মূল লেখায় যান
সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ১:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সাবেক প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম চৌধুরী আর নেই এইমাত্রঅন্যান্য সাবেক প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম চৌধুরী আর নেই অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে সমন জারি এইমাত্রঅন্যান্য অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে সমন জারি বৈরি আবহাওয়াতে স্থগিত ঢাবির আজকের সব পরীক্ষা এইমাত্রঅন্যান্য বৈরি আবহাওয়াতে স্থগিত ঢাবির আজকের সব পরীক্ষা ইরানের হিট লিস্টে ট্রাম্প-নেতানিয়াহুসহ ১৩ বিশ্ব নেতা এইমাত্রঅন্যান্য ইরানের হিট লিস্টে ট্রাম্প-নেতানিয়াহুসহ ১৩ বিশ্ব নেতা সুয়াবিল ইউনিয়নকে ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ উপজেলায় অন্তর্ভুক্তি থেকে বাদ দেওয়ার দাবি এইমাত্রঅন্যান্য সুয়াবিল ইউনিয়নকে ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ উপজেলায় অন্তর্ভুক্তি থেকে বাদ দেওয়ার দাবি ভাঙ্গায় প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা, বিশ্ববিদ্যালয় ও ৬ লেন সড়কের দাবি এইমাত্রঅন্যান্য ভাঙ্গায় প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা, বিশ্ববিদ্যালয় ও ৬ লেন সড়কের দাবি অ্যাপ ও লিংক নিয়ে ইসলামী ব্যাংকের জরুরি সতর্কতা  এইমাত্রঅন্যান্য অ্যাপ ও লিংক নিয়ে ইসলামী ব্যাংকের জরুরি সতর্কতা  মসজিদে নারী সংগঠনের কর্মসূচি ঘিরে জামায়াত-বিএনপি উত্তেজনা এইমাত্রঅন্যান্য মসজিদে নারী সংগঠনের কর্মসূচি ঘিরে জামায়াত-বিএনপি উত্তেজনা
অন্যান্য

কিশোর হত্যার ১০ বছর পর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

প্রতিবেদক:
কিশোর হত্যার ১০ বছর পর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

নেত্রকোনায় ধার দেওয়া টাকা ফেরত না দেওয়াকে কেন্দ্র করে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরকে হত্যার ঘটনায় প্রায় ১০ বছর পর মামলার রায় দিয়েছেন আদালত। এ মামলার একমাত্র আসামি মো. জনীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) নেত্রকোনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোছা. মরিয়ম-মুন-মুজুরী এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত মো. জনী (৩১) নেত্রকোনা সদর উপজেলার রাজুর বাজার এলাকার বাবুল মিয়ার ছেলে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৫ অক্টোবর জাকির হোসেন (১৭) মদন উপজেলার হাসনপুরে আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যান। পরদিন সকালে তাকে বাড়ির উদ্দেশ্যে একটি টেম্পুতে তুলে দেওয়া হলেও তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। পরে ১৭ অক্টোবর রাজুর বাজার এলাকার একটি ব্রয়লার খামারের পেছনের বিল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহের গলায় নাইলনের রশি প্যাঁচানো ছিল। এ ঘটনায় নিহতের বাবা মঞ্জু মিয়া নেত্রকোনা মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশ আসামি মো. জনীকে গ্রেপ্তার করে। পরে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানান, ধার দেওয়া টাকা ফেরত না দেওয়ায় ক্ষোভের বশে জাকিরকে হত্যা করে মরদেহ বিলের পানিতে ফেলে দেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য উপস্থাপন করে। সাক্ষ্য-প্রমাণ ও আসামির স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন।