মূল লেখায় যান
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
এমপি ওয়াদুদ ভূইয়ার নেতৃত্বে খাগড়াছড়িতে নিরাপত্তা সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত এইমাত্রঅন্যান্য এমপি ওয়াদুদ ভূইয়ার নেতৃত্বে খাগড়াছড়িতে নিরাপত্তা সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত বুড়িচংয়ে পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ আটক ৫ এইমাত্রঅন্যান্য বুড়িচংয়ে পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ আটক ৫ সাঈদীর মামলার বাদী মানিক পশারীর মৃত্যু, দাফনে জামায়াত নেতাদের বাধা এইমাত্রঅন্যান্য সাঈদীর মামলার বাদী মানিক পশারীর মৃত্যু, দাফনে জামায়াত নেতাদের বাধা মাদ্রাসা শিক্ষককে চড় মারা এবার সেই রুমিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান এইমাত্রঅন্যান্য মাদ্রাসা শিক্ষককে চড় মারা এবার সেই রুমিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান ১৮তম বার দ্রুততম মানবী যবিপ্রবির শিরিন আক্তার এইমাত্রঅন্যান্য ১৮তম বার দ্রুততম মানবী যবিপ্রবির শিরিন আক্তার অল্পবয়সী মেয়েদের প্রেমিকের সঙ্গে থাকার জন্য রুম ভাড়া দিলেই আইনি ব্যবস্থা এইমাত্রঅন্যান্য অল্পবয়সী মেয়েদের প্রেমিকের সঙ্গে থাকার জন্য রুম ভাড়া দিলেই আইনি ব্যবস্থা ‘মৃত্যুর পর কী অপেক্ষা করছে মানুষের জন্য? এইমাত্রঅন্যান্য ‘মৃত্যুর পর কী অপেক্ষা করছে মানুষের জন্য? অনুমোদনহীন দুই করাতকলকে জরিমানা, জব্দ কাঠ ও যন্ত্রাংশ এইমাত্রঅন্যান্য অনুমোদনহীন দুই করাতকলকে জরিমানা, জব্দ কাঠ ও যন্ত্রাংশ
অন্যান্য

বিমানবন্দরের নিরাপত্তা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার: বিমানমন্ত্রী

প্রতিবেদক:
বিমানবন্দরের নিরাপত্তা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার: বিমানমন্ত্রী

বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেছেন, একটি আধুনিক ও নিরাপদ এভিয়েশন হাব প্রতিষ্ঠার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হলো অগ্নিনিরাপত্তা এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার সক্ষমতা।

সোমবার (৫ অক্টোবর) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অনুষ্ঠিত ‘এয়ারপোর্ট ফায়ার ইমার্জেন্সি এক্সারসাইজ ২০২৬’ শীর্ষক মহড়া পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে গত বছরের অক্টোবরে বিমানবন্দরের আমদানি কার্গো কমপ্লেক্সে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল। এতে বিপুল ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি দেশের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন হয়েছে। তাই বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশের বিমান খাতে নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের ‘ন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন সিকিউরিটি কমিটি’ গঠন করা হয়েছে। শিগগিরই আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা (আইকাও) অডিট করবে। এ অডিটে আইকাওয়ের পর্যবেক্ষণের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি জড়িত। তাই সম্ভাব্য পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশের বিষয়গুলোতে প্রয়োজনীয় কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বিমানমন্ত্রী বলেন, ভিআইপি ও সিআইপিসহ সবার জন্য বিমানবন্দরে নিরাপত্তা প্রটোকল সমান রাখা হয়েছে। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সবাইকে সমানভাবে নির্ধারিত প্রটোকল অনুসরণ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, অগ্নিকাণ্ডের সময় বিমানবন্দর এলাকায় অনুমোদনহীন ড্রোন ওড়ানোর ঘটনাও দেখা গেছে। বিমানবন্দর রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কেপিআইভুক্ত এলাকা হওয়ায় সেখানে অনুমোদনহীন ড্রোনের উড্ডয়ন বন্ধে অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নিরাপত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্ক্যানারসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত রাখতে হবে।

অগ্নিদুর্ঘটনা মোকাবিলায় দ্রুত প্রতিক্রিয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিমানবন্দরে কোনো দুর্ঘটনা বা অগ্নিকাণ্ডের ক্ষেত্রে প্রথম কয়েক মিনিট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই অগ্নিদুর্ঘটনা মোকাবিলায় রেসপন্স টাইম আরও কমিয়ে আনতে হবে। ফায়ার সার্ভিস, এয়ারপোর্ট অপারেশনস, নিরাপত্তা, মেডিকেল টিমসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার মধ্যে তাৎক্ষণিক যোগাযোগ ও সমন্বয় নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট নিশ্চিত করতে প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করা হবে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

যাত্রীসেবার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, বিমানবন্দরের প্রতিটি কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন যাত্রীরা। তাদের নিরাপদ, নির্বিঘ্ন ও স্বাচ্ছন্দ্যময় ভ্রমণ নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব। যাত্রীরা যাতে বিমানবন্দরে এসে আন্তর্জাতিক মানের সেবা পান এবং নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন, সেটিই সরকারের লক্ষ্য।