মূল লেখায় যান
সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ৮:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সীমান্তের ওপারের ইশারায় দেশ অস্থিতিশীলের চেষ্টা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এইমাত্রঅন্যান্য সীমান্তের ওপারের ইশারায় দেশ অস্থিতিশীলের চেষ্টা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গার্মেন্টস মালিকদের সঙ্গে বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এইমাত্রঅন্যান্য গার্মেন্টস মালিকদের সঙ্গে বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাসপাতাল থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মা-বাবা-বোনসহ পরিবারের ৮ জন গ্রেপ্তার এইমাত্রঅন্যান্য হাসপাতাল থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মা-বাবা-বোনসহ পরিবারের ৮ জন গ্রেপ্তার ফোনে পারমাণবিক হামলার ‘ভুয়া বার্তা’, আতঙ্কিত লাখ লাখ মানুষ এইমাত্রঅন্যান্য ফোনে পারমাণবিক হামলার ‘ভুয়া বার্তা’, আতঙ্কিত লাখ লাখ মানুষ শ্যামনগরে বাসের ধাক্কায় ইজিবাইক চালক নিহত এইমাত্রঅন্যান্য শ্যামনগরে বাসের ধাক্কায় ইজিবাইক চালক নিহত ২ দিন না যেতেই স্বর্ণের দামে ফের বড় লাফ এইমাত্রঅন্যান্য ২ দিন না যেতেই স্বর্ণের দামে ফের বড় লাফ শ্রমিক অসন্তোষে সকালেই তিন পোশাক কারখানায় হামলা, আতঙ্ক শিল্পাঞ্চলে এইমাত্রঅন্যান্য শ্রমিক অসন্তোষে সকালেই তিন পোশাক কারখানায় হামলা, আতঙ্ক শিল্পাঞ্চলে আজ আত্মপ্রকাশ করছে এনসিপির ক্রীড়া উইং, নেতৃত্বে ফাহিম ও নাজমুল এইমাত্রঅন্যান্য আজ আত্মপ্রকাশ করছে এনসিপির ক্রীড়া উইং, নেতৃত্বে ফাহিম ও নাজমুল
অন্যান্য

শ্রমিক আন্দোলনে ৫২৯টি কারখানা বন্ধ, কর্মস্থল ছেড়েছেন ৭ লাখের বেশি শ্রমিক

প্রতিবেদক:
শ্রমিক আন্দোলনে ৫২৯টি কারখানা বন্ধ, কর্মস্থল ছেড়েছেন ৭ লাখের বেশি শ্রমিক

ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ বিভিন্ন দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়েছে ঢাকা, গাজীপুর ও আশুলিয়ার শিল্পাঞ্চলে। শ্রম অসন্তোষের কারণে পাঁচটি শিল্পাঞ্চলে ৩১৮টি কারখানা বন্ধ রয়েছে। একই সঙ্গে কাজ না করে কর্মস্থল ছেড়ে বেরিয়ে গেছেন সাত লাখের বেশি শ্রমিক।

রবিবার (১ নভেম্বর) বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজিএমইএর তথ্য অনুযায়ী, পাঁচটি শিল্পাঞ্চলে মোট কারখানা রয়েছে ২ হাজার ১৩৪টি। এর মধ্যে ১ হাজার ৮১৬টি কারখানা চালু রয়েছে। শ্রম অসন্তোষের কারণে বন্ধ রয়েছে ৩১৮টি কারখানা।

এলাকাভিত্তিক হিসাবে, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) এলাকায় মোট ৩২০টি কারখানার মধ্যে মিরপুরে বন্ধ রয়েছে ৬৮টি। এসব কারখানা থেকে কাজ না করে বেরিয়ে গেছেন ৫১ হাজার ৬২৫ জন শ্রমিক।

গাজীপুর ও ময়মনসিংহ এলাকায় মোট ৮৩৬টি কারখানার মধ্যে বন্ধ রয়েছে ২২৫টি। এ দুই এলাকায় কর্মস্থল ছেড়েছেন ৫ লাখ ২৫ হাজার ৩৬০ জন শ্রমিক।

অন্যদিকে সাভার-আশুলিয়া ও জিরানী এলাকার ৪৪১টি কারখানার মধ্যে বন্ধ রয়েছে ২৫টি। এসব এলাকায় কাজ না করে বেরিয়ে গেছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ২৭০ জন শ্রমিক।

এর আগে রোববার সকাল থেকে ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে ঢাকা, গাজীপুর ও আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ শুরু করেন পোশাকশ্রমিকেরা। এ সময় বিভিন্ন প্রধান সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করেন তাঁরা।

আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলের আন্দোলনরত শ্রমিকদের অভিযোগ, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় বর্তমান বেতনে পরিবার নিয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি কারখানায় নিয়োগের ক্ষেত্রে নারী শ্রমিকদের অগ্রাধিকার দেওয়ায় পুরুষ শ্রমিকেরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন বলেও দাবি তাঁদের। এসব কারণে ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন বলে জানান শ্রমিকেরা।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি মাঠে রয়েছে যৌথ বাহিনী। গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন জানান, শ্রমিক আন্দোলনের কারণে জেলা ও মহানগরের প্রায় ১০০টি কারখানায় রোববারের জন্য সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা পুলিশ, মহানগর পুলিশ, শিল্প পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সমন্বয়ে গঠিত যৌথ দল কাজ করছে।