মূল লেখায় যান
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বদলি বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে, অনড় জামালপুর নার্সিং শিক্ষার্থীরা এইমাত্রঅন্যান্য বদলি বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে, অনড় জামালপুর নার্সিং শিক্ষার্থীরা বরগুনায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি ডিআইজির এইমাত্রঅন্যান্য বরগুনায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি ডিআইজির সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ও পরিবারের ৮৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ এইমাত্রঅন্যান্য সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ও পরিবারের ৮৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ ধর্ষণ প্রতিরোধে বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার কঠিন পরীক্ষা এইমাত্রঅন্যান্য ধর্ষণ প্রতিরোধে বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার কঠিন পরীক্ষা হরমুজে ডুবল পণ্যবাহী জাহাজ, সাগরে ভাসছে আইফোন ও দামি সুগন্ধি এইমাত্রঅন্যান্য হরমুজে ডুবল পণ্যবাহী জাহাজ, সাগরে ভাসছে আইফোন ও দামি সুগন্ধি ফরিদপুরে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের দায়ে যুবকের মৃত্যুদণ্ড এইমাত্রঅন্যান্য ফরিদপুরে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের দায়ে যুবকের মৃত্যুদণ্ড সখীপুরে ১৩ বছরের কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২ এইমাত্রঅন্যান্য সখীপুরে ১৩ বছরের কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২ শারদীয় দুর্গাপূজা: নড়াইলে ৫৪৩টি মণ্ডপে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্ততি এইমাত্রঅন্যান্য শারদীয় দুর্গাপূজা: নড়াইলে ৫৪৩টি মণ্ডপে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্ততি
বিনোদন

অর্থকষ্টে ছিলেন ধানুশ, করতেন ফুল বিক্রি!

প্রতিবেদক: স্টাফ রিপোর্টার, বাংলা ব্রিফ
অর্থকষ্টে ছিলেন ধানুশ, করতেন ফুল বিক্রি!

দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা ধানুশ জানিয়েছেন, শৈশবে এক টুকরো ইডলির স্বাদ পেতে তাকে ফুল বিক্রি করতে হতো। সম্প্রতি নতুন ছবির নাম ঘোষণা করতে গিয়ে তিনি নিজের শৈশবের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। ছবিটির নাম রাখা হয়েছে ‘ইডলি কড়াই’।

অনুষ্ঠানে ধানুশ বলেন, ছোটবেলায় ইডলি ছিল তার সবচেয়ে প্রিয় খাবার। কিন্তু অর্থাভাবে নিয়মিত ইডলি খাওয়ার সুযোগ পাননি। তিনি বলেন, ‘আমি যখন ছোট ছিলাম, প্রতিদিন ইডলি খেতে খুব ইচ্ছা করত, কিন্তু তা কেনার সামর্থ্য ছিল না। তাই আমরা পাড়া থেকে প্রতিদিন ফুল সংগ্রহ করতাম, তা বিক্রি করে টাকা পেতাম। আমরা ভাই-বোনরা ভোর ৪টায় উঠে এই কাজ করতাম। এতে প্রায় দুই ঘণ্টা লেগে যেত।’

তার ভাষায়, ‘পরিশ্রম করে অর্জিত টাকায় কেনা ইডলির স্বাদ আজও ভোলার নয়। সেই সুখ আর তৃপ্তি কোনো রেস্তোরাঁর খাবারে পাওয়া যায় না।’ এই স্মৃতিই তাকে নতুন ছবির নামকরণে অনুপ্রাণিত করেছে বলে জানান তিনি।

তবে ধানুশের এই দাবি ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। অনেকে তার বক্তব্যকে ‘অবিশ্বাস্য’ বলে মনে করছেন। এক নেটিজেন মন্তব্য করেছেন, ‘তিনি ছোটবেলায় গরিব ছিলেন, তাই কন্তুরী রাজ্য পরিচালক হিসেবে তার পরিবারকে কখনো টাকা দেননি— এটা কি সত্য?’ অন্য এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘ধানুশ একজন পরিচালকের ছেলে। তার কাছে টাকা ছিল না— এটা মিথ্যা।’