মূল লেখায় যান
শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬, ৬:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কথা-কাটাকাটির জেরে মাথায় আঘাত করে রক্তাক্ত, ফাঁকা গুলি এইমাত্রঅন্যান্য কথা-কাটাকাটির জেরে মাথায় আঘাত করে রক্তাক্ত, ফাঁকা গুলি ‘ইরান গ্রানাইট পাথরের মতো শক্ত; পরাজিত করা সম্ভব নয়’ এইমাত্রঅন্যান্য ‘ইরান গ্রানাইট পাথরের মতো শক্ত; পরাজিত করা সম্ভব নয়’ আন্তর্জাতিক কফি দিবসে নেসক্যাফে বাংলাদেশের বর্ণাঢ্য যুব উৎসব এইমাত্রঅন্যান্য আন্তর্জাতিক কফি দিবসে নেসক্যাফে বাংলাদেশের বর্ণাঢ্য যুব উৎসব টাঙ্গুয়ার হাওরে থেকে ইলেকট্রিক শটের মাধ্যমে মাছ ধরার সরঞ্জাম জব্দ এইমাত্রঅন্যান্য টাঙ্গুয়ার হাওরে থেকে ইলেকট্রিক শটের মাধ্যমে মাছ ধরার সরঞ্জাম জব্দ দুই মেট্রোরেল লাইনে সাড়ে ৫৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাব অনুমোদন এইমাত্রঅন্যান্য দুই মেট্রোরেল লাইনে সাড়ে ৫৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাব অনুমোদন ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ, বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ যারা এইমাত্রঅন্যান্য ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ, বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ যারা জামায়াত যা পারেনি, প্রধানমন্ত্রী তা পেরেছেন: অ্যাটর্নি জেনারেল এইমাত্রঅন্যান্য জামায়াত যা পারেনি, প্রধানমন্ত্রী তা পেরেছেন: অ্যাটর্নি জেনারেল মুক্তির আগেই ৫০ কোটির দোরগোড়ায় ‘দৃশ্যম ৩’ এইমাত্রঅন্যান্য মুক্তির আগেই ৫০ কোটির দোরগোড়ায় ‘দৃশ্যম ৩’
অন্যান্য

মুরগি খামারের বর্জ্য থেকে পাওয়া গ্যাসে কমছে জ্বালানি ব্যয়

প্রতিবেদক:
মুরগি খামারের বর্জ্য থেকে পাওয়া গ্যাসে কমছে জ্বালানি ব্যয়

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় মুরগির খামারের বর্জ্য এখন আর শুধু দুর্গন্ধের কারণ নয়, বরং হয়ে উঠেছে পরিচ্ছন্ন জ্বালানির উৎস। স্থানীয় উদ্যোক্তা সালেহ আহমেদের উদ্যোগে খামারের বর্জ্য থেকে উৎপাদিত বায়োগ্যাস পাইপলাইনের মাধ্যমে সরবরাহ করা হচ্ছে দোকানপাট ও বাসাবাড়িতে। এতে যেমন পরিবেশ দূষণ কমছে, তেমনি কমেছে জ্বালানি ব্যয়ও।

উদ্যোক্তা সালেহ আহমেদ বলেন, ২০০১ সালে মাত্র এক হাজার লেয়ার মুরগি দিয়ে খামার শুরু করেছি। বর্তমানে আমার খামারে রয়েছে প্রায় ৩০ হাজার মুরগি। ২০০৫ সালে প্রথম বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনের পর ধাপে ধাপে এখন প্ল্যান্টের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪টিতে। এসব প্ল্যান্ট থেকে উৎপাদিত গ্যাস এলাকার প্রায় ৩০টি দোকান ও বাসাবাড়িতে সরবরাহ করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, সরকারি সহায়তা পেলে ঝিনাইগাতী বাজার ও আশপাশের আরও অনেক আবাসিক এলাকায় পাইপলাইনের মাধ্যমে বায়োগ্যাস সরবরাহের সুযোগ তৈরি করা সম্ভব হবে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা জানান, বায়োগ্যাস ব্যবহারের ফলে এলপিজির ওপর নির্ভরতা কমেছে এবং মাসিক জ্বালানি ব্যয় প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। একই সঙ্গে কাঠ বা অন্যান্য জ্বালানি সংগ্রহের ঝামেলাও কমেছে। এদিকে, সালেহ আহমেদের এ উদ্যোগ দেখে এলাকার আরও কয়েকজন খামারি নিজেদের খামারে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনের পরিকল্পনা করছেন।

শেরপুর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রেজাউল হক ভূঁইয়া বলেন, বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কার্যকর সমাধান। এর মাধ্যমে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনের পাশাপাশি প্ল্যান্ট থেকে পাওয়া বায়ো-স্লারি উন্নতমানের জৈব সার হিসেবে কৃষিকাজে ব্যবহার করা যায়। ফলে টেকসই কৃষি ও পরিবেশবান্ধব খামার ব্যবস্থাপনায় এ ধরনের প্রকল্পের গুরুত্ব অনেক।