নাগরপুরে চাঁদাবাজি ও হয়রানি বন্ধে মানববন্ধন
টাঙ্গাইলের নাগরপুরে বৈশাখী টেলিভিশন ও আমার দেশ পত্রিকার নাগরপুর প্রতিনিধি মো. জসিউর রহমান লুকন এর বিরুদ্ধে ব্যাপক চাঁদাবাজি ও হয়রানির অভিযোগ তুলে তাকে দ্রুত অপসারন ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকালে নাগরপুর উপজেলা চত্বরে সাংবাদিক লুকনের চাঁদাবাজির শিকার ভুক্তভোগীরা এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।
এদিকে সংহতি জানিয়ে মানববন্ধনে অংশ নেয় সিএনজি চালিত অটো রিক্সা, অটো টেম্পু ও ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক সংগঠণের নেতৃবৃন্দরা। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, কাঠুরি গ্রামের ব্যবসায়ী মো. জুয়েল মিয়া ও মতিন মিয়া, রাথুরা মো. দেলোয়ার হোসেন মায়া, রসুলপুর গয়হাটা গ্রামের মো. মোনায়েম, পাকুটিয়ার ইমরান খান ও বারাপুষা গ্রামের সোহেল রানা।
এসিল্যান্ড অফিসের সাবেক ড্রাইভার মেনায়েম মানবন্ধনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে অভিযোগ করে বলেন, সাংবাদিক লুকন তাকে সংবাদ প্রকাশের ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে ১ লক্ষ টাকা নিয়েছে। তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে আমি নাগরপুর ছাড়তে বাধ্য হয়েছি।
আরেক ভুক্তভোগী জুয়েল ক্ষোপ প্রকাশ করে বলেন, সাংবাদিক লুকন ফোনে বলেন মাটির ব্যবসা করতে হলে তাকে ২০ হাজার টাকা দিতে হবে। আমি তখন ভয়ে ১০ হাজার টাকা দেই। এর পর সে বাকি ১০ হাজারের জন্য অনবরত ফোন করতে থাকে। তার চাহিদা মিটাতে গেলে আমার সংসার কি ভাবে চালাবো। আমি এই ভূয়া চাঁদাবাজ সাংবাদিকের বিচার চাই।
সিএনজি (অটো রিক্সা) চালক ইব্রাহিম বলেন, আমার দেশ ও বৈশাখী টেলিভিশনের মত জনপ্রিয় মিডিয়ায় লুকনের মত চাঁদাবাজ সাংবাদিক কি ভাবে সুয়োগ পেল এটাই আমার প্রশ্ন। তার অত্যাচারে রাস্তায় গাড়ি বের করতে পারি না। গাড়ি বের করলেই তাকে টাকা দিতে হয়।
রাথুরা বাজারের কসমেটিক ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন মায়া বলেন, আমি একজন সাধারন ব্যবসায়ী। আমাকে সাংবাদিক লুকন টেলিফোনের মাধ্যমে নাগরপুর তালতলা ডেকে এনে আমাকে বলে আপনি অবৈধ ব্যবসা করেন। আমি তাকে বলি, আমি কোন অবৈধ ব্যবসা করি না। পরে তিনি আমার বিরোদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের ভয় দেখিয়ে ১০ হাজার টাকা দাবি করলে আমি তাকে ৫ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হই বলেও তিনি অভিযোগ তুলেন। মানবন্ধনে বক্তরা, কথিত চাঁদাবাজ সংবাদিক লুকনের দ্রুত অপসারন ও দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি করেন।
