মূল লেখায় যান
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ফ্লাইটে আচমকা তীব্র ঝাঁকি, জানা গেল গাঁজা খেয়েছিলেন পাইলট এইমাত্রঅন্যান্য ফ্লাইটে আচমকা তীব্র ঝাঁকি, জানা গেল গাঁজা খেয়েছিলেন পাইলট একটি ৪ তালা বাড়ি ঘিরে রেখেছে পুলিশ, ৫টি বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার এইমাত্রঅন্যান্য একটি ৪ তালা বাড়ি ঘিরে রেখেছে পুলিশ, ৫টি বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার নরসিংদীর রায়পুরায় যৌথ অভিযান: ১৩৬ হাতবোমা ও অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৩ এইমাত্রঅন্যান্য নরসিংদীর রায়পুরায় যৌথ অভিযান: ১৩৬ হাতবোমা ও অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৩ বড় ধরনের ভূমিকম্প মোকাবিলায় ৪৪৫ ‘নিরাপদ আশ্রয়স্থল’ চিহ্নিত এইমাত্রঅন্যান্য বড় ধরনের ভূমিকম্প মোকাবিলায় ৪৪৫ ‘নিরাপদ আশ্রয়স্থল’ চিহ্নিত জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে ‘সিইএসসি ম্যাথমেজিকস ২০২৬’-এর সফল সূচনা এইমাত্রঅন্যান্য জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে ‘সিইএসসি ম্যাথমেজিকস ২০২৬’-এর সফল সূচনা শুধুমাত্র দুই বিষয়েই আটকে গেল ৭ লাখ পরীক্ষার্থী এইমাত্রঅন্যান্য শুধুমাত্র দুই বিষয়েই আটকে গেল ৭ লাখ পরীক্ষার্থী ইউক্রেন থেকে পালিয়েছে ৪৪ লাখের বেশি মানুষ এইমাত্রঅন্যান্য ইউক্রেন থেকে পালিয়েছে ৪৪ লাখের বেশি মানুষ তদন্তে গিয়ে পুলিশের ওপর হামলা, আহত ৫ নারীসহ গ্রেপ্তার ৭ এইমাত্রঅন্যান্য তদন্তে গিয়ে পুলিশের ওপর হামলা, আহত ৫ নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
অন্যান্য

বাহিরে বৃষ্টিতে ভিজে গেলে ঘরে ফিরেই করুন এই ৫ কাজ

প্রতিবেদক:
বাহিরে বৃষ্টিতে ভিজে গেলে ঘরে ফিরেই করুন এই ৫ কাজ

প্রচণ্ড গরমের পর এক পশলা বৃষ্টি যেমন স্বস্তি এনে দেয়, তেমনি মনেও ছড়িয়ে দেয় প্রশান্তি। তবে বর্ষার এই আনন্দের সঙ্গে আসে কিছু স্বাস্থ্যঝুঁকিও, যা অবহেলা করলে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যার কারণ হতে পারে।

বর্ষাকালে বাতাসে আর্দ্রতার মাত্রা বেড়ে যায়, ফলে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও ছত্রাক দ্রুত বংশবিস্তার করার অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়। বিশেষ করে ভারী বৃষ্টির সময় বাইরে থাকলে অল্প সময়েই পুরো শরীর ভিজে যেতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘ সময় ভেজা কাপড় পরে থাকলে ঠান্ডা লাগা, সর্দি-কাশি, জ্বরসহ বিভিন্ন সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। পাশাপাশি ত্বকে ছত্রাকজনিত সংক্রমণ ও অ্যালার্জির সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

তাই বৃষ্টিতে ভিজে ঘরে ফেরার পর শরীরের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে দ্রুত কিছু প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

বৃষ্টিতে ভেজার পর তাৎক্ষণিক ৫টি করণীয়

১. দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যান: বাহিরে থাকার সময় বৃষ্টি শুরু হলে আরও বেশি ভেজা থেকে বাঁচতে দ্রুত কোনো ছাদ বা ছাউনির নিচে আশ্রয় নিন।

