মূল লেখায় যান
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬, ৩:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
এসএসসির ফল প্রকাশ: নিজেদের ফল নিয়ে যা বলেছিলেন দীঘি ও পূজা এইমাত্রঅন্যান্য এসএসসির ফল প্রকাশ: নিজেদের ফল নিয়ে যা বলেছিলেন দীঘি ও পূজা রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী এখনো চূড়ান্ত হয়নি: চিফ হুইপ এইমাত্রঅন্যান্য রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী এখনো চূড়ান্ত হয়নি: চিফ হুইপ এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেল জমজ দুই ভাই এইমাত্রঅন্যান্য এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেল জমজ দুই ভাই ‘ভালো খেলোয়াড় হতে পারেন, সাকিব নষ্ট পচে যাওয়া মানুষ’ এইমাত্রঅন্যান্য ‘ভালো খেলোয়াড় হতে পারেন, সাকিব নষ্ট পচে যাওয়া মানুষ’ ভূরুঙ্গামারী সীমান্তে বিএসএফ এর হাতে বাংলাদেশী যুবক আটক এইমাত্রঅন্যান্য ভূরুঙ্গামারী সীমান্তে বিএসএফ এর হাতে বাংলাদেশী যুবক আটক বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহযোগিতা করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী এইমাত্রঅন্যান্য বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহযোগিতা করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী গোপালপুরে এসএসসি ও সমমানে ৩০ শতাংশের নিচে পাস সাত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইমাত্রঅন্যান্য গোপালপুরে এসএসসি ও সমমানে ৩০ শতাংশের নিচে পাস সাত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইরানের হামলার ভয়ে ট্রাকে লুকিয়ে তুরস্ক ছাড়েন ট্রাম্প এইমাত্রঅন্যান্য ইরানের হামলার ভয়ে ট্রাকে লুকিয়ে তুরস্ক ছাড়েন ট্রাম্প
অন্যান্য

সরিষাবাড়ীতে তিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশ করেনি কেউ

প্রতিবেদক:
সরিষাবাড়ীতে তিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশ করেনি কেউ

এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার তিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেনি। ডোয়াইল ইউনিয়নের চাঁপারকোনা মনিজা আবুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১১ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিলেও একজন শিক্ষার্থীও পাস করেনি। এ নিয়ে টানা দুইবার ওই বিদ্যালয়ে কেউ পাস করেনি।

একইভাবে সাতপোয়া ইউনিয়নের নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চর সরিষাবাড়ী বালিকা দাখিল মাদ্রাসার ৯ জন পরীক্ষার্থীর সবাই ফেল করেছে। কামরাবাদ ইউনিয়নের বড়বাড়িয়া দাখিল মাদ্রাসায় চারজন পরীক্ষার্থীর মধ্যে চারজনই অকৃতকার্য হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে পাসের হার ৫৬.৪৮ শতাংশ, মাদ্রাসায় ৪১.৪৪ শতাংশ এবং কারিগরি শিক্ষায় ৭৪.২১ শতাংশ।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর সরিষাবাড়ী উপজেলার ৪৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে মোট ৩ হাজার ৯৯১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ২ হাজার ২৫৪ জন পাস করেছে। ১৭৩৭ জন ফেল করে। পাসের হার ৫৬.৪৮ শতাংশ। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে ২২৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। অন্যদিকে উপজেলার ২২টি মাদ্রাসা থেকে ৬০৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছে মাত্র ২৫২ জন। ৩৫৬ জন ফেল করে। এক্ষেত্রে পাসের হার ৪১.৪৪ শতাংশ।

কারিগরি শিক্ষায় তুলনামূলকভাবে ভালো ফল করেছে শিক্ষার্থীরা। উপজেলার ১৭টি কারিগরি প্রতিষ্ঠান থেকে ৫৩৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ৩৯৭ জন পাস করেছে। ফেল করে ১৩৮ জন। পাসের হার ৭৪.২১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৬ জন। উপজেলায় ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার হতাশাজনক ফলাফলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর কবীর বলেন, কম পাসের হার এবং কোনো শিক্ষার্থী পাস না করা প্রতিষ্ঠানগুলোর ফলাফল বিশ্লেষণ করা হবে। শিক্ষার মানোন্নয়নে এসব প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।