মূল লেখায় যান
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বদলি বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে, অনড় জামালপুর নার্সিং শিক্ষার্থীরা এইমাত্রঅন্যান্য বদলি বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে, অনড় জামালপুর নার্সিং শিক্ষার্থীরা বরগুনায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি ডিআইজির এইমাত্রঅন্যান্য বরগুনায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি ডিআইজির সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ও পরিবারের ৮৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ এইমাত্রঅন্যান্য সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ও পরিবারের ৮৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ ধর্ষণ প্রতিরোধে বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার কঠিন পরীক্ষা এইমাত্রঅন্যান্য ধর্ষণ প্রতিরোধে বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার কঠিন পরীক্ষা হরমুজে ডুবল পণ্যবাহী জাহাজ, সাগরে ভাসছে আইফোন ও দামি সুগন্ধি এইমাত্রঅন্যান্য হরমুজে ডুবল পণ্যবাহী জাহাজ, সাগরে ভাসছে আইফোন ও দামি সুগন্ধি ফরিদপুরে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের দায়ে যুবকের মৃত্যুদণ্ড এইমাত্রঅন্যান্য ফরিদপুরে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের দায়ে যুবকের মৃত্যুদণ্ড সখীপুরে ১৩ বছরের কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২ এইমাত্রঅন্যান্য সখীপুরে ১৩ বছরের কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২ শারদীয় দুর্গাপূজা: নড়াইলে ৫৪৩টি মণ্ডপে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্ততি এইমাত্রঅন্যান্য শারদীয় দুর্গাপূজা: নড়াইলে ৫৪৩টি মণ্ডপে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্ততি
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে এসে কেন কেঁদেছিলেন শাকিরা

প্রতিবেদক: বাংলা ব্রিফ
বাংলাদেশে এসে কেন কেঁদেছিলেন শাকিরা

বিশ্বজুড়ে কোটি ভক্তের হৃদয় জয় করা কলম্বিয়ান পপ তারকা শাকিরা। তার গান, মঞ্চনৈপুণ্য ও ফুটবল বিশ্বকাপের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা স্মৃতি নিয়ে আজও আলোচনা চলে। তবে অনেকেরই জানা নেই, প্রায় দুই দশক আগে বাংলাদেশ সফরে এসে আবেগে ভেঙে পড়েছিলেন এই বিশ্বখ্যাত শিল্পী।

২০০৭ সালের ডিসেম্বরে প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড় সিডরের পর জাতিসংঘের শিশু তহবিল (ইউনিসেফ)-এর শুভেচ্ছাদূত হিসেবে তিন দিনের সফরে বাংলাদেশে আসেন শাকিরা। সফরের শুরুতেই তিনি ছুটে যান পটুয়াখালীর সিডর-আক্রান্ত এলাকায়। সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও শিশুদের সঙ্গে সময় কাটান এবং তাদের দুর্দশা কাছ থেকে দেখেন।

সফরকালে সিডরে মা-বাবাকে হারানো ১১ বছর বয়সী এক কিশোরীর সঙ্গে দেখা হয় তার। মেয়েটি তাকে বাংলায় একটি শোকের গান শুনিয়েছিল, যার অর্থ ছিল- ‘মা, তুমি যেখানেই থাকো, আমাকে একটি চিঠি লেখো।’ পরে এই ঘটনার কথা স্মরণ করে শাকিরা বলেন, সেই কণ্ঠ তিনি কখনো ভুলতে পারবেন না।

সিডরের ধ্বংসযজ্ঞ দেখে গভীরভাবে মর্মাহত হন শাকিরা। তিনি বলেছিলেন, পুরো গ্রাম নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে দেখে তিনি বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছিলেন। মানুষের ঘরবাড়ি, জীবিকা এবং প্রিয়জন হারানোর বেদনা তাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল। বিশেষ করে সন্তান হারানো মায়েদের মুখ তিনি কখনো ভুলবেন না বলেও মন্তব্য করেছিলেন।

তবে ধ্বংসস্তূপের মাঝেও শিশুদের স্বপ্ন তাকে আশাবাদী করেছিল। ক্ষতিগ্রস্ত একটি স্কুলে শিশুদের খেলতে, গান গাইতে ও হাসতে দেখে তিনি মুগ্ধ হন। শিশুদের মুখে ডাক্তার, নার্সসহ বিভিন্ন পেশায় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্নের কথা শুনে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

বাংলাদেশ সফরের অংশ হিসেবে রাজশাহীতেও ইউনিসেফের একটি প্রকল্প পরিদর্শন করেন শাকিরা। শিশুদের শিক্ষা ও কল্যাণে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসা এই শিল্পী সফর শেষে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি বাংলাদেশের শিশু ও দুর্যোগপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

বিশ্বমঞ্চে গানের জাদু ছড়ানো শাকিরার জন্য বাংলাদেশ সফর ছিল কেবল একটি আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব নয়; বরং মানুষের দুঃখ-কষ্টকে কাছ থেকে অনুভব করার এক আবেগঘন অভিজ্ঞতা, যা আজও তার স্মৃতিতে অমলিন হয়ে আছে।