মূল লেখায় যান
রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
উপহারের লেবু গাছ রোপণ করে স্কুল শিক্ষার্থীর পাঁচ বছরের বেতন মওকুফ এইমাত্রঅন্যান্য উপহারের লেবু গাছ রোপণ করে স্কুল শিক্ষার্থীর পাঁচ বছরের বেতন মওকুফ খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গাজীপুরে দোয়া মাহফিল এইমাত্রঅন্যান্য খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গাজীপুরে দোয়া মাহফিল নালিতাবাড়ীতে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের দুই কর্মী গ্রেপ্তার এইমাত্রঅন্যান্য নালিতাবাড়ীতে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের দুই কর্মী গ্রেপ্তার গোপালপুরে বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন এইমাত্রঅন্যান্য গোপালপুরে বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন গোপালপুরে খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল এইমাত্রঅন্যান্য গোপালপুরে খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল ঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকী পালনের অভিযোগে ছাত্রলীগ নেত্রী জান্নাতুল গ্রেপ্তার এইমাত্রঅন্যান্য ঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকী পালনের অভিযোগে ছাত্রলীগ নেত্রী জান্নাতুল গ্রেপ্তার থাইল্যান্ডে সাঁতারে সোনা জিতলেন রাফি এইমাত্রঅন্যান্য থাইল্যান্ডে সাঁতারে সোনা জিতলেন রাফি মোরেলগঞ্জে বিএনপির উদ্যোগে খালেদা জিয়ার জন্মদিনে দোয়া ও আলোচনা সভা এইমাত্রঅন্যান্য মোরেলগঞ্জে বিএনপির উদ্যোগে খালেদা জিয়ার জন্মদিনে দোয়া ও আলোচনা সভা
অন্যান্য

জয়পুরহাটে মেট্রন হত্যা মামলায় দারোয়ানের যাবজ্জীবন

প্রতিবেদক:
জয়পুরহাটে মেট্রন হত্যা মামলায় দারোয়ানের যাবজ্জীবন

জয়পুরহাট সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রীনিবাসের মেট্রন সামছুন নাহার হত্যা মামলার দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর পর রায় দিয়েছেন আদালত। রায়ে কলেজের দারোয়ান শহিদুল ইসলামকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১৩ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও আড়াই মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আজ বুধবার বিকেলে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. তসরুজ্জামান এই রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষের সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) আহসান হাবীব চপল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত শহিদুল ইসলাম (৫৫) জয়পুরহাট শহরের পশ্চিম দেবীপুর মহল্লার ছলিম উদ্দিনের ছেলে এবং জয়পুরহাট সরকারি মহিলা কলেজের দারোয়ান ছিলেন।

আদালত ও মামলার নথি সূত্রে জানা গেছে, ২০০৯ সালের ২১ নভেম্বর রাতে জয়পুরহাট সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রীনিবাসের অস্থায়ী মেট্রন সামছুন নাহার নিখোঁজ হন। চার দিন পর, ২৫ নভেম্বর তাঁর ভাই ফেরদৌস আলম লুলু জয়পুরহাট সদর থানায় শহিদুল ইসলামসহ কয়েকজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

মামলার তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশ শহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিখোঁজের ১৮ দিন পর, ৯ ডিসেম্বর কলেজের ছাত্রীনিবাসের সেপটিক ট্যাংক থেকে সামছুন নাহারের বিকৃত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে শহিদুল ইসলাম ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, কলেজের দারোয়ান শহিদুল ইসলাম কলেজে ছাত্রীনিবাসের মেট্রন সামছুন নাহারকে উত্ত্যক্ত ও অনৈতিক সম্পর্কের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। এতে সামছুন নাহার রাজি ছিলেন না। ঘটনার দিন তিনি সামছুন নাহারকে ডেকে নিয়ে অনৈতিক প্রস্তাব দেন। এতে রাজি না হওয়ায় তিনি সামছুন নাহারকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। হত্যার পর তাঁর গলার স্বর্ণের চেইন, কানের দুল ও আংটি খুলে নেন। হত্যাকাণ্ড গোপন করতে হাসুয়া দিয়ে মরদেহের পেট কেটে কলেজ চত্বরের সেপটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রাখেন। পরে তাঁর কাছ থেকে লুট করা স্বর্ণালঙ্কারও উদ্ধার করে পুলিশ।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জয়পুরহাট সদর থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম ২০১০ সালের ৫ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। বিচার চলাকালে ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত এ রায় দেন।

জয়পুরহাট আদালতের পুলিশ পরিদর্শক আবু বকর সিদ্দিক বলেন, রায় ঘোষণার পর দণ্ডিত শহিদুল ইসলামকে কড়া পুলিশ পাহারায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। জয়পুরহাট সরকারি মহিলা কলেজের মেট্রন সামছুন নাহার হত্যা মামলাটি জেলার অন্যতম আলোচিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে দীর্ঘদিন জনমনে আলোচনায় ছিল। প্রায় ১৭ বছর পর এ রায়ের মধ্য দিয়ে মামলাটির বিচারিক প্রক্রিয়ার সমাপ্তি হলো।