মূল লেখায় যান
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ৬:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ম্যাচের আয় ফিলিস্তিনিদের সহায়তায় দিল নরওয়ে এইমাত্রঅন্যান্য ম্যাচের আয় ফিলিস্তিনিদের সহায়তায় দিল নরওয়ে স্পেনের সঙ্গে ফাইনাল নিয়ে মুখ খুললেন মেসি এইমাত্রঅন্যান্য স্পেনের সঙ্গে ফাইনাল নিয়ে মুখ খুললেন মেসি হালুয়াঘাটে ধারা ইউনিয়নে কৃষক স্মার্ট কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু এইমাত্রঅন্যান্য হালুয়াঘাটে ধারা ইউনিয়নে কৃষক স্মার্ট কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু আ. লীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে জবি অধ্যাপক আইনুল ইসলামকে ক্যাম্পাসছাড়া করলেন শিক্ষার্থীরা এইমাত্রঅন্যান্য আ. লীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে জবি অধ্যাপক আইনুল ইসলামকে ক্যাম্পাসছাড়া করলেন শিক্ষার্থীরা ডিএনসিসির ৪ হাজার ৫২৭ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা এইমাত্রঅন্যান্য ডিএনসিসির ৪ হাজার ৫২৭ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা আতিফ আসলামের ঢাকা কনসার্ট চূড়ান্ত, নিশ্চিত করল আয়োজক প্রতিষ্ঠান মেইন স্টেজ এইমাত্রঅন্যান্য আতিফ আসলামের ঢাকা কনসার্ট চূড়ান্ত, নিশ্চিত করল আয়োজক প্রতিষ্ঠান মেইন স্টেজ লোকগীতিতে জাতীয় সেরা সখীপুরের অনয়া এইমাত্রঅন্যান্য লোকগীতিতে জাতীয় সেরা সখীপুরের অনয়া এবার উপসাগরজুড়ে অবকাঠামো ধ্বংসের হুঁশিয়ারি ইরানের এইমাত্রঅন্যান্য এবার উপসাগরজুড়ে অবকাঠামো ধ্বংসের হুঁশিয়ারি ইরানের
খেলা

ব্রাজিলকে হারিয়ে ইতিহাস, হাইতির গর্বের সেই স্মৃতি

প্রতিবেদক: বাংলা ব্রিফ
ব্রাজিলকে হারিয়ে ইতিহাস, হাইতির গর্বের সেই স্মৃতি

পরিসংখ্যানের পাতায় হয়তো খুব বেশি জায়গা পায়নি, কিন্তু হাইতির ফুটবল ইতিহাসে ১৯৯৯ সালের ৮ জুনের দিনটি আজও এক গৌরবময় অধ্যায় হয়ে আছে। ক্যারিবিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে বিশ্ব ফুটবলে বড় এক চমক উপহার দিয়েছিল ক্যারিবিয়ান দেশটি।

ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর ড. জোয়াও হাভেলাঞ্জ সেন্টার অব এক্সেলেন্স স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচটি সময়ের সঙ্গে অনেকটাই আড়ালে চলে গেছে। জনপ্রিয় ফুটবল পরিসংখ্যানভিত্তিক ডেটাবেইসগুলোতে ব্রাজিল ও হাইতির মুখোমুখি লড়াইয়ের তালিকায় সাধারণত ১৯৭৪, ২০০৪ এবং ২০১৬ সালের ম্যাচগুলোর তথ্য পাওয়া গেলেও ১৯৯৯ সালের ঐতিহাসিক এই জয় প্রায় অনুল্লেখিত রয়ে গেছে।

ম্যাচের বিভিন্ন তথ্য নিয়ে আজও কিছুটা ধোঁয়াশা রয়েছে। কোথাও বলা হয় প্রথমার্ধ গোলশূন্য ছিল, আবার কিছু সূত্রে দাবি করা হয় প্রথমার্ধেই মিশেল গ্যাব্রিয়েলের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল হাইতি। তবে একটি তথ্য নিয়ে কোনো দ্বিমত নেই—চূড়ান্ত ফলাফল ছিল ৪-৩, আর বিজয়ী ছিল হাইতি।

সেই সময় ক্যারিবিয়ান কাপে অংশ নিয়েছিল ব্রাজিল, তবে মূল জাতীয় দল নয়; দেশটির ফুটবল ফেডারেশন টুর্নামেন্টে পাঠিয়েছিল একটি যুব দল। ফলে রোনালদো, রিভালদো, কাফু কিংবা রবার্তো কার্লোসের মতো তারকারা ছিলেন না। তবে দলে এমন কয়েকজন তরুণ ফুটবলার ছিলেন, যারা পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেন।

সেই দলের উল্লেখযোগ্য খেলোয়াড়দের মধ্যে ছিলেন লুইসাও, এদু দ্রাসেনা, ফ্যাবিও রোশেমব্যাক, আলেসান্দ্রো সালভিনো, মার্সিনহো, এভারটন এবং হুলিয়ানো ভিচেনতিনি।

পরে ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম গ্লোবো টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভিচেনতিনি স্মৃতিচারণ করে বলেন, হাইতির খেলোয়াড়দের শারীরিক শক্তি তাদের সবচেয়ে বেশি বিস্মিত করেছিল। তার ভাষায়, তারা যেন একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় দলের বিপক্ষেই খেলছিলেন।

ঐ পরাজয়ের ফলে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হয় ব্রাজিলকে। অন্যদিকে হাইতি পৌঁছে যায় সেমিফাইনালে। যদিও শেষ চারে স্বাগতিক ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর কাছে হেরে তাদের যাত্রা থেমে যায়। পরে ত্রিনিদাদ ও টোবাগোই টুর্নামেন্টের শিরোপা জেতে।

দুই দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও ব্রাজিলের বিপক্ষে সেই অবিশ্বাস্য জয় হাইতির ফুটবল ইতিহাসে এক অনন্য কীর্তি হিসেবে স্মরণীয় হয়ে আছে। নতুন প্রজন্মের ফুটবলপ্রেমীরাও আজও সেই রূপকথার গল্প গর্বের সঙ্গে স্মরণ করে।