মূল লেখায় যান
শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শরীর নিয়ে কটাক্ষ, অবশেষে মুখ খুললেন ক্যাটরিনা এইমাত্রঅন্যান্য শরীর নিয়ে কটাক্ষ, অবশেষে মুখ খুললেন ক্যাটরিনা দাবানলের বিষাক্ত ধোঁয়ায় বায়ুদূষণ, বন্ধ অনেক স্কুল এইমাত্রঅন্যান্য দাবানলের বিষাক্ত ধোঁয়ায় বায়ুদূষণ, বন্ধ অনেক স্কুল দুর্গাপূজার প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে, বাড়ছে প্রতিমাশিল্পীদের ব্যস্ততা এইমাত্রঅন্যান্য দুর্গাপূজার প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে, বাড়ছে প্রতিমাশিল্পীদের ব্যস্ততা দুই কিডনি বিকল বিএনপি নেতা লতিফের, দুর্দিনে দলীয় সহযোগিতা না পাওয়ার আক্ষেপ এইমাত্রঅন্যান্য দুই কিডনি বিকল বিএনপি নেতা লতিফের, দুর্দিনে দলীয় সহযোগিতা না পাওয়ার আক্ষেপ ভাঙ্গায় ১৮০০ পিস ইয়াবাসহ বাসের যাত্রী আটক এইমাত্রঅন্যান্য ভাঙ্গায় ১৮০০ পিস ইয়াবাসহ বাসের যাত্রী আটক পাংশায় পরিত্যক্ত অবস্থায় ৪২টি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করেছে এসআরবি এইমাত্রঅন্যান্য পাংশায় পরিত্যক্ত অবস্থায় ৪২টি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করেছে এসআরবি চুয়াডাঙ্গায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত, শিক্ষার মানোন্নয়নে বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি এইমাত্রঅন্যান্য চুয়াডাঙ্গায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত, শিক্ষার মানোন্নয়নে বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি ভারতে পালানোর চেষ্টা, দর্শনা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে হত্যা মামলার আসামি আটক এইমাত্রঅন্যান্য ভারতে পালানোর চেষ্টা, দর্শনা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে হত্যা মামলার আসামি আটক
অন্যান্য

পাংশায় পরিত্যক্ত অবস্থায় ৪২টি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করেছে এসআরবি

প্রতিবেদক:
পাংশায় পরিত্যক্ত অবস্থায় ৪২টি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করেছে এসআরবি

রাজবাড়ীর পাংশায় পরিত্যক্ত অবস্থায় ৪২টি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১০ এর ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) ভোর পৌনে ৬ টার দিকে পাংশা উপজেলার বিষ্ণুপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে একটি আমবাগান থেকে ককটেলগুলো উদ্ধার করা হয়।

এসআরবি-১০ সূত্রে জানা যায়, অবৈধ মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য মালামাল ক্রয়-বিক্রয়ের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষ্ণুপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এ সময় আমবাগান থেকে মালিকবিহীন ও পরিত্যক্ত অবস্থায় ৪২টি ককটেল উদ্ধার করা হয়। ককটেলগুলো সম্পূর্ণ অবিস্ফোরিত অবস্থায় ছিল।

স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১০-এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) তপন সরকার বলেন, উদ্ধার করা ককটেলগুলো ব্যবহার করে বড় ধরনের কোনো নাশকতার পরিকল্পনা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে এসআরবির গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে এসআরবি-১০ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে এসআরবি সর্বদা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।