মূল লেখায় যান
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নারীরা এখনও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মধ্যে রয়েছেন: নাদিয়া পাঠান এইমাত্রঅন্যান্য নারীরা এখনও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মধ্যে রয়েছেন: নাদিয়া পাঠান চাঁদাবাজি-মাদক-কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি চীফ হুইপের এইমাত্রঅন্যান্য চাঁদাবাজি-মাদক-কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি চীফ হুইপের কক্সবাজার টুপটুপ রিসোর্টে আগুন, নিহত বেড়ে ১০ এইমাত্রঅন্যান্য কক্সবাজার টুপটুপ রিসোর্টে আগুন, নিহত বেড়ে ১০ ‘সরি একটা মলম না? সরি তো একটা বিশাল জিনিস, বিশাল মলম’ এইমাত্রঅন্যান্য ‘সরি একটা মলম না? সরি তো একটা বিশাল জিনিস, বিশাল মলম’ ২০ ডিসেম্বর শুরু প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা, চলবে চার দিন এইমাত্রঅন্যান্য ২০ ডিসেম্বর শুরু প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা, চলবে চার দিন আশুলিয়ায় সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক জাহাঙ্গীরকে প্রাণনাশের হুমকি এইমাত্রঅন্যান্য আশুলিয়ায় সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক জাহাঙ্গীরকে প্রাণনাশের হুমকি রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত, পুড়ে অঙ্গার ৬ পর্যটক এইমাত্রঅন্যান্য রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত, পুড়ে অঙ্গার ৬ পর্যটক আজ মহাসপ্তমী, নবপত্রিকা পূজায় শুরু দিনের প্রধান আচার এইমাত্রঅন্যান্য আজ মহাসপ্তমী, নবপত্রিকা পূজায় শুরু দিনের প্রধান আচার
বাংলাদেশ

সবজির চড়া দামে বিপাকে সাধারণ মানুষ

প্রতিবেদক: স্টাফ রিপোর্টার, বাংলা ব্রিফ
সবজির চড়া দামে বিপাকে সাধারণ মানুষ

লালমনিরহাটের বিভিন্ন হাটবাজারে সবজির দামে আগুন লেগেছে। গত এক সপ্তাহের মধ্যে প্রতি কেজি সবজির দাম ২০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বাড়ায় বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ।

রোববার (২৪ আগস্ট) সকালে নামুড়ি ও চাপারহাট কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, সবজি বিক্রি হচ্ছে অস্বাভাবিক দামে। ভালো মানের কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, টমেটো ১২০ থেকে ১৫০ টাকা, গাজর ১০০ থেকে ১৩০ টাকা, এবং শিম ১৪০ থেকে ২২০ টাকায়। এ ছাড়া বেগুন, মুলা, ঝিঙা ও বরবটির মতো সবজিও ৬০ থেকে ৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এমনকি শাকের দামও বেড়েছে—পালং, লালশাক, কলমি ও ডাঁটা শাকের আঁটি কিনতে এখন ১০ থেকে ২০ টাকা বেশি গুনতে হচ্ছে।

সবজি কিনতে আসা শিহাব মিয়া জানান, খুচরা বাজারে এমন চড়া দামের কারণে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

চাপারহাটের বিক্রেতা সাদেক আলী বলেন, বৃষ্টির কারণে অনেক ফসলের ক্ষেত নষ্ট হয়ে যাওয়ায় বাজারে সবজির সরবরাহ কম। চাহিদা বেশি কিন্তু সরবরাহ কম হওয়ায় দাম বাড়ছে।

শিয়ালখোওয়া বাজারে আসা গৃহিণী সাবিনা বেগম আক্ষেপ করে বলেন, আমাদের এলাকায় গরিব মানুষ বেশি। আগের মতো তিন পদের তরকারি রান্না করা এখন আর সম্ভব নয়। এখন একবেলায় শাক আর আরেকবেলায় অন্য একটি তরকারি দিয়েই দিন কাটাতে হচ্ছে।

পেঁয়াজ ব্যবসায়ী মুনজুরুল বলেন, দেশে পর্যাপ্ত পেঁয়াজের মজুত থাকা সত্ত্বেও বাজার নিয়ন্ত্রণ না হওয়ায় দাম কমানো যাচ্ছে না।

কালীগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী অফিসার জাকিয়া সুলতানা বলেন, বৃষ্টি বা বন্যার কারণে সবজির সরবরাহ কমে গেলে দাম বাড়তে পারে। তবে যদি কেউ সিন্ডিকেট করে বাজারের দাম অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।