মূল লেখায় যান
মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬, ১২:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
অবৈধ স্মার্টফোন ঠেকাতে ফিরছে এনইআইআর; সহজ হচ্ছে নিবন্ধন এইমাত্রঅন্যান্য অবৈধ স্মার্টফোন ঠেকাতে ফিরছে এনইআইআর; সহজ হচ্ছে নিবন্ধন আমাদের খুনের পরিকল্পনায় বোমা বিস্ফোরণ হয়েছে: নাহিদ ইসলাম এইমাত্রঅন্যান্য আমাদের খুনের পরিকল্পনায় বোমা বিস্ফোরণ হয়েছে: নাহিদ ইসলাম অনুমোদনহীন পণ্য বিক্রি, আগোরাকে এক লাখ টাকা জরিমানা এইমাত্রঅন্যান্য অনুমোদনহীন পণ্য বিক্রি, আগোরাকে এক লাখ টাকা জরিমানা মাইকে ঘোষণা দিয়ে ৩ গ্রামের ভয়াবহ সংঘর্ষ, আহত ৪০ এইমাত্রঅন্যান্য মাইকে ঘোষণা দিয়ে ৩ গ্রামের ভয়াবহ সংঘর্ষ, আহত ৪০ ন্যাটো সম্মেলনের আগে ইউক্রেনে রাশিয়ার ভয়াবহ হামলা, নিহত ২০ এইমাত্রঅন্যান্য ন্যাটো সম্মেলনের আগে ইউক্রেনে রাশিয়ার ভয়াবহ হামলা, নিহত ২০ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠাগারে ৩ বই রাখার নির্দেশনা বাতিল এইমাত্রঅন্যান্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠাগারে ৩ বই রাখার নির্দেশনা বাতিল ‘আমরা তোমার বাবাকে মারতে চাইনি’ ফোনকলের পর মিলল বাবার নিথর দেহ এইমাত্রঅন্যান্য ‘আমরা তোমার বাবাকে মারতে চাইনি’ ফোনকলের পর মিলল বাবার নিথর দেহ মিরপুরে ১৪ তলা ভবনে অগ্নিকাণ্ড, নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট এইমাত্রঅন্যান্য মিরপুরে ১৪ তলা ভবনে অগ্নিকাণ্ড, নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট
অন্যান্য

শার্শার দক্ষিন বুরুজবাগানে চলছেই মাদকের রমরমা কারবার

প্রতিবেদক:
শার্শার দক্ষিন বুরুজবাগানে চলছেই মাদকের রমরমা কারবার

একের পর এক মামলা, মাদক ব্যবসা, পুলিশের ওপর হামলার মতো গুরুতর অভিযোগ। তবুও নির্বিঘ্নে চলছে প্রকাশ্য অপরাধযজ্ঞ। কোনো এক অদৃশ্য শক্তির জোরে ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে মাদকের আড়ৎদাররা। এমনই এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে শার্শার দক্ষিন বুরুজ বাগান গ্রামের কয়েকটি পরিবারের বিরুদ্ধে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত সুকৌশলে এলাকায় ইয়াবা ও ফেনসিডিলের বিশাল সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করছে এই মাদকের আড়ৎদাররা।

অনুসন্ধানে জানা যায়, এসব মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অন্তত অর্ধশতাধিক মাদকের মামলা রয়েছে। আবার অনেকে রয়েছে ধরাছোয়ার বাইরে। রয়েছে সুনির্দিষ্ট মাদক মামলা। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে পুলিশের উপর হামলার অভিযোগও রয়েছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, এতগুলো মামলা মাথায় নিয়েও তারা এলাকায় বুক ফুলিয়ে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করছে।

স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, এ গ্রামের মাদক ব্যবসায়িরা অত্যন্ত চতুর প্রকৃতির অপরাধী। পুলিশ গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালাতে গেলে দ্রুত হাত বা পকেট থেকে মাদকদ্রব্য ফেলে দিয়ে প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করে। এমনকি পূর্বে পুলিশের ওপর হামলা চালানোর মতো ধৃষ্টতাও দেখিয়েছে এই মাদক ব্যবসায়িরা।

অনুসন্ধানে আরও তথ্য বেরিয়ে এসেছে। এখানকার অন্তত ১০টি পরিবার মাদকসহ নানাবিধ অপরাধে জড়িয়ে রয়েছে। এ সকল পরিবারের একাধিক সদস্যের নামে হত্যা মাদকসহ অন্তত অর্ধশতাধিক মামলা রয়েছে। ৩ যুগ ধরে এ জনপদে চলছে মাদকের কারবার। হেরোইন, ফেনসিডিল, ইয়াবা, গাজা, আফিম সহ নানাবিধ মাদক এখানে হাত বাড়ালেই পাওয়া যায়। আইন শৃঙ্খলা প্রয়োগকারী বাহিনী অভিযান চালিয়ে এদের মাদকসহ আটক করলেও জামিনে বেরিয়ে এসে আবারো দেরার্ছে কারবার চালিয়ে যাচ্ছে। পুরো দক্ষিন বুরুজবাগান গ্রাম যেন এক মাদকের স্বর্গরাজ্য গড়ে তুলেছে। প্রায়ই এখান থেকে মাদকসহ বহনকারী আটক হলেও আড়ৎদাররা থেকে যায় পর্দার আড়ালে। যদিও তাদের নামে রয়েছে ডজন ডজন মামলা।

এলাকার সচেতন মহলের মনে এখন একটাই প্রশ্ন যেখানে সাধারণ অপরাধীরা দ্রুত আইনের আওতায় আসে, সেখানে এতগুলো গুরুতর মামলার আসামি হয়েও তারা কীভাবে নির্বিঘ্নে রমরমা মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে? স্থানীয় পর্যায়ে গুঞ্জন রয়েছে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কিছু অসাধু সদস্যের সাথে এদের বিশেষ সখ্যতা ও নিয়মিত অবৈধ লেনদেনের কারণেই তারা বারবার পার পেয়ে যাচ্ছে।

এই মাদক সিন্ডিকেটের কারণে এলাকার যুবসমাজ ধ্বংসের মুখে। এলাকাবাসীর দাবি, অনতিবিলম্বে এই প্রভাবশালী ও কৌশলী মাদক চক্রের বিরুদ্ধে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং দক্ষিন বুরুজ বাগান গ্রামকে মাদকের অভিশাপ থেকে মুক্ত করা হোক।