মূল লেখায় যান
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬, ১:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শত্রুকে আগাম হামলার হুঁশিয়ারি দিল ইরান এইমাত্রঅন্যান্য শত্রুকে আগাম হামলার হুঁশিয়ারি দিল ইরান দুদকের নতুন চেয়ারম্যান এ কে এম আসাদুজ্জামান এইমাত্রঅন্যান্য দুদকের নতুন চেয়ারম্যান এ কে এম আসাদুজ্জামান চূড়ান্ত অনুমোদন পেল নতুন বাহিনী এসআরবি, থাকবে পুলিশের অধীনে এইমাত্রঅন্যান্য চূড়ান্ত অনুমোদন পেল নতুন বাহিনী এসআরবি, থাকবে পুলিশের অধীনে খাদ্যতালিকায় খাসি না থাকায় বিয়ে না করেই চলে গেলেন জাপানপ্রবাসী বর এইমাত্রঅন্যান্য খাদ্যতালিকায় খাসি না থাকায় বিয়ে না করেই চলে গেলেন জাপানপ্রবাসী বর পে-স্কেলে সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ বেতন বাড়ানোর সুপারিশ এইমাত্রঅন্যান্য পে-স্কেলে সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ বেতন বাড়ানোর সুপারিশ প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য দূতাবাসের সতর্কতা ও পরামর্শ এইমাত্রঅন্যান্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য দূতাবাসের সতর্কতা ও পরামর্শ পূজার বিয়ের গুঞ্জন, নায়িকার নীরবতায় বাড়ছে রহস্য এইমাত্রঅন্যান্য পূজার বিয়ের গুঞ্জন, নায়িকার নীরবতায় বাড়ছে রহস্য ১৩ বছরের কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগ, সালিশে ৭ বার কান ধরে ওঠবসের শাস্তি এইমাত্রঅন্যান্য ১৩ বছরের কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগ, সালিশে ৭ বার কান ধরে ওঠবসের শাস্তি
অন্যান্য

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা

প্রতিবেদক:
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) তিন বিচারক। গত বছর তাদের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞাকে বেআইনি দাবি করে বুধবার নিউইয়র্কের ম্যানহাটান ফেডারেল আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়।

আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলাকারী বিচারকরা হলেন কানাডার কিম্বারলি প্রোস্ট, উগান্ডার সলোমি বালুঙ্গি বোসা এবং বেনিনের রেইন অ্যাডিলেড সোফি অ্যালাপিনি গানসু।

মামলায় বিচারকরা অভিযোগ করেন, বিচারবহির্ভূত চাপ প্রয়োগ এবং তাদের শাস্তি দিতে ট্রাম্প প্রশাসন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। এর মাধ্যমে আইসিসির বিচারকদের নতিস্বীকারে বাধ্য করার চেষ্টা করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি এবং আফগানিস্তানে মার্কিন সেনাদের সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধ তদন্তের সিদ্ধান্তের জেরে গত বছর আইসিসির কয়েকজন বিচারকের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় ট্রাম্প প্রশাসন। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা তাদের সম্পদ জব্দ এবং তাদের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন নিষিদ্ধ করা হয়।

মামলায় বিচারকরা দাবি করেন, এ নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইনের (IEEPA) লঙ্ঘন। কোনো প্রকৃত জাতীয় জরুরি অবস্থা বা অস্বাভাবিক হুমকি ছাড়াই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

তাদের অভিযোগ, আর্থিক ও ব্যক্তিগত স্বার্থকে লক্ষ্যবস্তু করে আইসিসির বিচারকদের ওপর চাপ সৃষ্টি করতেই এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল।

বিচারকদের ভাষ্য অনুযায়ী, নিষেধাজ্ঞার কারণে তারা ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার, ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার, ভ্রমণের টিকিট বুকিং এবং কিছু ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবীমা সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন। পাশাপাশি চলমান ও ভবিষ্যৎ মামলায় প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ ও যুক্তি উপস্থাপনেও গুরুতর বাধার সৃষ্টি হয়েছে।