মূল লেখায় যান
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
প্রথম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে রেস্টুরেন্টে আগুন এইমাত্রঅন্যান্য প্রথম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে রেস্টুরেন্টে আগুন খাগড়াছড়িতে গুলাগুলিতে ২ ইউপিডিএফ সদস্য নিহত, একে-৪৭ সহ আটক ১ এইমাত্রঅন্যান্য খাগড়াছড়িতে গুলাগুলিতে ২ ইউপিডিএফ সদস্য নিহত, একে-৪৭ সহ আটক ১ ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু এইমাত্রঅন্যান্য ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু মাজারের অর্থ ব্যবস্থাপনা নিয়ে ডিসি সারওয়ারের ফোনালাপ ভাইরাল এইমাত্রঅন্যান্য মাজারের অর্থ ব্যবস্থাপনা নিয়ে ডিসি সারওয়ারের ফোনালাপ ভাইরাল ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে নড়াইলে মানববন্ধন এইমাত্রঅন্যান্য ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে নড়াইলে মানববন্ধন রাজবাড়ীতে পানির মটর খুলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কিশোরের মৃত্যু এইমাত্রঅন্যান্য রাজবাড়ীতে পানির মটর খুলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কিশোরের মৃত্যু প্রবাসীদের জন্য বড় সুখবর দিলো সৌদি আরব এইমাত্রঅন্যান্য প্রবাসীদের জন্য বড় সুখবর দিলো সৌদি আরব নেইমারের প্রত্যাবর্তনে ব্রাজিলে স্বস্তি, সামনে ঐতিহাসিক রেকর্ড এইমাত্রঅন্যান্য নেইমারের প্রত্যাবর্তনে ব্রাজিলে স্বস্তি, সামনে ঐতিহাসিক রেকর্ড
অন্যান্য

মাজারের অর্থ ব্যবস্থাপনা নিয়ে ডিসি সারওয়ারের ফোনালাপ ভাইরাল

প্রতিবেদক:
মাজারের অর্থ ব্যবস্থাপনা নিয়ে ডিসি সারওয়ারের ফোনালাপ ভাইরাল

সিলেটের সদ্য বিদায়ী জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. সারওয়ার আলমের একটি ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাতে এটি ছড়িয়ে পড়ে। এতে এক গণমাধ্যমকর্মীর সঙ্গে ডিসি মো. সারওয়ার আলমের কথা বলতে শোনা যায়।

ভাইরাল হওয়া ওই কল রেকর্ডটিতে শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্স থেকে পাওয়া অর্থের সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে তিনি বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন।

ভাইরাল অডিওতে গণমাধ্যমকর্মী অর্থের ব্যাপারে জানতে চাইলে ডিসি সারওয়ার আলম বলেন, এখানে ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৫৯ টাকা ও ১ টি অলংকার পাওয়া গেছে। আর প্রশাসনের ফান্ড থেকে ৫ লাখ টাকা দিয়েছি। এটা জেলা প্রশাসক ও ওয়াক্ফ ইন্সপেক্টরের যৌথ অ্যাকাউন্টে রাখা হয়েছে। আমরা চেয়েছিলাম এখানে মাজার কমিটির একজনকে রাখার জন্য। কিন্তু সে সুযোগ হয়নি। ৩ জনের যৌথ অ্যাকাউন্ট চেয়েছিলাম। শেষ পর্যন্ত জেলা প্রশাসক ও ওয়াক্ফ ইন্সপেক্টরের যৌথ অ্যাকাউন্টে সোনালি ব্যাংকে রাখা হয়েছে। খরচ কী হবে, কী হবে না সেটা পরবর্তী প্রশাসক, নেতৃবৃন্দ, মন্ত্রীরা আছেন, তারা যেমন চান পলিসি ঠিক করবেন।

প্রসঙ্গত, সোমবার হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের চারটি দানবাক্স এবং জেলা প্রশাসনের স্থাপন করা আরও চারটি দানবাক্সসহ মোট আটটি দানবাক্স ডাবল লক অবস্থায় খোলা হয়। এতে নগদ ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা, ৭ আনা স্বর্ণালঙ্কার এবং দুইটি সৌদি রিয়াল পাওয়া যায়। পরবর্তীতে অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর নামে সোনালি ব্যাংকের কর্পোরেট শাখায় জমা দেওয়া হয়। বিদায়ের আগে তিনি মাজার ফান্ডে আরও ৫ লাখ টাকার একটি চেক প্রদান করেন।