২. ভেজা কাপড় দ্রুত বদলে ফেলুন: ঘরে ফিরেই সবার আগে ভেজা পোশাক বদলে ফেলুন। দীর্ঘক্ষণ ভেজা কাপড় পরে থাকলে শরীরের তাপমাত্রা হঠাৎ কমে গিয়ে ঠান্ডা লেগে যেতে পারে। 

৩. শরীর ও চুল ভালোভাবে শুকিয়ে নিন: একটি পরিষ্কার তোয়ালে বা গামছা দিয়ে আপনার ত্বক এবং মাথার চুল দ্রুত ও ভালোভাবে মুছে শুকিয়ে ফেলুন।

৪. হালকা গরম পানিতে গোসল করুন: দ্রুত স্বাভাবিক আরামদায়ক অনুভূতি এবং শরীরের তাপমাত্রা বজায় রাখতে হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করে নিন। এটি বৃষ্টির পানির সঙ্গে শরীরে লেগে থাকা বিভিন্ন জীবাণু, দূষণ ও ব্যাকটেরিয়া ধুয়ে ফেলতে সাহায্য করবে।

৫. শরীর গরম রাখুন: গোসলের পর শুকনো ও আরামদায়ক পোশাক পরুন। শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা বাড়াতে এবং ঠান্ডাভাব দূর করতে হালকা গরম পানি, ভেষজ চা অথবা গরম স্যুপ পান করতে পারেন। 

সংক্রমণ বা ইনফেকশন এড়াতে কিছু জরুরি টিপস

ভারি বৃষ্টিপাত এবং রাস্তার জমে থাকা নোংরা পানি আমাদের নানা রকম ভাইরাস ও ফাঙ্গাসের মুখোমুখি করে। এই সময়ে ইনফেকশন থেকে দূরে থাকতে নিচের সতর্কতাগুলো মেনে চলুন:

ঘন ঘন হাত ধোয়া: বাহিরে থেকে ঘরে ফেরার সঙ্গে সঙ্গেই সাবান ও পানি দিয়ে ভালোভাবে হাত ধুয়ে নিন। 

ত্বক জীবাণুমুক্ত করা: যদি কোনো কারণে রাস্তার নোংরা বা জমে থাকা পানি পাড়িয়ে আসতে হয়, তবে ঘরে ফিরে অ্যান্টিসেপটিক লিকুইড দিয়ে আক্রান্ত ত্বক পরিষ্কার করুন।

পা শুকনো রাখা: পা ভালোভাবে ধুয়ে বিশেষ করে আঙুলের ফাঁকগুলো শুকিয়ে নিন, যাতে ফাঙ্গাল ইনফেকশন না হয়।

মুখে হাত দেওয়া থেকে বিরত থাকুন: অপরিষ্কার হাত দিয়ে চোখ, নাক এবং মুখ স্পর্শ করবেন না।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো: শরীরকে ভেতর থেকে শক্তিশালী রাখতে ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ খাবার (যেমন—লেবু, আমলকী, পেয়ারা) বেশি করে খান।

নিরাপদ পানি পান: পানিবাহিত রোগ থেকে বাঁচতে সর্বদা ফোটানো বা ফিল্টার করা বিশুদ্ধ পানি পান করুন। 

ব্যবহৃত জিনিসপত্র পরিষ্কার রাখা: ছাতা, রেইনকোট এবং জুতো ব্যবহারের পর ভালোভাবে পরিষ্কার করে শুকিয়ে রাখুন, যাতে সেখানে ছত্রাক না পড়ে। 

রাস্তার খাবার পরিহার: বর্ষার এই সময়ে রাস্তার খোলা খাবার বা স্ট্রিট ফুড এড়িয়ে চলুন এবং সবসময় ঘরে তৈরি তাজা ও গরম খাবার খান।

পরিশেষে বৃষ্টির সৌন্দর্য উপভোগ করার পাশাপাশি বর্ষাকালীন স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন থাকা প্রয়োজন। সামান্য কিছু সতর্কতা অবলম্বন করলেই এই বর্ষায় নিজেকে এবং পরিবারকে যেকোনো ধরনের ইনফেকশন বা সংক্রমণ থেকে পুরোপুরি মুক্ত রাখা সম্ভব।