মূল লেখায় যান
মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ছেলেকে খুনের পর এবার বাবাকেও গুলি করে হত্যা এইমাত্রঅন্যান্য ছেলেকে খুনের পর এবার বাবাকেও গুলি করে হত্যা মিরপুরে সরকারি প্লট ঘিরে প্রভাবশালীদের দৌরাত্ম-পুলিশের নীরব ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন এইমাত্রঅন্যান্য মিরপুরে সরকারি প্লট ঘিরে প্রভাবশালীদের দৌরাত্ম-পুলিশের নীরব ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন দেশের ১০০ গুণী শিক্ষকের একজন নোবিপ্রবির অধ্যাপক ড. বেলাল হোসাইন এইমাত্রঅন্যান্য দেশের ১০০ গুণী শিক্ষকের একজন নোবিপ্রবির অধ্যাপক ড. বেলাল হোসাইন বর্ডারলেস ডিজিটাল কর্মপরিবেশ ও ‘আওমনি ইকোসিস্টেম’ নিয়ে অমনিল্যাবের বৈশ্বিক যাত্রা এইমাত্রঅন্যান্য বর্ডারলেস ডিজিটাল কর্মপরিবেশ ও ‘আওমনি ইকোসিস্টেম’ নিয়ে অমনিল্যাবের বৈশ্বিক যাত্রা পঞ্চগড়ে যুবদলের দুই নেতা গ্রেপ্তার, দলীয় পদ স্থগিত এইমাত্রঅন্যান্য পঞ্চগড়ে যুবদলের দুই নেতা গ্রেপ্তার, দলীয় পদ স্থগিত ৩২ আরোহী নিয়ে সামরিক বিমান বিধ্বস্ত এইমাত্রঅন্যান্য ৩২ আরোহী নিয়ে সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হঠাৎ সেনাপ্রধানদের নিয়ে জরুরি বৈঠকের সিদ্ধান্ত মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের এইমাত্রঅন্যান্য হঠাৎ সেনাপ্রধানদের নিয়ে জরুরি বৈঠকের সিদ্ধান্ত মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের যশোরে মামলার আসামি রকি ইয়াবাসহ আটক এইমাত্রঅন্যান্য যশোরে মামলার আসামি রকি ইয়াবাসহ আটক
রাজনীতি

গায়ে জাতীয় পতাকা জড়িয়ে রাস্তায় বিএনপি নেতা মিনুর সহধর্মিণী

প্রতিবেদক: বাংলা ব্রিফ আপডেট:

গায়ে জাতীয় পতাকা জড়িয়ে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে নিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন রাজশাহীর মাদারবক্স গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের অধ্যক্ষ সালমা শাহাদাৎ।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থী নিহতের প্রতিবাদে শনিবার (৩ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে নগরীর সাহেব বাজার জিরোপয়েন্টের আরডিএ মার্কেটের সামনে এই কর্মসূচি পালন করেন তিনি।

সালমা শাহাদাৎ বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনুর সহধর্মিণী।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, অধ্যক্ষ সালমা শাহাদাৎ গায়ে জাতীয় পতাকা জড়িয়ে বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে নিয়ে সমাবেশ করতে নগরীর জিরো পয়েন্টে যান। এসময় স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাকে সেখান থেকে সরে যেতে বললে পাশেই নগরীর আরডিএ মার্কেটের সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত কথা বলে কর্মসূচি শেষ করেন।

সালমা শাহাদৎ বলেন, ‘সারাদেশে প্রায় আড়াইশ কোমলমতি মেধাবী শিক্ষার্থীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। আমারও সন্তান রয়েছে। মূলত আমি মা ও অভিভাবক হিসেবে বিবেকের তাড়নায় রাস্তায় দাঁড়িয়েছিলাম। যাতে আর কোনো সন্তানের মায়ের বুক এভাবে খালি না হয়, সেজন্যই জিরো পয়েন্টে গিয়েছিলাম।’

তিনি আরও বলেন, ‘গাজীপুরে এক শিক্ষার্থী মারা গেছে যে আমার ছেলের বন্ধু। ছেলেটি অত্যন্ত মেধাবী, ড্রোন বানাতো। আরেক ছেলে মুগ্ধ। সে সফল ফ্রিল্যান্সার। এ দুই ছেলের মতো অসংখ্য মেধাবীকে পাখির মতো গুলি করা হয়েছে, যা চরমভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন। এর প্রতিবাদ জানাতে আমি রাস্তায় দাঁড়িয়েছিলাম।’

এসআর/এমএস

এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।