মূল লেখায় যান
বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২৬, ৮:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নতুন দায়িত্ব পেলেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এইমাত্রঅন্যান্য নতুন দায়িত্ব পেলেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ আদালতই নির্ধারণ করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এইমাত্রঅন্যান্য আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ আদালতই নির্ধারণ করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাংশা সরকারি কলেজে '০৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬' পালিত এইমাত্রঅন্যান্য পাংশা সরকারি কলেজে '০৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬' পালিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে জাবি ছাত্র ইউনিয়নের শ্রদ্ধাঞ্জলি এইমাত্রঅন্যান্য জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে জাবি ছাত্র ইউনিয়নের শ্রদ্ধাঞ্জলি ঐক্যবদ্ধ জনগণই হচ্ছেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস নির্মাতা: জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল এইমাত্রঅন্যান্য ঐক্যবদ্ধ জনগণই হচ্ছেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস নির্মাতা: জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন এইমাত্রঅন্যান্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল ও সমাবেশ এইমাত্রঅন্যান্য জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল ও সমাবেশ হরমুজ নিয়ে আলোচনায় নতুন মোড়, ইরানকে নিয়ন্ত্রণের প্রস্তাব এইমাত্রঅন্যান্য হরমুজ নিয়ে আলোচনায় নতুন মোড়, ইরানকে নিয়ন্ত্রণের প্রস্তাব
অন্যান্য

এবার সাংবাদিক পেটালেন সেই ছাত্রদল নেতা সুমন

প্রতিবেদক:
এবার সাংবাদিক পেটালেন সেই ছাত্রদল নেতা সুমন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) সংঘর্ষের ঘটনায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের অর্থ সম্পাদক ও দৈনিক আজকালের খবরের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি কামরুজ্জামান কায়েস। জবি শাখা ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে হামলা, হুমকি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ এনে তিনি সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দিবাগত রাতে তিনি এ অভিযোগ করেন।

কায়েস বলেন, “আমার দোষ ছিল সংবাদ সংগ্রহ করা। কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মী হিসেবে নয়, একজন সাংবাদিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়েই হামলার শিকার হয়েছি।” তিনি জানান, গলায় প্রেসকার্ড থাকা সত্ত্বেও তাকে মারধর করা হয়।

তিনি অভিযোগ করেন, জবি ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সুমন সর্দার সংবাদ সংগ্রহের সময় তাকে ডেকে নিয়ে যান। পরে মাহমুদ, রবিন মিয়া শাওন, শিহাব, মুশফিকুর রাইনসহ আরও ২০–২৫ জন তাকে মারধর করেন। এতে তার মাথা, চোখ ও নাকে গুরুতর আঘাত লাগে, চশমা ভেঙে যায় এবং তার মোবাইল ফোন ও পাওয়ার ব্যাংক ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে দাবি করেন তিনি। তার ভাষ্য, ওই সময় মোবাইলের ক্যামেরা চালু থাকায় পুরো ঘটনাটি ভিডিওতে ধারণ হয়েছে। কায়েস আরও দাবি করেন, হামলার স্থান রফিক ভবন ও উপাচার্য ভবনের মধ্যবর্তী এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। পাশাপাশি তার নিজের মোবাইলে ধারণ করা প্রায় ৪০ মিনিটের ভিডিও ফুটেজেও ঘটনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ সংরক্ষিত আছে।

হামলার পর সহপাঠী ও শিক্ষকদের সহায়তায় তাকে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টার এবং পরে ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবারও হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে তাকে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

চিকিৎসকরা মাথায় আঘাতের কারণে সিটি স্ক্যান করিয়ে দ্রুত নিউরোসার্জনের পরামর্শ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান তিনি। কায়েস বলেন, “আমি সব ঘটনার বিচার চাই। সাংবাদিকদের ওপর হওয়া প্রতিটি হামলার বিচার চাই। প্রয়োজন হলে বিচার প্রক্রিয়ার অগ্রগতি দেখে আমার কাছে থাকা সব ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করব।”