মূল লেখায় যান
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১১:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
হালুয়াঘাটে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে ধানের বীজ ও সার বিতরণ এইমাত্রঅন্যান্য হালুয়াঘাটে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে ধানের বীজ ও সার বিতরণ শাওরাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ১০ দফা ইশতেহার ঘোষণা এইমাত্রঅন্যান্য শাওরাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ১০ দফা ইশতেহার ঘোষণা নরসিংদীতে ছয় মাসে ১০৪১ মাদক কারবারিসহ গ্রেফতার সাড়ে ৫ হাজার এইমাত্রঅন্যান্য নরসিংদীতে ছয় মাসে ১০৪১ মাদক কারবারিসহ গ্রেফতার সাড়ে ৫ হাজার এবার ইরানের ‘ভয়ংকর অস্ত্রের’ অনুকরণ করছে পুরো বিশ্ব এইমাত্রঅন্যান্য এবার ইরানের ‘ভয়ংকর অস্ত্রের’ অনুকরণ করছে পুরো বিশ্ব ‘তুরাগ নদীতে ছাত্রলীগের সাত কর্মীর লাশ’, দাবি গুজব: পুলিশ এইমাত্রঅন্যান্য ‘তুরাগ নদীতে ছাত্রলীগের সাত কর্মীর লাশ’, দাবি গুজব: পুলিশ প্রেম করে বিয়ে, ১০ দিন পর স্ত্রীকে আটকে রাখার অভিযোগ স্বামীর এইমাত্রঅন্যান্য প্রেম করে বিয়ে, ১০ দিন পর স্ত্রীকে আটকে রাখার অভিযোগ স্বামীর শতবর্ষী বটগাছ রক্ষার দাবি সোয়ানের, জেলা প্রশাসকের উদ্যোগ গ্রহণ এইমাত্রঅন্যান্য শতবর্ষী বটগাছ রক্ষার দাবি সোয়ানের, জেলা প্রশাসকের উদ্যোগ গ্রহণ জুড়ীতে ছেলের কুড়ালের আঘাতে বাবা নিহত, ছেলে পলাতক এইমাত্রঅন্যান্য জুড়ীতে ছেলের কুড়ালের আঘাতে বাবা নিহত, ছেলে পলাতক
অন্যান্য

জুড়ীতে ছেলের কুড়ালের আঘাতে বাবা নিহত, ছেলে পলাতক

প্রতিবেদক:
জুড়ীতে ছেলের কুড়ালের আঘাতে বাবা নিহত, ছেলে পলাতক

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় বসতঘর নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে ছেলের কুড়ালের আঘাতে সুলতান মিয়া (৭০) নামে এক বৃদ্ধ কৃষক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছেলে ফয়েজ মিয়া (২৭) পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

শুক্রবার রাত আটটার দিকে উপজেলার গোয়ালবাড়ি ইউনিয়নের মন্ত্রীগাঁও এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি গোপন রাখায় শনিবার দুপুরে ঘটনাটি জানাজানি হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত সুলতান মিয়া পেশায় একজন কৃষক ছিলেন। তাঁর ছয় ছেলে ও দুই মেয়েসহ মোট আটজন সন্তান রয়েছে। অভিযুক্ত ফয়েজ মিয়া সৌদি আরব প্রবাসী। তিনি গত ২৪ জুন দেশে ফেরেন। দেশে আসার পর থেকেই বসতঘর নিয়ে বাবার সঙ্গে তাঁর বিরোধ চলছিল। শুক্রবার রাতে এ বিষয় নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে ফয়েজ মিয়া ঘরে থাকা একটি কুড়াল দিয়ে সুলতান মিয়ার মাথার পেছনে আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।

পরে ফয়েজ মিয়া ও স্বজনরা সুলতান মিয়াকে মুমূর্ষু অবস্থায় কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর হাসপাতালেই বাবার মরদেহ রেখে অভিযুক্ত ফয়েজ মিয়া পালিয়ে যান।

পরিবারের সদস্যরা রাতে ঘটনাটি পুলিশকে না জানিয়ে গোপন রাখেন। শনিবার দুপুরে নিহতের অন্য ছেলেরা জুড়ী থানায় খবর দিলে ওসি (তদন্ত) আব্দুল মালেকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল নিহতের বাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

জুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, নিহতের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের ছেলে শাহেদ মিয়া বাদী হয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত ফয়েজ মিয়াকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।