মূল লেখায় যান
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত সেন্টমার্টিন: থাকছে নতুন নির্দেশনা এইমাত্রঅন্যান্য ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত সেন্টমার্টিন: থাকছে নতুন নির্দেশনা গাড়িতে গুলির ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নিলেন আসিফ আকবর এইমাত্রঅন্যান্য গাড়িতে গুলির ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নিলেন আসিফ আকবর পুলিশ বাহিনীকে আগে পরিষ্কার করতে চাইলেন আইজিপি এইমাত্রঅন্যান্য পুলিশ বাহিনীকে আগে পরিষ্কার করতে চাইলেন আইজিপি ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৫ মৃত্যু এইমাত্রঅন্যান্য ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৫ মৃত্যু কোন পতিত-পলাতক শক্তির অপতৎপরতা মেনে নেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এইমাত্রঅন্যান্য কোন পতিত-পলাতক শক্তির অপতৎপরতা মেনে নেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. শাহাদাত হোসেনকে চসিক'র পূর্ণকালীন প্রশাসক নিয়োগ এইমাত্রঅন্যান্য ডা. শাহাদাত হোসেনকে চসিক'র পূর্ণকালীন প্রশাসক নিয়োগ নেত্রকোনায় ‘নারীনেত্র কারুপণ্য’ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক সহযোগিতার আশ্বাস এইমাত্রঅন্যান্য নেত্রকোনায় ‘নারীনেত্র কারুপণ্য’ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক সহযোগিতার আশ্বাস গ্যাস সঙ্কটে পুরোপুরি বন্ধ যমুনা সারকারখানা এইমাত্রঅন্যান্য গ্যাস সঙ্কটে পুরোপুরি বন্ধ যমুনা সারকারখানা
আন্তর্জাতিক

পাকিস্তানে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি, নিহত কমপক্ষে ৫০০

প্রতিবেদক: স্টাফ রিপোর্টার, বাংলা ব্রিফ
পাকিস্তানে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি, নিহত কমপক্ষে ৫০০

ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশ। পানির তোড়ে প্রায় নিশ্চিহ্ন বুনের এলাকার বেশন্ত্রী গ্রাম। যেখানে মৃতের সংখ্যা এতটাই বেশি যে, দাফনে শামিল হওয়ার মতো লোকও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় কাজ করছে পাকিস্তানের বিভিন্ন এলাকার উদ্ধারকারী দল।

সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়।

জুন থেকে শুরু হওয়া বন্যায় দেশটিতে অন্তত ৫০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। যার মধ্যে অর্ধেকই শিশু। পাকিস্তানের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অধিকাংশ মানুষের মৃত্যু হয়েছে বাড়িঘর ধসের ফলে। যারা বেঁচে আছেন তারা এখন মারাত্মকভাবে পানিবাহিত রোগে ভুগছেন।

২৫ কোটি মানুষের আবাসস্থল পাকিস্তান বিশ্বের মধ্যে জলবায়ুর প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর একটি। যদিও দেশটি বৈশ্বিকভাবে মাত্র শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ তাপ উৎপাদন করে। কিন্তু ক্ষতিগ্রস্তের দিক থেকে ভয়াবহ অবস্থায় রয়েছে।

চলতি বছরের মধ্যে গত সপ্তাহে মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভারী বৃষ্টি ও বন্যায় ১৮০ জনের মৃত্যু হয়। শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা। বেশির ভাগ মৃত্যু হয় উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ খাইবার পাখতুনখাওয়াতে।

দুঃখজনকভাবে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা একের পর এক বন্যায় পাকিস্তানে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলছে।

জুলাই মাসের মাঝামাঝি পাকিস্তানের সবচেয়ে জনবহুল প্রদেশ পাঞ্জাবে তীব্র বর্ষণ হয়, গ্রামগুলো তলিয়ে যায় এবং মাঠ পানির নিচে চলে যায়।

এছাড়া ইসলামাবাদের কাছে অবস্থিত রাওয়ালপিন্ডি শহরে প্রায় ৯ ইঞ্চি বৃষ্টি পড়ে, যা রাস্তাগুলোকে প্রবহমান নদীর মতো বানিয়ে দেয়, বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তলিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি কিছু এলাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকে।

পাকিস্তান একটি হিমবাহ সমৃদ্ধ দেশ এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে এই প্রাচীন বরফের নদীগুলো দ্রুত গলে যাচ্ছে, যা বন্যার ঝুঁকি আরও বাড়াচ্ছে।

পাকিস্তানই নয়, ভারত শাসিত কাশ্মীরেও বন্যার তাণ্ডব চলছে। হিমালয়ের শহর চাশোতিতে কমপক্ষে ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ২০০-এর বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছে। চলতি মাসের শুরুতে পানির একটি প্রবাহ হিমালয়ের উত্তর ভারতের ধরালি গ্রামে ঢুকে পড়লে সেখানে চারজনের মৃত্যু হয় এবং নিখোঁজ হয় বহু মানুষ।

এর আগে ২০২২ সালে বর্ষা মৌসুমে পাকিস্তানে ভয়াবহ বন্যায় ১৭০০-এর বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। ঘরবাড়ি ছাড়া হয় হাজার হাজার মানুষ। প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলারের সম্পত্তির ক্ষতি হয়।