সুনামগঞ্জে বিভিন্ন নদী পথে ঘাটের নামে চাঁদাবাজির প্রতিবাদে নৌ পরিবহন ধর্মঘট
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা, রক্তি, পাটলাই ও জামালগঞ্জ উপজেলার সুরমা নদীর ছয়টি পয়েন্টে মাঝনদীতে নৌকা আটকিয়ে ঘাটের নামে চাঁদাবাজির প্রতিবাদে নৌ পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে নৌযান মালিক-শ্রমিকদের সংগঠন।
রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে উপজেলা বাদাঘাট ইউনিয়নের যাদুকাটা নদীর কুড়ের পাড় এলাকায় মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।
এ সময় তারা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে এই চাঁদাবাজি বন্ধে এবং সমাধানের জন্য সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বারবার লিখিত অভিযোগ, মানববন্ধন ও পরিবহন ধর্মঘট করে প্রতিবাদ জানানোর পরও কোনো সমাধান হচ্ছে না। নদী পথে বিআইডব্লিউটি, টুলটেক্স, খাস কালেকশনের নামে চাঁদাবাজি চলছে। অথচ এসব ঘাটের কোনো অস্তিত্ব নেই। এসব ঘাটের নামে নদীগুলোতে চলতি পথে নৌযানগুলো আটক করে ও বাধ্য করে ঘাটে ভিড়িয়ে ইজারাদারের লোকজন ইচ্ছামতো অতিরিক্ত টাকা আদায় করছে।
এছাড়াও জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার সুরমা নদীর লালপুর এলাকায় বিআইডব্লিউটিএর নামে বালু, পাথর লোড ও আনলোড উভয় ক্ষেত্রেই প্রতি ঘনফুটের বিপরীতে ২ টাকা ৮০ পয়সা করে টোল নেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও রক্তি নদীর মোহনায় শুধু নৌকা (পণ্য ছাড়া খালি নৌকা) নিয়ে প্রবেশ করলেও তিন হাজার টাকা করে দিতে হচ্ছে, যা দেশের অন্য কোথাও এ ধরনের টোল আদায়ের নজির নেই বলে অভিযোগ করা হয়।
এ সময় সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধনে ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি কামাল মিয়া, ব্যবসায়ী নূর উদ্দিনসহ বালু, পাথর ব্যবসায়ী, নৌযান মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতারা এবং শ্রমিকগণ ধর্মঘটের ঘোষণার সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেন।
