মূল লেখায় যান
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে ইরান-আমিরাতের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক এইমাত্রঅন্যান্য ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে ইরান-আমিরাতের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক কিশোরগঞ্জে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে আলোচনা সভা এইমাত্রঅন্যান্য কিশোরগঞ্জে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে আলোচনা সভা ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসব থেকে অস্কারের দৌড়ে ছয় সিনেমা এইমাত্রঅন্যান্য ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসব থেকে অস্কারের দৌড়ে ছয় সিনেমা আ.লীগকে ফেরাতে সরকারের একাংশ ষড়যন্ত্র করছে: পরওয়ার এইমাত্রঅন্যান্য আ.লীগকে ফেরাতে সরকারের একাংশ ষড়যন্ত্র করছে: পরওয়ার ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য সরকারের এইমাত্রঅন্যান্য ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য সরকারের বুড়িচংয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ১১, তিনজনের কারাদণ্ড এইমাত্রঅন্যান্য বুড়িচংয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ১১, তিনজনের কারাদণ্ড সেই ৬৩ বিদেশির সহযোগী মহসিন কোকেন মামলায় গ্রেফতার এইমাত্রঅন্যান্য সেই ৬৩ বিদেশির সহযোগী মহসিন কোকেন মামলায় গ্রেফতার ফ্রান্সে বসেই দেশে ডাকাতচক্র চালাতেন ‘ফ্রান্স নাসির’ এইমাত্রঅন্যান্য ফ্রান্সে বসেই দেশে ডাকাতচক্র চালাতেন ‘ফ্রান্স নাসির’
অন্যান্য

গণভোটের রায় অগ্রাহ্য করলে জনগণকে অপমান করা হবে: ডা. শফিকুর রহমান

প্রতিবেদক:
গণভোটের রায় অগ্রাহ্য করলে জনগণকে অপমান করা হবে: ডা. শফিকুর রহমান

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করার অধিকার কারও নেই বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, জনগণের ভোটের রায়কে অগ্রাহ্য করা মানে জনগণকে অপমান করা। গণভোটে সংস্কারের পক্ষে দেওয়া রায় বাস্তবায়নের দাবিসহ বিভিন্ন দাবি নিয়ে তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে বগুড়া সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর জনগণের সঙ্গে করা ওয়াদা ভুলে গেছে। তারা গণভোটের রায় বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে। তিনি ইতিহাসের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ১৯৭০ সালের নির্বাচনের রায় অমান্য করার কারণেই যুদ্ধ হয়েছিল। জনগণের ভোটের রায়কে অগ্রাহ্য করার শক্তি বা অধিকার কারো নেই। জনগণ তাদের রায়ের বাস্তবায়ন চায় এবং সেই দাবি নিয়েই তারা মাঠে নেমেছেন।

দেশের অর্থনৈতিক ও শিল্প পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পার হলেও বাংলাদেশ কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন অর্জন করতে পারেনি। মালয়েশিয়া বা জাপানের মতো দেশগুলো দ্রুত উন্নতি করলেও বাংলাদেশে স্বাধীনতার পর শিল্পকারখানাগুলো ধ্বংস হয়েছে। আদমজী জুট মিলসহ তৎকালীন বড় বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান আজ বিলুপ্তপ্রায়। বর্তমানে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের কারণে দেশের প্রধান রপ্তানি খাত গার্মেন্টস শিল্প মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে। বিজিএমইএ-এর তথ্য অনুযায়ী, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ না পাওয়ায় উৎপাদন ৫০ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে, যা শিল্পমালিক ও শ্রমিকদের জন্য বড় সংকট তৈরি করেছে।

তিনি আরও বলেন, সরকার সংকট মোকাবিলায় ব্যর্থ হয়েছে। বিরোধীদলের পক্ষ থেকে সরকারকে টেকনিক্যাল এক্সপার্ট টিম দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তা কার্যকর করা হয়নি। বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে সরকারের দায়িত্বশীলদের বক্তব্যকে তিনি ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ বলে অভিহিত করেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, বৈষম্য দূরীকরণ, দলীয়করণ বন্ধ, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি রোধ, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং কৃষকের জন্য সার সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবিতে তারা আন্দোলনে নেমেছেন। লং মার্চসহ বিভিন্ন শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে তারা জনগণকে সচেতন করার চেষ্টা করছেন। তিনি বলেন, বিরোধীদল হিসেবে তাদের প্রধান দায়িত্ব হলো জনগণের অধিকারের পাহারাদারি করা। স্বৈরাশাসনের কবলে পড়ে গত সাড়ে ১৫ বছরে দেশ ও জাতি যে ট্রমা ও ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে, তা থেকে উত্তরণে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন অপরিহার্য।