরেক রকমের বাঁশের তৈরি কুলা, চালুন, ডালা, টুপরি, ডোল, ধানের বেড়, ঝাঁটা, হোঁচা, মাছ ধরার চাঁই, খলই, পলো এবং বিভিন্ন সৌখিন খেলনাসহ নানা হস্তশিল্প বিক্রি করছেন।

স্থানীয় কারিগররা জানান, বর্ষা মৌসুমে এবং বোরো ও আমন ধান ঘরে তোলার সময় এসব পণ্যের চাহিদা অনেকটাই বেড়ে যায়। ফলে সে সময় বাজারগুলোতে কেনাবেচাও জমে ওঠে।

বাঁশ শিল্পের সঙ্গে জড়িত ঝিনাইগাতী উপজেলার লয়খা গ্রামের কয়েকজন কারিগর জানান, আগে বাঁশের তৈরি জিনিসপত্র বাড়িতে বানিয়ে বাজারে বিক্রি করে ভালো উপার্জন হতো। কিন্তু বর্তমানে আধুনিকতার ছোঁয়ায় বাঁশের তৈরি ধানের গোলা, ডোল, কুলা, চালুন, মাছের খলই, পলো ও হাতপাখার জায়গা দখল করে নিয়েছে সস্তা প্লাস্টিক পণ্য। ধান ও চাল রাখার জন্য মানুষ এখন প্লাস্টিকের ড্রাম ব্যবহারে বেশি ঝুঁকছে।

তাছাড়া, বর্তমানে বাজারে কাঁচামাল বা বাঁশের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে কুটির শিল্পীরা চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। লাভ না হওয়ায় অনেকে বাধ্য হয়ে বাপ-দাদার পৈতৃক পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন, ফলে অনেকেই বেকার হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।