মূল লেখায় যান
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬, ৮:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শ্যামনগরে ৩ লাখ টাকার অবৈধ কারেন্ট জাল পুড়িয়ে বিনষ্ট এইমাত্রঅন্যান্য শ্যামনগরে ৩ লাখ টাকার অবৈধ কারেন্ট জাল পুড়িয়ে বিনষ্ট বানর তাড়াতে চাকরি পেলেন ‘বানর ডাকতে জানা’ মানুষ! এইমাত্রঅন্যান্য বানর তাড়াতে চাকরি পেলেন ‘বানর ডাকতে জানা’ মানুষ! বিএনপি সরকারের আমলে পৃষ্ঠপোষকতাভিত্তিক ব্যবসার সুযোগ থাকবে না: অর্থমন্ত্রী এইমাত্রঅন্যান্য বিএনপি সরকারের আমলে পৃষ্ঠপোষকতাভিত্তিক ব্যবসার সুযোগ থাকবে না: অর্থমন্ত্রী পরীক্ষার হলে ঢোকার আগেই এতিম, সেই নোভিদ পেল জিপিএ-৫ এইমাত্রঅন্যান্য পরীক্ষার হলে ঢোকার আগেই এতিম, সেই নোভিদ পেল জিপিএ-৫ ১১ দফা দাবি জানিয়ে নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর পোস্ট এইমাত্রঅন্যান্য ১১ দফা দাবি জানিয়ে নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর পোস্ট ১৫ শিক্ষকের ১০ শিক্ষার্থী, পাস করেনি কেউ এইমাত্রঅন্যান্য ১৫ শিক্ষকের ১০ শিক্ষার্থী, পাস করেনি কেউ বেকার যুবকদের সুখবর দিল বাংলাদেশ ব্যাংক এইমাত্রঅন্যান্য বেকার যুবকদের সুখবর দিল বাংলাদেশ ব্যাংক এসএসসি ফলাফলে সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে ফরিদপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ এইমাত্রঅন্যান্য এসএসসি ফলাফলে সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে ফরিদপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ
অন্যান্য

১৫ শিক্ষকের ১০ শিক্ষার্থী, পাস করেনি কেউ

প্রতিবেদক:
১৫ শিক্ষকের ১০ শিক্ষার্থী, পাস করেনি কেউ

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার শ্যামপুর এখলাছিয়া মহিলা দাখিল মাদরাসা থেকে ১০ জন শিক্ষার্থী চলতি বছর দাখিল পরীক্ষার অংশ নিয়েছিল। এ মাদরাসায় ১৫ জন শিক্ষক কর্মরত থাকলেও পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১০ জন শিক্ষার্থীর একজনও পাস করতে পারেনি। ফলে হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরা।

গতকাল সোমবার (১০ আগস্ট) চলতি বছরের এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হয়। মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে এ বছর দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

স্থানীয়রা জানান, নাঙ্গলকোট উপজেলার বাঙ্গড্ডা ইউনিয়নের শ্যামপুর এখলাছিয়া মহিলা দাখিল মাদরাসায় ১৫ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন। চলতি বছরের দাখিল পরীক্ষার ওই মাদরাসা থেকে ১০ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। তাদের মধ্যে পাস করতে পারেনি কোনো শিক্ষার্থী।

একাধিক অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একটি এমপিওভুক্ত মাদরাসায় ১৫ জন শিক্ষক মিলেও মাত্র ১০ জন শিক্ষার্থীকে পাস করাতে পারলো না। বিষয়টি খুবই দুঃখের। এর দায় সম্পূর্ণ শিক্ষকদের। শিক্ষকরা ভালোভাবে পড়াননি দেখে ফলাফল এমন হয়েছে। না হলে একজন শিক্ষার্থীও পাস করবে না এটা কোনো কথা হলো?

এ বিষয়ে জানতে মাদরাসাটির সুপার মো. আবুল খায়েরকে ফোন করা হলে তিনি এই প্রতিবেদকের সঙ্গে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করে মোবাইল সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

নাঙ্গলকোট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. ইউনুস একটি বেসরকারি গন-মাধ্যম কে বলেন, ফলাফল জানার পর মাদরাসার সুপারকে আমি কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছি। তিনি আমাকে মৌখিকভাবে জানিয়েছেন- ‘মহিলা মাদরাসার বেশিরভাগ ভালো শিক্ষার্থীরই বাল্য বিয়ে হয়ে গেছে। প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে খারাপ শিক্ষার্থী দিয়েও পরীক্ষা চালিয়ে যেতে হয়েছে।’ তার এই বক্তব্য আমরা গ্রহণ করছি না শোকজের লিখিত জবাবের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।