মূল লেখায় যান
শনিবার, ১ আগস্ট ২০২৬, ১১:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাষ্ট্রপতি মনোনয়নের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীর হাতে দিল বিএনপি এইমাত্রঅন্যান্য রাষ্ট্রপতি মনোনয়নের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীর হাতে দিল বিএনপি নাসের আল খেলাইফির ফিফা সভাপতি হওয়া নিয়ে যা জানা গেল এইমাত্রঅন্যান্য নাসের আল খেলাইফির ফিফা সভাপতি হওয়া নিয়ে যা জানা গেল চট্টগ্রামকে ঘিরে আগামী ২৫ বছরের জন্য ৪র্থ মাস্টারপ্ল্যানের খসড়া উন্মোচন এইমাত্রঅন্যান্য চট্টগ্রামকে ঘিরে আগামী ২৫ বছরের জন্য ৪র্থ মাস্টারপ্ল্যানের খসড়া উন্মোচন ইউক্রেনের আরও একটি গ্রাম দখলের দাবি রাশিয়ার এইমাত্রঅন্যান্য ইউক্রেনের আরও একটি গ্রাম দখলের দাবি রাশিয়ার বিএনপি জিয়া ব্যবসা করলে, জুলাই ব্যবসায় অসুবিধা কোথায়: মাহমুদা মিতু এইমাত্রঅন্যান্য বিএনপি জিয়া ব্যবসা করলে, জুলাই ব্যবসায় অসুবিধা কোথায়: মাহমুদা মিতু শীর্ষ ৫ ইসলামি আলোচকের তালিকায় আহমাদুল্লাহ-আজহারী এইমাত্রঅন্যান্য শীর্ষ ৫ ইসলামি আলোচকের তালিকায় আহমাদুল্লাহ-আজহারী ঈশ্বরগঞ্জে জামায়াতের গণমিছিল ও সমাবেশ এইমাত্রঅন্যান্য ঈশ্বরগঞ্জে জামায়াতের গণমিছিল ও সমাবেশ ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করতে নতুন হামলার নির্দেশ ট্রাম্পের এইমাত্রঅন্যান্য ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করতে নতুন হামলার নির্দেশ ট্রাম্পের
অন্যান্য

শেরপুরে আ.লীগ ও কৃষক লীগের ৩ নেতাসহ গ্রেপ্তার ৯

প্রতিবেদক:
শেরপুরে আ.লীগ ও কৃষক লীগের ৩ নেতাসহ গ্রেপ্তার ৯

বগুড়ার শেরপুরে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় আওয়ামী লীগ ও কৃষক লীগের তিন নেতাসহ মোট ৯ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে শেরপুর থানা পুলিশ।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেল থেকে শনিবার (১ আগস্ট) ভোররাত পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাঁদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন শেরপুর উপজেলা কৃষক লীগের সহ-সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম রানজু (৬০), শেরপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আবু আরফান (৬০) এবং কুসুম্বী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. আব্দুল বাছেদ (৬৪)।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ১৫ নভেম্বর বিএনপির কেন্দ্রীয় ঘোষিত অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে শেরপুর পৌরসভার খেজুরতলা এলাকায় উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে হামলার ঘটনা ঘটে। সে সময় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। একই সঙ্গে তারা দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মারধর করে। এতে প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়। এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর শেরপুর থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইন ও দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। গ্রেপ্তার শফিকুল ইসলাম রানজু ওই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। অন্য দুই নেতা আবু আরফান ও আব্দুল বাছেদকে তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

শেরপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বারোদুয়ারি পাড়া থেকে রানজু, টাউন কলোনি থেকে আরফান এবং টুনিপাড়া এলাকা থেকে বাছেদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই অভিযানে বিভিন্ন অভিযোগে আরও ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদের মধ্যে ফৌজদারি কার্যবিধির (ফৌঃ কাঃ বিঃ) ১৫১ ধারায় ২ জন, পুলিশ আইনের আওতায় ২ জন এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাজাপ্রাপ্ত ২ জন আসামি রয়েছেন।

শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মইনুদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেপ্তারকৃত ৯ আসামিকে শনিবার দুপুরে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রাজনৈতিক মামলার অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।