মূল লেখায় যান
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে ইরান-আমিরাতের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক এইমাত্রঅন্যান্য ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে ইরান-আমিরাতের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক কিশোরগঞ্জে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে আলোচনা সভা এইমাত্রঅন্যান্য কিশোরগঞ্জে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে আলোচনা সভা ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসব থেকে অস্কারের দৌড়ে ছয় সিনেমা এইমাত্রঅন্যান্য ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসব থেকে অস্কারের দৌড়ে ছয় সিনেমা আ.লীগকে ফেরাতে সরকারের একাংশ ষড়যন্ত্র করছে: পরওয়ার এইমাত্রঅন্যান্য আ.লীগকে ফেরাতে সরকারের একাংশ ষড়যন্ত্র করছে: পরওয়ার ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য সরকারের এইমাত্রঅন্যান্য ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য সরকারের বুড়িচংয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ১১, তিনজনের কারাদণ্ড এইমাত্রঅন্যান্য বুড়িচংয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ১১, তিনজনের কারাদণ্ড সেই ৬৩ বিদেশির সহযোগী মহসিন কোকেন মামলায় গ্রেফতার এইমাত্রঅন্যান্য সেই ৬৩ বিদেশির সহযোগী মহসিন কোকেন মামলায় গ্রেফতার ফ্রান্সে বসেই দেশে ডাকাতচক্র চালাতেন ‘ফ্রান্স নাসির’ এইমাত্রঅন্যান্য ফ্রান্সে বসেই দেশে ডাকাতচক্র চালাতেন ‘ফ্রান্স নাসির’
অন্যান্য

আবারও বন্ধ এক্সিলারেটের এলএনজি সরবরাহ, সংকটের শঙ্কা

প্রতিবেদক:
আবারও বন্ধ এক্সিলারেটের এলএনজি সরবরাহ, সংকটের শঙ্কা

মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল থেকে আবারও গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। এলএনজি কার্গো না আসায় বুধবার (১৯ আগস্ট) কক্সবাজারের মহেশখালীতে থাকা টার্মিনালটির গ্যাসের মজুত ফুরিয়ে যায়। ফলে বর্তমানে শুধু সামিটের টার্মিনাল থেকেই আমদানি করা এলএনজি সরবরাহ সচল রয়েছে। এতে সারা দেশে গ্যাস সংকট আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত ৮টা পর্যন্ত সামিটের টার্মিনাল থেকে ৫৬ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে। এ সময় দেশে মোট গ্যাস সরবরাহের পরিমাণ ছিল ২১৮ কোটি ঘনফুট। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে এসেছে ১৬২ কোটি ঘনফুট।

এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল থেকে সরবরাহ বন্ধ থাকায় নতুন এলএনজি কার্গো না আসা পর্যন্ত আমদানি করা গ্যাসের জন্য সামিটের টার্মিনালের ওপরই নির্ভর করতে হবে। ফলে শিল্প, বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ বিভিন্ন খাতে গ্যাস সরবরাহে চাপ আরও বাড়তে পারে।

এর আগে গত শুক্রবার (১৪ আগস্ট) কারিগরি সমস্যার কারণে এক্সিলারেটের টার্মিনাল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ওই সময় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ নেমে আসে প্রায় ১৬৫ কোটি ঘনফুটে। কয়েক ঘণ্টা পর সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে সামিটের টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু হলে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়।

সেদিন শুরুতে সামিট থেকে প্রায় ১১ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হলেও পরে রাতে ধাপে ধাপে সরবরাহ বাড়ানো হয়।

বারবার এলএনজি সরবরাহে বিঘ্ন এবং আমদানি কার্গোর সংকটের কারণে দেশের গ্যাস পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে সরবরাহ দ্রুত স্বাভাবিক না হলে গ্যাস সংকটের প্রভাব আরও বিস্তৃত হতে পারে।