মূল লেখায় যান
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ১৬ ইউনিট এইমাত্রঅন্যান্য টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ১৬ ইউনিট সব মাদ্রাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা এইমাত্রঅন্যান্য সব মাদ্রাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা শিলখুড়ি ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি গঠন, আহবায়ক খালেক, সদস্য সচিব জুবায়ের  এইমাত্রঅন্যান্য শিলখুড়ি ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি গঠন, আহবায়ক খালেক, সদস্য সচিব জুবায়ের  শাহজালালে সৌদিগামী ৮৬ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে সাড়ে ১৩ হাজার যাত্রী এইমাত্রঅন্যান্য শাহজালালে সৌদিগামী ৮৬ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে সাড়ে ১৩ হাজার যাত্রী ৯ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে মারা গেলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাতুল এইমাত্রঅন্যান্য ৯ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে মারা গেলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাতুল বাংলাদেশ ইয়ুথ প্রথম মডেল ইউএন এর সম্মেলন শুরু হচ্ছে আগামী ১৬ ও ১৭ অক্টোবর এইমাত্রঅন্যান্য বাংলাদেশ ইয়ুথ প্রথম মডেল ইউএন এর সম্মেলন শুরু হচ্ছে আগামী ১৬ ও ১৭ অক্টোবর টঙ্গীতে ওষুধ কারখানার কেমিক্যাল গোডাউনে ভয়াবহ আগুন এইমাত্রঅন্যান্য টঙ্গীতে ওষুধ কারখানার কেমিক্যাল গোডাউনে ভয়াবহ আগুন ‘মানুষ আপনাকে দুই টাকারও দাম দেয় না’ এইমাত্রঅন্যান্য ‘মানুষ আপনাকে দুই টাকারও দাম দেয় না’
শিক্ষা

‘ভর্তির পরে সবার বিয়ে হয়ে গেছে, কেউ পাস করেনি’

প্রতিবেদক: স্টাফ রিপোর্টার, বাংলা ব্রিফ
‘ভর্তির পরে সবার বিয়ে হয়ে গেছে, কেউ পাস করেনি’

এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পঞ্চগড়ের ৩টি কলেজের একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১০টায় ফলাফল প্রকাশের পর এ তথ্য জানা যায়।

কলেজগুলো হলো বোদা উপজেলার বোদা পাইলট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মাড়েয়া মডেল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং তেঁতুলিয়া উপজেলার আলহাজ তমিজ উদ্দীন কলেজ।

জানা গেছে, বোদা পাইলট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়, যার মধ্যে ৪ জন অনুপস্থিত ছিল। মাড়েয়া মডেল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ জন, আর আলহাজ তমিজ উদ্দীন কলেজ থেকে অংশ নেয় ৪ জন শিক্ষার্থী, যার মধ্যে ২ জন অনুপস্থিত ছিল।

‎মাড়েয়া মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ অধ্যক্ষ সপেন্দ্রনাথ বর্মন বলেন, আমাদের কলেজ শাখা ১৪ বছর ধরে এমপিওভুক্ত নেই। চার পাঁচ বছর ধরে কোনো শিক্ষক নাই। এজন্য পাস করেনি।

 

আলহাজ তমিজ উদ্দীন কলেজের অধ্যক্ষ হাসান আলী বলেন, আমাদের কলেজের চারজনের মধ্যে দুজন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। দুজনে পাশ করার কথা ছিল। আমরা বোর্ড চ্যালেঞ্জ করবো।

বোদা পাইলট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নার্গিস পারভিন মৌসুমী কালবেলাকে বলেন, ভর্তি হওয়ার পরে সবার বিয়ে হয়ে গেছে, এজন্য কেউ পাস করেনি।

‎এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) খায়রুল আনাম মো. আফতাবুর রহমান হেলালী কালবেলাকে বলেন, ওই প্রতিষ্ঠান প্রধানদের শোকজ করবো। প্রয়োজনে এ থেকে কীভাবে উত্তরণ করা যায় তাদের প্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করবো।