মূল লেখায় যান
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নারীরা এখনও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মধ্যে রয়েছেন: নাদিয়া পাঠান এইমাত্রঅন্যান্য নারীরা এখনও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মধ্যে রয়েছেন: নাদিয়া পাঠান চাঁদাবাজি-মাদক-কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি চীফ হুইপের এইমাত্রঅন্যান্য চাঁদাবাজি-মাদক-কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি চীফ হুইপের কক্সবাজার টুপটুপ রিসোর্টে আগুন, নিহত বেড়ে ১০ এইমাত্রঅন্যান্য কক্সবাজার টুপটুপ রিসোর্টে আগুন, নিহত বেড়ে ১০ ‘সরি একটা মলম না? সরি তো একটা বিশাল জিনিস, বিশাল মলম’ এইমাত্রঅন্যান্য ‘সরি একটা মলম না? সরি তো একটা বিশাল জিনিস, বিশাল মলম’ ২০ ডিসেম্বর শুরু প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা, চলবে চার দিন এইমাত্রঅন্যান্য ২০ ডিসেম্বর শুরু প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা, চলবে চার দিন আশুলিয়ায় সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক জাহাঙ্গীরকে প্রাণনাশের হুমকি এইমাত্রঅন্যান্য আশুলিয়ায় সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক জাহাঙ্গীরকে প্রাণনাশের হুমকি রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত, পুড়ে অঙ্গার ৬ পর্যটক এইমাত্রঅন্যান্য রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত, পুড়ে অঙ্গার ৬ পর্যটক আজ মহাসপ্তমী, নবপত্রিকা পূজায় শুরু দিনের প্রধান আচার এইমাত্রঅন্যান্য আজ মহাসপ্তমী, নবপত্রিকা পূজায় শুরু দিনের প্রধান আচার
বাংলাদেশ

মিরপুরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, পলাতক স্বামীসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রতিবেদক: স্টাফ রিপোর্টার, বাংলা ব্রিফ
মিরপুরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, পলাতক স্বামীসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

রাজধানীর শেওড়াপাড়ায় ফাহমিদা তাহসিন কেয়া (২৫) নামে চার সন্তানের এক জননীর রহস্যজনকভাবে মৃত্যুর ঘটনায় স্বামী সিফাত আলীসহ (৩০) নয়জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

নিহতের মা নাজমা বেগম বাদী হয়ে মিরপুর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলার এজাহার রুজু করেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে নিহতের স্বামী সিফাত আলীকে।

শুক্রবার (১ আগস্ট) দুপুরে মামলার বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ রোমান।

তিনি বলেন, নিহত কেয়ার মা নাজমা বেগম বাদী হয়ে একটি এজাহার দায়ের করেছেন। এজাহারটি হত্যা মামলা হিসেবে রুজু হয়েছে। মামলায় নিহতের স্বামী সিফাত এবং তাদের গাড়িচালকসহ মোট নয়জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে।

নিহতের পরিবার ও স্বজনদের অভিযোগ, পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী সিফাত আলী তার স্ত্রী কেয়াকে শ্বাসরোধে হত্যার পর কৌশলে ফোনকল করে স্বজনদের জানিয়ে পালিয়ে যান। কেয়ার চার ছেলে-মেয়ে রয়েছে।

নিহত কেয়ার ফুফু সৈয়দা ফাতেমা জাহান কলি জানান, বুধবার দিনগত রাত ২টার দিকে সিফাত তার শাশুড়ি নাজমা বেগমকে ফোন করে জানান- কেয়া খুবই অসুস্থ। আপনারা বাসায় আসেন। কী হয়েছে জানতে চাইলে সিফাত একপর্যায়ে স্বীকার করেন যে ‘কেয়া আর বেঁচে নেই’।

এরপর নাজমা বেগম স্বামীসহ দ্রুত ওই বাসায় পৌঁছান। তারা সেখানে গিয়ে দেখেন সিফাত কেয়াকে নিয়ে পান্থপথের বিআরবি হাসপাতালে যাচ্ছেন। হাসপাতালে পৌঁছার পর চিকিৎসকরা কেয়াকে মৃত ঘোষণা করলে সিফাত সেখান থেকে উধাও হয়ে যান। পরে নাজমা বেগম ও তার স্বামী বাসায় ফিরে দেখেন, সিফাত বাসায় তালা দিয়ে পালিয়ে গেছেন।