মূল লেখায় যান
রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ২:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কুয়াকাটার সাগরে জেলের জালে বিরল ‘টাইটান ট্রিগারফিশ’ এইমাত্রঅন্যান্য কুয়াকাটার সাগরে জেলের জালে বিরল ‘টাইটান ট্রিগারফিশ’ দীর্ঘ ১৫ বছর পর আলোর মুখ দেখলেন সালেহা বেগম, চিকিৎসার দায়িত্ব নিল উপজেলা প্রশাসন এইমাত্রঅন্যান্য দীর্ঘ ১৫ বছর পর আলোর মুখ দেখলেন সালেহা বেগম, চিকিৎসার দায়িত্ব নিল উপজেলা প্রশাসন পটুয়াখালীতে মসজিদ থেকে মুয়াজ্জিনের মরদেহ উদ্ধার এইমাত্রঅন্যান্য পটুয়াখালীতে মসজিদ থেকে মুয়াজ্জিনের মরদেহ উদ্ধার নেপালের বন্যায় মৃত্যুর মুখ থেকে ফেরা ৭ জনের ভয়ংকর অভিজ্ঞতা এইমাত্রঅন্যান্য নেপালের বন্যায় মৃত্যুর মুখ থেকে ফেরা ৭ জনের ভয়ংকর অভিজ্ঞতা গুমের ঘটনায় কাউকে ছাড় নয়, তদন্ত করে বিচার চলছে: প্রধানমন্ত্রী এইমাত্রঅন্যান্য গুমের ঘটনায় কাউকে ছাড় নয়, তদন্ত করে বিচার চলছে: প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় আটক ১ এইমাত্রঅন্যান্য সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় আটক ১ প্রশাসনিক জটিলতা পেরিয়ে জেএনইউডিএসের ১৮তম কর্মশালা সম্পন্ন এইমাত্রঅন্যান্য প্রশাসনিক জটিলতা পেরিয়ে জেএনইউডিএসের ১৮তম কর্মশালা সম্পন্ন কাপ্তাই হ্রদের পানি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি: খুলে দেয়া হয়েছে ১৬ জলকপাট এইমাত্রঅন্যান্য কাপ্তাই হ্রদের পানি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি: খুলে দেয়া হয়েছে ১৬ জলকপাট
আন্তর্জাতিক

সুদানে মা-বাবার সামনে মেরে ফেলা হয়েছে সন্তানদের

প্রতিবেদক: স্টাফ রিপোর্টার, বাংলা ব্রিফ
সুদানে মা-বাবার সামনে মেরে ফেলা হয়েছে সন্তানদের

সুদানে প্যারামিলিটারি র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সের (আরএসএফ) ভয়াবহতার তথ্য ধীরে ধীরে সামনে আসছে। দেশটির দারফুর অঞ্চলের এল-ফাশার শহরে যেন নৃশংসতা তারা চালিয়েছে সেগুলোর বর্ণনা দিচ্ছেন বেঁচে আসা মানুষ।

জানা গেছে, আরএসএফের ফাইটাররা মা-বাবার কাছ থেকে সন্তানদের ছিনিয়ে নিয়ে হত্যা করেছে। অনেককে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এসব বাবা-মা জানেন না তাদের সন্তান বেঁচে আছে নাকি মারা গেছে।

জাহরা নামে এক মা গত পরশুদিন এল-ফাশার থেকে পালিয়ে নিকটস্থ তাওইলা শহরে এসেছেন। তার ছেলেকেও নিয়ে গেছে আরএসএফ। তিনি বলেছন, “আমি জানি না আমার ছেলে মোহাম্মদ বেঁচে আছে নাকি মরে গেছে। তারা সব ছেলেদের নিয়ে গেছে। গারনি শহরের কাছে আসার পর আরএসএফ আমার ১৬ ও ২০ বছর বয়সীকে ছেলেদের আটক করে। তাদের কাছে ছেলেদের ভিক্ষা চাই। কিন্তু তারা আমার ২০ বছর বয়সী ছেলেকে ছাড়েনি। তাকে নিয়ে গেছে।”

অ্যাডাম নামে আরেক ব্যক্তি জানিয়েছেন, তার সামনেই তার ১৭ ও ২১ বছর বয়সী ছেলেকে হত্যা করা হয়।

“আমার ছেলেরা নাকি সেনাবাহিনীর হয়ে লড়াই করেছে। এ অভিযোগ করে আমার সামনে তাদের লাঠি দিয়ে অনেক মারধর করা হয়।”— বলেন অ্যাডাম।

এরপর তিনি যখন গারনি শহরে আসেন তখন আরএসএফ তাকে আবারও আটক করে। ওই সময় তার জামায় ছেলেদের রক্ত লেগেছিল। রক্ত দেখে তারা অভিযোগ করে অ্যাডামও সেনাবাহিনীর সদস্য। এরপর কয়েক ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

গত সপ্তাহে সেনাবাহিনীর কাছ থেকে এল-ফাশার শহর দখল করে আরএসএফের ফাইটাররা। এরপর ওই শহর থেকে অন্তত ৬৫ হাজার মানুষ পালিয়ে গেছেন।

আরএসএফ শহরটি দখলের আগে সেখানে ২ লাখ ৬০ হাজার মানুষ থাকতেন।