মূল লেখায় যান
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বদলি বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে, অনড় জামালপুর নার্সিং শিক্ষার্থীরা এইমাত্রঅন্যান্য বদলি বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে, অনড় জামালপুর নার্সিং শিক্ষার্থীরা বরগুনায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি ডিআইজির এইমাত্রঅন্যান্য বরগুনায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি ডিআইজির সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ও পরিবারের ৮৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ এইমাত্রঅন্যান্য সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ও পরিবারের ৮৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ ধর্ষণ প্রতিরোধে বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার কঠিন পরীক্ষা এইমাত্রঅন্যান্য ধর্ষণ প্রতিরোধে বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার কঠিন পরীক্ষা হরমুজে ডুবল পণ্যবাহী জাহাজ, সাগরে ভাসছে আইফোন ও দামি সুগন্ধি এইমাত্রঅন্যান্য হরমুজে ডুবল পণ্যবাহী জাহাজ, সাগরে ভাসছে আইফোন ও দামি সুগন্ধি ফরিদপুরে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের দায়ে যুবকের মৃত্যুদণ্ড এইমাত্রঅন্যান্য ফরিদপুরে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের দায়ে যুবকের মৃত্যুদণ্ড সখীপুরে ১৩ বছরের কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২ এইমাত্রঅন্যান্য সখীপুরে ১৩ বছরের কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২ শারদীয় দুর্গাপূজা: নড়াইলে ৫৪৩টি মণ্ডপে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্ততি এইমাত্রঅন্যান্য শারদীয় দুর্গাপূজা: নড়াইলে ৫৪৩টি মণ্ডপে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্ততি
বাংলাদেশ

নবম পে-স্কেলে সকল গ্রেডের শতভাগ মূল বেতন একই ধাপে বাস্তবায়ন চাই: আব্দুল মালেক

প্রতিবেদক: বাংলা ব্রিফ
নবম পে-স্কেলে সকল গ্রেডের শতভাগ মূল বেতন একই ধাপে বাস্তবায়ন চাই: আব্দুল মালেক

দীর্ঘ দিনের আন্দোলন সংগ্রাম এবং বিভিন্ন সংগঠনের দাবি দাওয়ার প্রেক্ষিতে এবারের বাজেট অধিবেশনে সরকার ৯ম পে স্কেল ১ জুলাই/২৬ থেকে কার্যকর করার ঘোষণা দেয়ায় সরকার প্রধানকে ধন্যবাদ জানিয়ে এবং নবম পে-স্কেলে সকল গ্রেডের শতভাগ মূল বেতন একই ধাপে একবারে বাস্তবায়নের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি।

উক্ত সংবাদ সম্মেলনটি গতকাল ১৯/০৬/২০২৬ খ্রিঃ শুক্রবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাব, আকরাম খা হলে আহবায়ক আব্দুল মালেক এর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আশিকুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সদস্য সচিব আশিকুল ইসলাম। এই সময় সংগঠন এর অন্নান্য নেতাকর্মীরা বক্তব্য দেন।

তারা বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মহোদয় সহ সরকারের প্রতি বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমরা একটি স্বনির্ভর, সুশাসনভিত্তিক ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই; এর জন্য সন্তুষ্ট ও কর্মউদ্দীপ্ত জনবল নিশ্চিত করা প্রয়োজন। ২২ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী পরিবারের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট আমাদের বিনীত আবেদন—দীর্ঘ ১১ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে নবম পে-স্কেলের শতভাগ মূল বেতন এক ধাপেই বাস্তবায়ন করে প্রতিটি পরিবারের মুখে হাসি ও স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনার প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি।

