মূল লেখায় যান
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিঠু আর নেই এইমাত্রঅন্যান্য বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিঠু আর নেই উত্তর কোরিয়াকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ার নতুন প্রস্তাব এইমাত্রঅন্যান্য উত্তর কোরিয়াকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ার নতুন প্রস্তাব ২০ বছরেও যা হয়নি, সেই কীর্তির দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ এইমাত্রঅন্যান্য ২০ বছরেও যা হয়নি, সেই কীর্তির দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ সাহসিকতায় রাষ্ট্রপতি পদক পাচ্ছেন রাজবাড়ীর ডিবির ওসি মফিজুল এইমাত্রঅন্যান্য সাহসিকতায় রাষ্ট্রপতি পদক পাচ্ছেন রাজবাড়ীর ডিবির ওসি মফিজুল গরমে পুড়ছে দেশ, স্বস্তির পূর্বাভাস আবহাওয়া অফিসের এইমাত্রঅন্যান্য গরমে পুড়ছে দেশ, স্বস্তির পূর্বাভাস আবহাওয়া অফিসের জাপানে শক্তিশালী টাইফুন দুজুয়ান, ২০ লাখ মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ এইমাত্রঅন্যান্য জাপানে শক্তিশালী টাইফুন দুজুয়ান, ২০ লাখ মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ সোনার স্বপ্ন শেষ, ব্রোঞ্জও জিততে পারল না বাংলাদেশ এইমাত্রঅন্যান্য সোনার স্বপ্ন শেষ, ব্রোঞ্জও জিততে পারল না বাংলাদেশ কৃষকের সার পাচার হয়ে মিয়ানমারে, বিনিময়ে দেশে ঢুকছে মাদক-অস্ত্র এইমাত্রঅন্যান্য কৃষকের সার পাচার হয়ে মিয়ানমারে, বিনিময়ে দেশে ঢুকছে মাদক-অস্ত্র
অন্যান্য

বাউফলে খাস জমিতে মহিষ চরাতেও দিতে হয় চাঁদা

প্রতিবেদক:
বাউফলে খাস জমিতে মহিষ চরাতেও দিতে হয় চাঁদা

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের লালচর এলাকায় সরকারি খাস জমিতে মহিষ চরানোকে কেন্দ্র করে মহিষ পালনকারীদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে মাঈনউদ্দিন (২৭) নামে এক সাবেক ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে।

স্থানীয় মহিষ পালনকারীদের অভিযোগ, লালচরের খাস জমিতে মহিষ চরাতে হলে প্রতিটি মহিষের জন্য দিতে হচ্ছে ২০০ টাকা করে। নির্ধারিত টাকা না দিলে সেখানে মহিষ চরাতে বিভিন্নভাবে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।

মহিষ পালনকারী রেজাউল খাঁ বলেছেন, বিগত দিনে লালচরের খাস জমিতে আমরা মহিষ চরাতাম। মাঈনউদ্দিন আমাদের বলেছেন, মহিষপ্রতি ২০০ টাকা না দিলে ঘাস খাওয়াতে দেওয়া হবে না। পরে স্থানীয়রা বাধ্য হয়ে মহিষপ্রতি ২০০ টাকা করে দিয়েছেন। এভাবে ৪৭৮টি মহিষের টাকা নেওয়া হয়েছে।

আরেক মহিষ পালনকারী ইদ্রিস দালাল বলেছেন, চরাঞ্চলের খাস জমিতে ঘাস খাওয়ানোর ওপর নির্ভর করেই অনেকে দীর্ঘদিন ধরে মহিষ পালন করে আসছেন। এভাবে টাকা দিতে হলে তাদের খরচ বেড়ে যায় এবং মহিষ পালন করে লাভ করা কঠিন হয়ে পড়ে।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানিয়েছেন, লালচর এলাকায় খাস জমিতে মহিষ চরানোকে কেন্দ্র করে টাকা আদায়ের বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলছে। খাস জমিতে মহিষ চরানোর জন্য এভাবে টাকা নেওয়ার বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি দাবি জানিয়েছেন তারা।

অভিযোগের বিষয়ে মাঈনউদ্দিন বলেছেন, আমি পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ছিলাম। ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যরা এ বিষয়ে সালিশের ব্যবস্থা করছেন। মাছ ধরার চাই ভেঙে যাওয়ার ঘটনায় জরিমানা হিসেবে টাকা নেওয়া হয়েছে। আমার নিজের মহিষের জন্যও জরিমানা দিয়েছি। তারা বিষয়টি অন্যদিকে নিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় মোস্তফা ফকির ও জামাল মাঝি সালিশ করছেন। আমার কাছে টাকা রাখতে বলায় আমি টাকা রেখেছি।

এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেছেন, অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।