মূল লেখায় যান
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বদলি বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে, অনড় জামালপুর নার্সিং শিক্ষার্থীরা এইমাত্রঅন্যান্য বদলি বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে, অনড় জামালপুর নার্সিং শিক্ষার্থীরা বরগুনায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি ডিআইজির এইমাত্রঅন্যান্য বরগুনায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি ডিআইজির সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ও পরিবারের ৮৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ এইমাত্রঅন্যান্য সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ও পরিবারের ৮৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ ধর্ষণ প্রতিরোধে বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার কঠিন পরীক্ষা এইমাত্রঅন্যান্য ধর্ষণ প্রতিরোধে বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার কঠিন পরীক্ষা হরমুজে ডুবল পণ্যবাহী জাহাজ, সাগরে ভাসছে আইফোন ও দামি সুগন্ধি এইমাত্রঅন্যান্য হরমুজে ডুবল পণ্যবাহী জাহাজ, সাগরে ভাসছে আইফোন ও দামি সুগন্ধি ফরিদপুরে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের দায়ে যুবকের মৃত্যুদণ্ড এইমাত্রঅন্যান্য ফরিদপুরে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের দায়ে যুবকের মৃত্যুদণ্ড সখীপুরে ১৩ বছরের কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২ এইমাত্রঅন্যান্য সখীপুরে ১৩ বছরের কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২ শারদীয় দুর্গাপূজা: নড়াইলে ৫৪৩টি মণ্ডপে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্ততি এইমাত্রঅন্যান্য শারদীয় দুর্গাপূজা: নড়াইলে ৫৪৩টি মণ্ডপে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্ততি
অন্যান্য

ইটনায় বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকেও হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর: তিন শিক্ষকের কাছে ব্যাখ্যা তলব

প্রতিবেদক:
ইটনায় বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকেও হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর: তিন শিক্ষকের কাছে ব্যাখ্যা তলব

কিশোরগঞ্জের ইটনায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হাজিরা খাতায় প্রধান শিক্ষকসহ ছয়জন শিক্ষকের স্বাক্ষর থাকলেও সরেজমিনে মাত্র তিনজনকে উপস্থিত পেয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাখন চন্দ্র সূত্রধর। অনুপস্থিত তিন শিক্ষকের মধ্যে প্রধান শিক্ষকও রয়েছেন। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের কাছে সাত দিনের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।

রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ইটনা উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের সহিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে এ চিত্র দেখতে পান ইউএনও।

পরিদর্শন বইতে উল্লেখ করা পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, বিদ্যালয়ের হাজিরা রেজিস্ট্রারে প্রধান শিক্ষকসহ ছয়জন শিক্ষকের স্বাক্ষর ছিল। তবে সরেজমিনে গিয়ে তাদের মধ্যে মাত্র তিনজনকে বিদ্যালয়ে উপস্থিত পাওয়া যায়। অনুপস্থিত শিক্ষকদের ছুটির আবেদন কিংবা কর্তৃপক্ষের কোনো অনুমতি ছিল না।

অনুপস্থিত শিক্ষকরা হলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ফজলুল হক এবং সহকারী শিক্ষক আনোয়ারা পারভীন ও সজল। হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর থাকার পরও তাদের অনুপস্থিতির কারণ এবং বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে আগে থেকে না জানানোর ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মো. ফজলুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বর্তমানে তিনি কিশোরগঞ্জে অবস্থান করছেন। সকালে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে পরে চলে এসেছেন বলে দাবি করেন তিনি। তবে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর থাকার পরও পরিদর্শনের সময় তাকে বিদ্যালয়ে না পাওয়ার বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দেননি।

অন্য দুই সহকারী শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এছাড়া সুপ্রভাত নামে আরেক সহকারী শিক্ষক পারিবারিক মামলার আসামি হিসেবে অনুপস্থিত রয়েছেন। তবে হাজিরা খাতায় সুপ্রভাতের নামে অনুপস্থিতই দেখানো হয়েছে।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কালাম মো. এহছানুল হক বলেন, শিক্ষকদের অনুপস্থিত থেকেও হাজিরা খাতায় উপস্থিতি দেখানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাখন চন্দ্র সূত্রধর বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং মানসম্মত পাঠদান বজায় রাখতেই ওই বিদ্যালয় পরিদর্শন করা হয়। পরিদর্শনকালে তিনজন অনুপস্থিত থাকলেও হাজিরা খাতায় তাদের স্বাক্ষর ছিল। ফোন করে আসতে বললেও তারা আসতে পারেননি। ধারণা করা হচ্ছে, তারা আগে থেকেই স্বাক্ষর দিয়ে রেখেছেন। পরিদর্শনে পাওয়া অনিয়মের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের সাত দিনের মধ্যে লিখিতভাবে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের উপস্থিতি ও পাঠদান কার্যক্রমের তদারকি নিশ্চিত করতে এ ধরনের পরিদর্শন অব্যাহত থাকবে।