মূল লেখায় যান
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬, ১:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
হরমুজ প্রণালি ইরানের ছিল এবং ইরানেরই থাকবে এইমাত্রঅন্যান্য হরমুজ প্রণালি ইরানের ছিল এবং ইরানেরই থাকবে মির্জা ফখরুলের জন্য সংসদ সদস্যদের কাছে ভোট চাইলেন প্রধানমন্ত্রী এইমাত্রঅন্যান্য মির্জা ফখরুলের জন্য সংসদ সদস্যদের কাছে ভোট চাইলেন প্রধানমন্ত্রী আবারও বন্ধ এক্সিলারেটের এলএনজি সরবরাহ, সংকটের শঙ্কা এইমাত্রঅন্যান্য আবারও বন্ধ এক্সিলারেটের এলএনজি সরবরাহ, সংকটের শঙ্কা যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়াকে ‘ইরানের নতুন ভূখণ্ড’ ঘোষণা এইমাত্রঅন্যান্য যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়াকে ‘ইরানের নতুন ভূখণ্ড’ ঘোষণা সরকারি প্রকল্পের লোগো ব্যবহার করে প্রতারণার অভিযোগ, প্রশিক্ষণ শেষেও নেই সনদ এইমাত্রঅন্যান্য সরকারি প্রকল্পের লোগো ব্যবহার করে প্রতারণার অভিযোগ, প্রশিক্ষণ শেষেও নেই সনদ ভাঙ্গা গোলচত্বরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ২ জনের মৃত্যু এইমাত্রঅন্যান্য ভাঙ্গা গোলচত্বরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ২ জনের মৃত্যু সহপাঠীর মায়ের চিকিৎসায় শিক্ষার্থীদের ভালোবাসা, পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী এইমাত্রঅন্যান্য সহপাঠীর মায়ের চিকিৎসায় শিক্ষার্থীদের ভালোবাসা, পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী যশোরে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে টাকা লোপাট, চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ২ এইমাত্রঅন্যান্য যশোরে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে টাকা লোপাট, চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ২
অন্যান্য

আবারও বন্ধ এক্সিলারেটের এলএনজি সরবরাহ, সংকটের শঙ্কা

প্রতিবেদক:
আবারও বন্ধ এক্সিলারেটের এলএনজি সরবরাহ, সংকটের শঙ্কা

মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল থেকে আবারও গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। এলএনজি কার্গো না আসায় বুধবার (১৯ আগস্ট) কক্সবাজারের মহেশখালীতে থাকা টার্মিনালটির গ্যাসের মজুত ফুরিয়ে যায়। ফলে বর্তমানে শুধু সামিটের টার্মিনাল থেকেই আমদানি করা এলএনজি সরবরাহ সচল রয়েছে। এতে সারা দেশে গ্যাস সংকট আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত ৮টা পর্যন্ত সামিটের টার্মিনাল থেকে ৫৬ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে। এ সময় দেশে মোট গ্যাস সরবরাহের পরিমাণ ছিল ২১৮ কোটি ঘনফুট। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে এসেছে ১৬২ কোটি ঘনফুট।

এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল থেকে সরবরাহ বন্ধ থাকায় নতুন এলএনজি কার্গো না আসা পর্যন্ত আমদানি করা গ্যাসের জন্য সামিটের টার্মিনালের ওপরই নির্ভর করতে হবে। ফলে শিল্প, বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ বিভিন্ন খাতে গ্যাস সরবরাহে চাপ আরও বাড়তে পারে।

এর আগে গত শুক্রবার (১৪ আগস্ট) কারিগরি সমস্যার কারণে এক্সিলারেটের টার্মিনাল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ওই সময় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ নেমে আসে প্রায় ১৬৫ কোটি ঘনফুটে। কয়েক ঘণ্টা পর সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে সামিটের টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু হলে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়।

সেদিন শুরুতে সামিট থেকে প্রায় ১১ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হলেও পরে রাতে ধাপে ধাপে সরবরাহ বাড়ানো হয়।

বারবার এলএনজি সরবরাহে বিঘ্ন এবং আমদানি কার্গোর সংকটের কারণে দেশের গ্যাস পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে সরবরাহ দ্রুত স্বাভাবিক না হলে গ্যাস সংকটের প্রভাব আরও বিস্তৃত হতে পারে।