মূল লেখায় যান
রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬, ১:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বাংলাদেশ মুসলিম লীগের ৫১তম পুনর্গঠন দিবস পালন এইমাত্রঅন্যান্য বাংলাদেশ মুসলিম লীগের ৫১তম পুনর্গঠন দিবস পালন মোরেলগঞ্জে ৪২ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান এইমাত্রঅন্যান্য মোরেলগঞ্জে ৪২ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান সাকিবদের হারিয়ে প্রথমবারের মতো এলপিএল চ্যাম্পিয়ন গল এইমাত্রঅন্যান্য সাকিবদের হারিয়ে প্রথমবারের মতো এলপিএল চ্যাম্পিয়ন গল আজ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী এইমাত্রঅন্যান্য আজ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী অরুণাচল নিয়ে চীনের টানাটানির মুখে ভারতের নতুন পদক্ষেপ এইমাত্রঅন্যান্য অরুণাচল নিয়ে চীনের টানাটানির মুখে ভারতের নতুন পদক্ষেপ দ্রুত সময়ের মধ্যে কওমি সনদ পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করতে হবে: ডক্টর আহমদ আবদুল কাদের এইমাত্রঅন্যান্য দ্রুত সময়ের মধ্যে কওমি সনদ পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করতে হবে: ডক্টর আহমদ আবদুল কাদের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে বিএনপি নেতা শাহেদ বক্স কারাগারে এইমাত্রঅন্যান্য বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে বিএনপি নেতা শাহেদ বক্স কারাগারে বিএনপি কখনো পিছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় আসেনি, জনগণের ভোটেই দায়িত্বে এসেছে: প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম এইমাত্রঅন্যান্য বিএনপি কখনো পিছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় আসেনি, জনগণের ভোটেই দায়িত্বে এসেছে: প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম
অন্যান্য

মিয়ানমারের উপকূলে দুটি নৌকাডুবি, ৫ শতাধিক মৃত্যুর শঙ্কা

প্রতিবেদক:
মিয়ানমারের উপকূলে দুটি নৌকাডুবি, ৫ শতাধিক মৃত্যুর শঙ্কা

মিয়ানমারের উপকূলে রোহিঙ্গা শরণার্থী বহনকারী দুটি নৌকা ডুবে ৫ শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা করছে জাতিসংঘ। নিরাপদ আশ্রয় ও উন্নত জীবনের সন্ধানে সমুদ্রপথে পালানোর সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) এক যৌথ বিবৃতিতে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এবং জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) জানায়, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী নৌকা দুটি গত জুনের শেষ দিকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। যাত্রীদের বেশিরভাগই রোহিঙ্গা এবং তাদের মধ্যে বাংলাদেশের শরণার্থী শিবির থেকে যাওয়া কিছু মানুষও ছিলেন।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, একটি নৌকায় প্রায় ২৫০ জন এবং অন্যটিতে প্রায় ২৮০ জন আরোহী ছিলেন। প্রথম নৌকাটির সঙ্গে যাত্রার পরপরই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। দ্বিতীয় নৌকাটি গত ৮ জুলাই মিয়ানমারের ইরাবতী উপকূলের কাছে ডুবে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যদিও এখনো নৌকাডুবি ও হতাহতের সংখ্যা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি, তবে সম্ভাব্য প্রাণহানির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউএনএইচসিআর ও আইওএম।

সংস্থাগুলো জানায়, নিয়মিত নৌযাত্রার মৌসুমের বাইরে সমুদ্রযাত্রা করায় প্রতিকূল আবহাওয়া ও উত্তাল সাগরের কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।

দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতনের শিকার রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের সহিংসতা এবং বাংলাদেশের ঘনবসতিপূর্ণ শরণার্থী শিবিরের কঠিন জীবন থেকে বাঁচতে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ডে পৌঁছানোর আশায় ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রপথ বেছে নিচ্ছেন।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর আন্দামান সাগর ও বঙ্গোপসাগরে প্রায় ৯০০ রোহিঙ্গা শরণার্থী নিহত বা নিখোঁজ হন। ফলে এই রুটটি বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে প্রাণঘাতী শরণার্থী সমুদ্রপথ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

২০১৭ সালে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর অভিযানের পর অন্তত ৭ লাখ ৩০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। এরপর ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থান এবং গৃহযুদ্ধের কারণে তাদের সংকট আরও গভীর হয়েছে।

এদিকে ইউএনএইচসিআর ও আইওএম জানিয়েছে, চলতি বছর এখন পর্যন্ত আন্দামান সাগর ও বঙ্গোপসাগরে প্রায় ৩০০ রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি নাগরিক নিখোঁজ বা নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

সূত্র: রয়টার্স