মূল লেখায় যান
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ৫:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ম্যাচের আয় ফিলিস্তিনিদের সহায়তায় দিল নরওয়ে এইমাত্রঅন্যান্য ম্যাচের আয় ফিলিস্তিনিদের সহায়তায় দিল নরওয়ে স্পেনের সঙ্গে ফাইনাল নিয়ে মুখ খুললেন মেসি এইমাত্রঅন্যান্য স্পেনের সঙ্গে ফাইনাল নিয়ে মুখ খুললেন মেসি হালুয়াঘাটে ধারা ইউনিয়নে কৃষক স্মার্ট কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু এইমাত্রঅন্যান্য হালুয়াঘাটে ধারা ইউনিয়নে কৃষক স্মার্ট কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু আ. লীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে জবি অধ্যাপক আইনুল ইসলামকে ক্যাম্পাসছাড়া করলেন শিক্ষার্থীরা এইমাত্রঅন্যান্য আ. লীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে জবি অধ্যাপক আইনুল ইসলামকে ক্যাম্পাসছাড়া করলেন শিক্ষার্থীরা ডিএনসিসির ৪ হাজার ৫২৭ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা এইমাত্রঅন্যান্য ডিএনসিসির ৪ হাজার ৫২৭ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা আতিফ আসলামের ঢাকা কনসার্ট চূড়ান্ত, নিশ্চিত করল আয়োজক প্রতিষ্ঠান মেইন স্টেজ এইমাত্রঅন্যান্য আতিফ আসলামের ঢাকা কনসার্ট চূড়ান্ত, নিশ্চিত করল আয়োজক প্রতিষ্ঠান মেইন স্টেজ লোকগীতিতে জাতীয় সেরা সখীপুরের অনয়া এইমাত্রঅন্যান্য লোকগীতিতে জাতীয় সেরা সখীপুরের অনয়া এবার উপসাগরজুড়ে অবকাঠামো ধ্বংসের হুঁশিয়ারি ইরানের এইমাত্রঅন্যান্য এবার উপসাগরজুড়ে অবকাঠামো ধ্বংসের হুঁশিয়ারি ইরানের
শিক্ষা

‘ভর্তির পরে সবার বিয়ে হয়ে গেছে, কেউ পাস করেনি’

প্রতিবেদক: স্টাফ রিপোর্টার, বাংলা ব্রিফ
‘ভর্তির পরে সবার বিয়ে হয়ে গেছে, কেউ পাস করেনি’

এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পঞ্চগড়ের ৩টি কলেজের একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১০টায় ফলাফল প্রকাশের পর এ তথ্য জানা যায়।

কলেজগুলো হলো বোদা উপজেলার বোদা পাইলট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মাড়েয়া মডেল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং তেঁতুলিয়া উপজেলার আলহাজ তমিজ উদ্দীন কলেজ।

জানা গেছে, বোদা পাইলট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়, যার মধ্যে ৪ জন অনুপস্থিত ছিল। মাড়েয়া মডেল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ জন, আর আলহাজ তমিজ উদ্দীন কলেজ থেকে অংশ নেয় ৪ জন শিক্ষার্থী, যার মধ্যে ২ জন অনুপস্থিত ছিল।

‎মাড়েয়া মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ অধ্যক্ষ সপেন্দ্রনাথ বর্মন বলেন, আমাদের কলেজ শাখা ১৪ বছর ধরে এমপিওভুক্ত নেই। চার পাঁচ বছর ধরে কোনো শিক্ষক নাই। এজন্য পাস করেনি।

 

আলহাজ তমিজ উদ্দীন কলেজের অধ্যক্ষ হাসান আলী বলেন, আমাদের কলেজের চারজনের মধ্যে দুজন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। দুজনে পাশ করার কথা ছিল। আমরা বোর্ড চ্যালেঞ্জ করবো।

বোদা পাইলট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নার্গিস পারভিন মৌসুমী কালবেলাকে বলেন, ভর্তি হওয়ার পরে সবার বিয়ে হয়ে গেছে, এজন্য কেউ পাস করেনি।

‎এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) খায়রুল আনাম মো. আফতাবুর রহমান হেলালী কালবেলাকে বলেন, ওই প্রতিষ্ঠান প্রধানদের শোকজ করবো। প্রয়োজনে এ থেকে কীভাবে উত্তরণ করা যায় তাদের প্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করবো।