মূল লেখায় যান
সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬, ৯:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মাগুরার আলোচিত শিশু আছিয়া হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করল হাইকোর্ট এইমাত্রঅন্যান্য মাগুরার আলোচিত শিশু আছিয়া হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করল হাইকোর্ট বাবার এজাহারে ছয়জন, পুলিশের মামলায় অজ্ঞাত এইমাত্রঅন্যান্য বাবার এজাহারে ছয়জন, পুলিশের মামলায় অজ্ঞাত অন্ধত্বের ঝুঁকিতে থাকা মানুষের পাশে তরুণরা, বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা এইমাত্রঅন্যান্য অন্ধত্বের ঝুঁকিতে থাকা মানুষের পাশে তরুণরা, বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা বরের গাড়ি থামিয়ে নববধূ নিয়ে উধাও প্রেমিক এইমাত্রঅন্যান্য বরের গাড়ি থামিয়ে নববধূ নিয়ে উধাও প্রেমিক ‘ইসলাম শ্রেষ্ঠ ধর্ম’ মন্তব্য করে বিজেপির তোপের মুখে ভারতের মন্ত্রী এইমাত্রঅন্যান্য ‘ইসলাম শ্রেষ্ঠ ধর্ম’ মন্তব্য করে বিজেপির তোপের মুখে ভারতের মন্ত্রী ফ্যাশন ডিজাইন থেকে বৈশ্বিক ব্যবসায় নেতৃত্ব, ফারহানা ইমামের ১৮ বছরের পথচলা এইমাত্রঅন্যান্য ফ্যাশন ডিজাইন থেকে বৈশ্বিক ব্যবসায় নেতৃত্ব, ফারহানা ইমামের ১৮ বছরের পথচলা নেত্রকোণায় আর্থিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ এইমাত্রঅন্যান্য নেত্রকোণায় আর্থিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ ফুলবাড়িয়ায় নজরুল বর্ষে উপলক্ষে  আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান  এইমাত্রঅন্যান্য ফুলবাড়িয়ায় নজরুল বর্ষে উপলক্ষে  আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান 
বিনোদন

অর্থকষ্টে ছিলেন ধানুশ, করতেন ফুল বিক্রি!

প্রতিবেদক: স্টাফ রিপোর্টার, বাংলা ব্রিফ
অর্থকষ্টে ছিলেন ধানুশ, করতেন ফুল বিক্রি!

দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা ধানুশ জানিয়েছেন, শৈশবে এক টুকরো ইডলির স্বাদ পেতে তাকে ফুল বিক্রি করতে হতো। সম্প্রতি নতুন ছবির নাম ঘোষণা করতে গিয়ে তিনি নিজের শৈশবের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। ছবিটির নাম রাখা হয়েছে ‘ইডলি কড়াই’।

অনুষ্ঠানে ধানুশ বলেন, ছোটবেলায় ইডলি ছিল তার সবচেয়ে প্রিয় খাবার। কিন্তু অর্থাভাবে নিয়মিত ইডলি খাওয়ার সুযোগ পাননি। তিনি বলেন, ‘আমি যখন ছোট ছিলাম, প্রতিদিন ইডলি খেতে খুব ইচ্ছা করত, কিন্তু তা কেনার সামর্থ্য ছিল না। তাই আমরা পাড়া থেকে প্রতিদিন ফুল সংগ্রহ করতাম, তা বিক্রি করে টাকা পেতাম। আমরা ভাই-বোনরা ভোর ৪টায় উঠে এই কাজ করতাম। এতে প্রায় দুই ঘণ্টা লেগে যেত।’

তার ভাষায়, ‘পরিশ্রম করে অর্জিত টাকায় কেনা ইডলির স্বাদ আজও ভোলার নয়। সেই সুখ আর তৃপ্তি কোনো রেস্তোরাঁর খাবারে পাওয়া যায় না।’ এই স্মৃতিই তাকে নতুন ছবির নামকরণে অনুপ্রাণিত করেছে বলে জানান তিনি।

তবে ধানুশের এই দাবি ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। অনেকে তার বক্তব্যকে ‘অবিশ্বাস্য’ বলে মনে করছেন। এক নেটিজেন মন্তব্য করেছেন, ‘তিনি ছোটবেলায় গরিব ছিলেন, তাই কন্তুরী রাজ্য পরিচালক হিসেবে তার পরিবারকে কখনো টাকা দেননি— এটা কি সত্য?’ অন্য এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘ধানুশ একজন পরিচালকের ছেলে। তার কাছে টাকা ছিল না— এটা মিথ্যা।’