২০০৫ সালের পে-স্কেল বিএনপি সরকারের আমলে তিন ধাপে দেড় বছরে বাস্তবায়িত হয়েছিল। যার প্রথম ধাপে ১ জানুয়ারি/০৫ থেকে বেসিকের ৭৫ শতাংশ, দ্বিতীয় ধাপে ১ জুলাই /০৫ থেকে অবশিষ্ট ২৫ শতাংশ মূল বেতন কার্যকর করা হয় এবং ২০০৬ সালের ১ জুলাই সকল ভাতা কার্যকর করা হয়। ২০০৯ সালের পে-স্কেল দুই ধাপে বাস্তবায়িত হয়েছিল, যেখানে প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন কার্যকর করা হয় এবং পরবর্তী ধাপে ভাতাসমূহ বাস্তবায়ন করা হয়। ২০১৫ সালের অষ্টম পে-স্কেল এক ধাপেই কার্যকর করা হয়েছিল; তবে গেজেট প্রকাশে বিলম্বের কারণে বকেয়া অর্থ ধাপে ধাপে প্রদান করা হয়।

অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে প্রতীয়মান হয় যে বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো পে-স্কেলই দুই ধাপের বেশি সময় নিয়ে মূল বেতন বাস্তবায়ন করা হয়নি। বিভিন্ন মাধ্যমে জানা যাচ্ছে যে ২০২৬ সালের নবম পে-স্কেল তিন ধাপে তিন বছরে বাস্তবায়নের চিন্তা করা হচ্ছে, যার প্রথম ধাপে বেসিকের ৫০ শতাংশ কার্যকর করার আলোচনা রয়েছে। পে-স্কেল কার্যকরের সঙ্গে সঙ্গে বাজারে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা যায়। সেক্ষেত্রে মাত্র ৫০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি কর্মচারীদের প্রকৃত আর্থিক স্বস্তি দেবে না। বেসিক ভেঙে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হলে কর্মচারীদের জীবনে পে-স্কেলের কাঙ্ক্ষিত ইতিবাচক প্রভাব দৃশ্যমান হবে না। বেসিক বিভাজনের মাধ্যমে বাস্তবায়ন হলে আইবাস ব্যবস্থাপনা, পিআরএলভোগী কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ অনেকেই প্রশাসনিক ও আর্থিক জটিলতার সম্মুখীন হতে পারেন। দীর্ঘ সময় ধরে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন হলে অসাধু ব্যবসায়ীরা বারবার দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির সুযোগ নিতে পারে, যার বোঝা বহন করতে হবে সাধারণ কর্মচারীদের। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরও যদি কর্মচারীদের নতুন করে ঋণের বোঝা বহন করতে হয়, তবে পে-স্কেলের মূল উদ্দেশ্যই ব্যাহত হবে। কর্মচারীদের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী অসন্তোষ সৃষ্টি হলে সেবার মান ও প্রশাসনিক দক্ষতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

এমতাবস্থায়, আমরা নবম পে-স্কেলে সকল গ্রেডের শতভাগ মূল বেতন একই ধাপে একবারে বাস্তবায়ন করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষন করছি। রাষ্ট্রের আর্থিক সীমাবদ্ধতা থাকলে ভাতাসমূহ ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের বিষয় বিবেচনা করা যেতে পারে; তবে মূল বেতন একবারেই কার্যকর করার জোর দাবি জানাচ্ছি। পূর্ণাঙ্গ মূল বেতন বাস্তবায়নের পূর্বে বিদ্যমান ১৫ শতাংশ বিশেষ সুবিধা প্রত্যাহার করা অযৌক্তিক ও অমানবিক হবে বলে মনে করছি!

একই সাথে ২০১৫ সালে রহিত ৩ টি টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পূনর্বহাল, শত ভাগ পেনশন উত্তোলন, এবং পেনশন গ্রাচুইটি ২৩০ টাকা পরিবর্তে দ্বিগুণ করার জোর দাবি করছি,এছাড়া সময়োপযোগী টিফিন ভাতা, শিক্ষা ভাতা,চিকিৎসা ভাতা ও যাতায়াত ভাতা বৃদ্ধির দাবি করছি।