মূল লেখায় যান
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে ইরান-আমিরাতের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক এইমাত্রঅন্যান্য ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে ইরান-আমিরাতের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক কিশোরগঞ্জে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে আলোচনা সভা এইমাত্রঅন্যান্য কিশোরগঞ্জে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে আলোচনা সভা ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসব থেকে অস্কারের দৌড়ে ছয় সিনেমা এইমাত্রঅন্যান্য ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসব থেকে অস্কারের দৌড়ে ছয় সিনেমা আ.লীগকে ফেরাতে সরকারের একাংশ ষড়যন্ত্র করছে: পরওয়ার এইমাত্রঅন্যান্য আ.লীগকে ফেরাতে সরকারের একাংশ ষড়যন্ত্র করছে: পরওয়ার ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য সরকারের এইমাত্রঅন্যান্য ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য সরকারের বুড়িচংয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ১১, তিনজনের কারাদণ্ড এইমাত্রঅন্যান্য বুড়িচংয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ১১, তিনজনের কারাদণ্ড সেই ৬৩ বিদেশির সহযোগী মহসিন কোকেন মামলায় গ্রেফতার এইমাত্রঅন্যান্য সেই ৬৩ বিদেশির সহযোগী মহসিন কোকেন মামলায় গ্রেফতার ফ্রান্সে বসেই দেশে ডাকাতচক্র চালাতেন ‘ফ্রান্স নাসির’ এইমাত্রঅন্যান্য ফ্রান্সে বসেই দেশে ডাকাতচক্র চালাতেন ‘ফ্রান্স নাসির’
অন্যান্য

শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ

প্রতিবেদক:
শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ

বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম জোরদারে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বুধবার (১২ আগস্ট) থেকে দেশের সব শপিংমল, মার্কেট ও দোকান বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। একই সঙ্গে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে সব ধরনের আলোকিত বিলবোর্ড বন্ধ করতে হবে এবং সব ধরনের আলোকসজ্জা বন্ধ রাখতে হবে।

বুধবার (১২ আগস্ট) এক বার্তায় এ তথ্য জানায় বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়।

বার্তায় বলা হয়, বিদ্যুৎ বিভাগের ১১ জুন তারিখের এক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শপিংমল, মার্কেট ও দোকানপাট রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি ছিল। তবে বিদ্যমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করেছে, যা ১২ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন স্থানে চলমান ও অনুষ্ঠিতব্য মেলা, বাণিজ্য মেলা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও রাত ৮টার মধ্যে শেষ করতে হবে। এসব ক্ষেত্রেও একই সময়সীমা প্রযোজ্য হবে।

যদিও খাবারের দোকান, হাসপাতাল, ফার্মেসি ও ওষুধের দোকানসহ জরুরি সেবা-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো এই নির্দেশনার আওতার বাইরে থাকবে।

বিদ্যুৎ বিভাগ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান ও কর্তৃপক্ষকে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয় আনতে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর চাপ কমাতে সরকার এ ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে।