মূল লেখায় যান
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ৫:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ম্যাচের আয় ফিলিস্তিনিদের সহায়তায় দিল নরওয়ে এইমাত্রঅন্যান্য ম্যাচের আয় ফিলিস্তিনিদের সহায়তায় দিল নরওয়ে স্পেনের সঙ্গে ফাইনাল নিয়ে মুখ খুললেন মেসি এইমাত্রঅন্যান্য স্পেনের সঙ্গে ফাইনাল নিয়ে মুখ খুললেন মেসি হালুয়াঘাটে ধারা ইউনিয়নে কৃষক স্মার্ট কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু এইমাত্রঅন্যান্য হালুয়াঘাটে ধারা ইউনিয়নে কৃষক স্মার্ট কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু আ. লীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে জবি অধ্যাপক আইনুল ইসলামকে ক্যাম্পাসছাড়া করলেন শিক্ষার্থীরা এইমাত্রঅন্যান্য আ. লীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে জবি অধ্যাপক আইনুল ইসলামকে ক্যাম্পাসছাড়া করলেন শিক্ষার্থীরা ডিএনসিসির ৪ হাজার ৫২৭ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা এইমাত্রঅন্যান্য ডিএনসিসির ৪ হাজার ৫২৭ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা আতিফ আসলামের ঢাকা কনসার্ট চূড়ান্ত, নিশ্চিত করল আয়োজক প্রতিষ্ঠান মেইন স্টেজ এইমাত্রঅন্যান্য আতিফ আসলামের ঢাকা কনসার্ট চূড়ান্ত, নিশ্চিত করল আয়োজক প্রতিষ্ঠান মেইন স্টেজ লোকগীতিতে জাতীয় সেরা সখীপুরের অনয়া এইমাত্রঅন্যান্য লোকগীতিতে জাতীয় সেরা সখীপুরের অনয়া এবার উপসাগরজুড়ে অবকাঠামো ধ্বংসের হুঁশিয়ারি ইরানের এইমাত্রঅন্যান্য এবার উপসাগরজুড়ে অবকাঠামো ধ্বংসের হুঁশিয়ারি ইরানের
শিক্ষা

রাকসু নির্বাচন ঘিরে বিএনপি-জামায়াত নেতাদের অবস্থান, উত্তেজনার শঙ্কা

প্রতিবেদক: স্টাফ রিপোর্টার, বাংলা ব্রিফ
রাকসু নির্বাচন ঘিরে বিএনপি-জামায়াত নেতাদের অবস্থান, উত্তেজনার শঙ্কা

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর আজ (বৃহস্পতিবার) সকাল থেকে শান্তিপূর্ণভাবে চলছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (রাকসু) নির্বাচন। এই নির্বাচনকে ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের আশপাশের এলাকায় অবস্থান নিয়েছে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, জামায়াত ইসলামী ও ছাত্র শিবিরের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত দুই দলের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নেতাকর্মী বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের এলাকায় জড়ো হতে দেখা যায়।

তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দু’দলের মধ্যে কোনো উত্তেজনা দেখা যায়নি। তারা বিভিন্ন স্পটে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান নিয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজলা মেইনগেটের উল্টো পাশে অবস্থান নিয়েছে যুবদলের নেতাকর্মীরা, তার পাশে কাজলা পানির পাম্প এলাকায় অবস্থান নিয়েছে জামায়াত ও ছাত্র শিবিরের কর্মীরা, তার একশ মিটার দূরে বিশ্ববিদ্যালয় মেইনগেটের কাছাকাছি বিএনপি নেতাকর্মীরা অবস্থান নিয়েছেন।

তালাইমারি, বিনোদপুর, অক্টোয়ের মোড় এলাকায় ঘুরেও বিএনপি, জামায়াতের নেতাকর্মীদের দেখা যায়। বেলা বাড়ার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় বিএনপি, জামায়াত নেতাকর্মী, সমর্থকদের উপস্থিতি বাড়ছে।

এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী বুধপাড়া, বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন, কড়ইতলা রেল ওভারপাস এলাকায় দুই দলের নেতাকর্মীরা অবস্থান নিয়েছে বলে জানা গেছে। 

এখন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বাইরে বিএনপি, জামায়াত সমর্থক নেতাকর্মীদের শান্তিপূর্ণ ভাবে অবস্থান করলেও ফলাফলের সময় ঘনিয়ে আসলে উত্তেজনা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল গেটের বাইরে চা দোকানে কথা হয় স্থানীয় বাসিন্দা আরিফুল ইসলামের সঙ্গে । তিনি বলেন, নির্বাচন দেখতে সব দলের নেতাকর্মী আসছে এই এলাকায়। এখন পর্যন্ত কোনো ঘটনা ঘটেনি। কিন্তু ভোট শেষে কি হয়, সেটাই দেখার বিষয়। 

তিনি আরও বলেন, ভোটকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের মধ্যে যেমন আনন্দ যেমন রয়েছে । তেমনি শঙ্কা রয়েছে। কারণ অনেটা মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে বিএনপি ও জামায়াতে নেতাকর্মীরা। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজলাগেটের কাছে অবস্থান করা রাজশাহী মহানগর যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম রবি বলেন, আমরা বিভিন্ন মিডিয়া দেখলাম জামায়াত, শিবির সমর্থকরা অবস্থান নিয়েছে। সেজন্য আমাদের অবস্থান। ৩৫ বছর পর রাকসু নির্বাচন হচ্ছে, আমরা চাই সুষ্ঠু ভোট। কোনো দুর্নীতি, কারচুপি চাই না। আমরা ডাকসু, জাকসুর মতো নির্বাচন চাই না।

তিনি বলেন, রাজশাহী বিএনপির ঘাঁটি। আমরা চাই যেই দলই জিতুন নির্বাচন যেন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ হয়। 

এক প্রশ্নের জবাবে রবিউল ইসলাম রবি বলেন, রাজশাহী শান্তিপূর্ণ নগরী। এখানে একে অপরের সঙ্গে ভ্রাতৃত্ববোধ আছে। কোনো ঝামেলা হবে না।

কাজলা পানির পাম্প এলাকায় অবস্থান করা জামায়াত সমর্থক আল আমিন বলেন, আমরা বহু বছর নির্বাচন দেখিনি। আমরা রাকসু নির্বাচন দেখতে এসেছি। যেহেতু আমাদের ভেতরে ঢুকার সুযোগ নেই তাই বাইরে অপেক্ষা করছি। 

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কারও বুকে লেখা নাই কে বিএনপি, কে জামায়াত। রাজশাহী শান্তিপূর্ণ শহর। কোনো ঝামেলার সম্ভাবনা নাই। 

এ বিষয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীব বলেন, বহিরাগতদের ব্যাপারটা আমাদের ইউনিভার্সিটির এখতিয়ারের বাইরে। ক্যাম্পাসের বাইরে কি হচ্ছে, না হচ্ছে ওইখানে আমাদের কোনো জুডিসডিকশন নেই। এই কাজটার জন্য আমরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বলেছি, তারা যেন একটু নজরদারি রাখেন। যেন বাইরে থেকে কোনো ধরনের উত্তেজনা সৃষ্টি না হয়। আমি যেটুকু জানছি ওনারা আন্তরিকতার সাথে সেই চেষ্টা করছে।