মূল লেখায় যান
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ২:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পদত্যাগ করলেন জয়পুরহাট এনসিপির আহ্বায়ক গোলাম কিবরিয়া ও যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল এইমাত্রঅন্যান্য পদত্যাগ করলেন জয়পুরহাট এনসিপির আহ্বায়ক গোলাম কিবরিয়া ও যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল ২০ জুলাই নয়, এসএসসি ফল কবে? যা জানালেন ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান এইমাত্রঅন্যান্য ২০ জুলাই নয়, এসএসসি ফল কবে? যা জানালেন ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান চীনে বড় ভূমিধস : ৮ জন নিহত, ৩৪ জন নিখোঁজ এইমাত্রঅন্যান্য চীনে বড় ভূমিধস : ৮ জন নিহত, ৩৪ জন নিখোঁজ সৌদি আরবে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এইমাত্রঅন্যান্য সৌদি আরবে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত, হরমুজে তেলের ট্যাংকারে আগুন এইমাত্রঅন্যান্য যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত, হরমুজে তেলের ট্যাংকারে আগুন চিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগের কয়েক সপ্তাহ পর স্ত্রী-নবজাতক হারালেন জবি ছাত্রদল নেতা নিক্সন এইমাত্রঅন্যান্য চিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগের কয়েক সপ্তাহ পর স্ত্রী-নবজাতক হারালেন জবি ছাত্রদল নেতা নিক্সন ইংল্যান্ডের ‘অস্বাভাবিক ভুল’ ও লাল কার্ড বিতর্কে মুখ খুললেন ট্রাম্প এইমাত্রঅন্যান্য ইংল্যান্ডের ‘অস্বাভাবিক ভুল’ ও লাল কার্ড বিতর্কে মুখ খুললেন ট্রাম্প বিশ্বকাপের প্রাইজমানিতে জোয়ার, অর্থ পাবে বাংলাদেশও এইমাত্রঅন্যান্য বিশ্বকাপের প্রাইজমানিতে জোয়ার, অর্থ পাবে বাংলাদেশও
অন্যান্য

শার্শার দক্ষিন বুরুজবাগানে চলছেই মাদকের রমরমা কারবার

প্রতিবেদক:
শার্শার দক্ষিন বুরুজবাগানে চলছেই মাদকের রমরমা কারবার

একের পর এক মামলা, মাদক ব্যবসা, পুলিশের ওপর হামলার মতো গুরুতর অভিযোগ। তবুও নির্বিঘ্নে চলছে প্রকাশ্য অপরাধযজ্ঞ। কোনো এক অদৃশ্য শক্তির জোরে ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে মাদকের আড়ৎদাররা। এমনই এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে শার্শার দক্ষিন বুরুজ বাগান গ্রামের কয়েকটি পরিবারের বিরুদ্ধে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত সুকৌশলে এলাকায় ইয়াবা ও ফেনসিডিলের বিশাল সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করছে এই মাদকের আড়ৎদাররা।

অনুসন্ধানে জানা যায়, এসব মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অন্তত অর্ধশতাধিক মাদকের মামলা রয়েছে। আবার অনেকে রয়েছে ধরাছোয়ার বাইরে। রয়েছে সুনির্দিষ্ট মাদক মামলা। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে পুলিশের উপর হামলার অভিযোগও রয়েছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, এতগুলো মামলা মাথায় নিয়েও তারা এলাকায় বুক ফুলিয়ে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করছে।

স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, এ গ্রামের মাদক ব্যবসায়িরা অত্যন্ত চতুর প্রকৃতির অপরাধী। পুলিশ গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালাতে গেলে দ্রুত হাত বা পকেট থেকে মাদকদ্রব্য ফেলে দিয়ে প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করে। এমনকি পূর্বে পুলিশের ওপর হামলা চালানোর মতো ধৃষ্টতাও দেখিয়েছে এই মাদক ব্যবসায়িরা।

অনুসন্ধানে আরও তথ্য বেরিয়ে এসেছে। এখানকার অন্তত ১০টি পরিবার মাদকসহ নানাবিধ অপরাধে জড়িয়ে রয়েছে। এ সকল পরিবারের একাধিক সদস্যের নামে হত্যা মাদকসহ অন্তত অর্ধশতাধিক মামলা রয়েছে। ৩ যুগ ধরে এ জনপদে চলছে মাদকের কারবার। হেরোইন, ফেনসিডিল, ইয়াবা, গাজা, আফিম সহ নানাবিধ মাদক এখানে হাত বাড়ালেই পাওয়া যায়। আইন শৃঙ্খলা প্রয়োগকারী বাহিনী অভিযান চালিয়ে এদের মাদকসহ আটক করলেও জামিনে বেরিয়ে এসে আবারো দেরার্ছে কারবার চালিয়ে যাচ্ছে। পুরো দক্ষিন বুরুজবাগান গ্রাম যেন এক মাদকের স্বর্গরাজ্য গড়ে তুলেছে। প্রায়ই এখান থেকে মাদকসহ বহনকারী আটক হলেও আড়ৎদাররা থেকে যায় পর্দার আড়ালে। যদিও তাদের নামে রয়েছে ডজন ডজন মামলা।

এলাকার সচেতন মহলের মনে এখন একটাই প্রশ্ন যেখানে সাধারণ অপরাধীরা দ্রুত আইনের আওতায় আসে, সেখানে এতগুলো গুরুতর মামলার আসামি হয়েও তারা কীভাবে নির্বিঘ্নে রমরমা মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে? স্থানীয় পর্যায়ে গুঞ্জন রয়েছে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কিছু অসাধু সদস্যের সাথে এদের বিশেষ সখ্যতা ও নিয়মিত অবৈধ লেনদেনের কারণেই তারা বারবার পার পেয়ে যাচ্ছে।

এই মাদক সিন্ডিকেটের কারণে এলাকার যুবসমাজ ধ্বংসের মুখে। এলাকাবাসীর দাবি, অনতিবিলম্বে এই প্রভাবশালী ও কৌশলী মাদক চক্রের বিরুদ্ধে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং দক্ষিন বুরুজ বাগান গ্রামকে মাদকের অভিশাপ থেকে মুক্ত করা হোক।