মূল লেখায় যান
সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬, ৭:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নোবিপ্রবি ছাত্রদলে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে দুই নেতা বহিষ্কার এইমাত্রঅন্যান্য নোবিপ্রবি ছাত্রদলে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে দুই নেতা বহিষ্কার মানুষ হত্যা করতে চাই না, চুক্তিই চাই: ট্রাম্প এইমাত্রঅন্যান্য মানুষ হত্যা করতে চাই না, চুক্তিই চাই: ট্রাম্প সবুজ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর এইমাত্রঅন্যান্য সবুজ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে জামায়াতে ইসলামী এইমাত্রঅন্যান্য জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে জামায়াতে ইসলামী চোখে ব্যান্ডেজ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর, কী হয়েছে? এইমাত্রঅন্যান্য চোখে ব্যান্ডেজ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর, কী হয়েছে? পঞ্চগড় জেলা বাস, মিনিবাস, কোচ মালিক সমিতির নব নির্বাচিত কমিটির শপথ গ্রহণ এইমাত্রঅন্যান্য পঞ্চগড় জেলা বাস, মিনিবাস, কোচ মালিক সমিতির নব নির্বাচিত কমিটির শপথ গ্রহণ রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে কমিটি গঠন এইমাত্রঅন্যান্য রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে কমিটি গঠন নাটোরে নকল টাইলস ক্লিনার কারখানায় অভিযান, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এইমাত্রঅন্যান্য নাটোরে নকল টাইলস ক্লিনার কারখানায় অভিযান, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
অন্যান্য

দুধ দিয়ে গোসল করে ও মায়ের মাথায় হাত রেখে রাজনীতি ছাড়লেন যুবদল নেতা

প্রতিবেদক:
দুধ দিয়ে গোসল করে ও মায়ের মাথায় হাত রেখে রাজনীতি ছাড়লেন যুবদল নেতা

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলম প্রকাশ্যে দুধ দিয়ে গোসল করে বিএনপির রাজনীতি থেকে চিরবিদায় নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ ধনুয়া এলাকায় নিজ বাড়িতে প্রায় এক মণ দুধ দিয়ে গোসল করেন তিনি। পরে মা হাওয়া বেগমের মাথায় হাত রেখে শপথ করেন, ভবিষ্যতে তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত হবেন না।

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। দীর্ঘদিন রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত একজন নেতার এমন প্রতীকী প্রতিবাদ স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি করেছে।

মাহাবুব আলম দাবি করেন, দলের রাজনীতি করতে গিয়ে তিনি নিজ দলের নেতাকর্মীদের হাতেই নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক ও সাজানো মামলা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। কারামুক্ত হওয়ার পর বিএনপির কিছু নেতাকর্মীর অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কথা বলায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয় বলে তার দাবি।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মাহাবুব আলম বলেন, “২০০৬ সাল থেকে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম। দলের দুঃসময়ে মাঠে কাজ করেছি। কিন্তু দল ক্ষমতার কাছাকাছি আসার পর নিজের দলের কিছু নেতাকর্মীর হাতেই সবচেয়ে বেশি নির্যাতনের শিকার হয়েছি। যে রাজনীতির জন্য জীবন-যৌবন ব্যয় করেছি, সেই রাজনীতি আজ আমাকে অপমান, হয়রানি ও কারাভোগ উপহার দিয়েছে। তাই চিরতরে রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”