মূল লেখায় যান
বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬, ৫:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
১০০০ টাকা জামানতে বুধবার ৮টি প্রশিক্ষিত কুকুর নিলামে তুলছে র‍্যাব এইমাত্রঅন্যান্য ১০০০ টাকা জামানতে বুধবার ৮টি প্রশিক্ষিত কুকুর নিলামে তুলছে র‍্যাব জনগণ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে: প্রধানমন্ত্রী এইমাত্রঅন্যান্য জনগণ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে: প্রধানমন্ত্রী ধামসোনা বিএনপির নেতৃত্ব নিয়ে বিরোধ, জাকিরের প্রতিবাদ এইমাত্রঅন্যান্য ধামসোনা বিএনপির নেতৃত্ব নিয়ে বিরোধ, জাকিরের প্রতিবাদ জয়পুরহাটে গণতন্ত্রে সাংবাদিকদের ভূমিকা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত এইমাত্রঅন্যান্য জয়পুরহাটে গণতন্ত্রে সাংবাদিকদের ভূমিকা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মার্কিন চার মানবাধিকার সংস্থার মামলা এইমাত্রঅন্যান্য ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মার্কিন চার মানবাধিকার সংস্থার মামলা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দুই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত এইমাত্রঅন্যান্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দুই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত দিল্লিতে গিয়ে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন দীনেশ ত্রিবেদী এইমাত্রঅন্যান্য দিল্লিতে গিয়ে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন দীনেশ ত্রিবেদী দক্ষিণ আফ্রিকায় পরিত্যক্ত খনিতে ঢুকে ১৪ জনের মৃত্যু এইমাত্রঅন্যান্য দক্ষিণ আফ্রিকায় পরিত্যক্ত খনিতে ঢুকে ১৪ জনের মৃত্যু
অন্যান্য

তরুণদের সম্ভাবনাই হবে জাতীয় অগ্রগতির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিবেদক:
তরুণদের সম্ভাবনাই হবে জাতীয় অগ্রগতির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের উন্নয়ন-অভিযাত্রার অন্যতম লক্ষ্য হলো তরুণদের সম্ভাবনাকে জাতীয় অগ্রগতির চালিকাশক্তিতে পরিণত করা। এ লক্ষ্যে শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার পরিকল্পনাকে সমন্বিত করে সরকার বহুমাত্রিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।

শনিবার (১১ জুলাই) বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে শুক্রবার (১০ জুলাই) দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রস্তুতিতে সুন্দর আগামী গড়ি’ জাতীয় উন্নয়ন দর্শনের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণের জীবনমান উন্নয়ন এবং প্রতিটি নাগরিকের জন্য সুস্থ, শিক্ষিত, দক্ষ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনমিতিক সম্ভাবনাকে টেকসই উন্নয়নের শক্তিতে রূপান্তর, মানবসম্পদ উন্নয়ন, সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ, পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমের শক্তিশালীকরণ এবং নারী ও যুবসমাজের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও আত্মনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।

তিনি দেশবাসী, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের চেতনা ধারণ ও বাস্তবায়নে সক্রিয় অংশীদার হওয়ার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে এমন একটি প্রজন্মের ওপর, যারা হবে শিক্ষিত, দক্ষ, প্রযুক্তিবান্ধব, সুস্থ, মানবিক ও উদ্ভাবনী। তরুণদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা, কর্মসংস্থান, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবার গঠনের উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির প্রধান শক্তি আজকের তরুণরা। সরকার এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে অঙ্গীকারবদ্ধ, যেখানে প্রতিটি তরুণ-তরুণী যুগোপযোগী দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে দেশীয় ও বৈশ্বিক শ্রমবাজারে নিজেদের সক্ষমতার স্বাক্ষর রাখতে পারবে।

অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, সামাজিক স্থিতিশীলতা ও উন্নত স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিশ্চিত হলে তরুণরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারবে এবং দায়িত্বশীল পরিবার গঠনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও সচেতনভাবে নিতে সক্ষম হবে বলে উল্লেখ করেন সরকারপ্রধান।

তিনি বলেন, উন্নত জাতি গঠনের পূর্বশর্ত হলো সুস্থ জনগোষ্ঠী। এ লক্ষ্য অর্জনে সরকার সহজলভ্য, মানসম্মত ও জবাবদিহিমূলক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম জোরদার, প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে কাজ করছে।

বাল্যবিবাহ, কিশোরী মাতৃত্ব ও অপুষ্টিকে তরুণ প্রজন্মের বিকাশের বড় বাধা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব সমস্যা মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিক্ষার ধারাবাহিকতা, নারীর ক্ষমতায়ন এবং মাতৃ ও শিশুর স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এ কারণে সরকার বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, কিশোর-কিশোরীদের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, পুষ্টি উন্নয়ন এবং জীবনদক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম জোরদারে সমন্বিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

বাণীর শেষে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, প্রতিটি তরুণ-তরুণী সমান সুযোগ পেলে তারাই আগামী দিনের সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ গঠনের প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত হবে। পাশাপাশি বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন তিনি।