মূল লেখায় যান
শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মাঝরাতে বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো বৈছাআ নেতা মাহদীকে এইমাত্রঅন্যান্য মাঝরাতে বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো বৈছাআ নেতা মাহদীকে হরমুজ প্রণালিতে ‘বড় ধরনের বিস্ফোরণ’, বাড়ল তেলের দাম এইমাত্রঅন্যান্য হরমুজ প্রণালিতে ‘বড় ধরনের বিস্ফোরণ’, বাড়ল তেলের দাম ৪০০-৫০০ টাকা কেজি মাল্টা বিক্রি গ্রহণযোগ্য নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী এইমাত্রঅন্যান্য ৪০০-৫০০ টাকা কেজি মাল্টা বিক্রি গ্রহণযোগ্য নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী আমরা ভারতবিরোধী নই: আসিফ মাহমুদ এইমাত্রঅন্যান্য আমরা ভারতবিরোধী নই: আসিফ মাহমুদ দারাজের ১০.১০ শপিং ফেস্টে সর্বোচ্চ ৮০ শতাংশ ছাড় এইমাত্রঅন্যান্য দারাজের ১০.১০ শপিং ফেস্টে সর্বোচ্চ ৮০ শতাংশ ছাড় ফুডপান্ডার কমিশন-চার্জ নিয়ে চট্টগ্রামের রেস্তোরাঁ মালিকদের ক্ষোভ এইমাত্রঅন্যান্য ফুডপান্ডার কমিশন-চার্জ নিয়ে চট্টগ্রামের রেস্তোরাঁ মালিকদের ক্ষোভ ৫ ধানক্ষেতে দৌড়াদৌড়ি, প্রাণপণ চেষ্টা করেও বাঁচতে পারেনি তাজমিন এইমাত্রঅন্যান্য ৫ ধানক্ষেতে দৌড়াদৌড়ি, প্রাণপণ চেষ্টা করেও বাঁচতে পারেনি তাজমিন কিশোরগঞ্জে বেকারি মালিকের দেড় বছর কারাদণ্ড, ৩ লাখ টাকা জরিমানা এইমাত্রঅন্যান্য কিশোরগঞ্জে বেকারি মালিকের দেড় বছর কারাদণ্ড, ৩ লাখ টাকা জরিমানা
অন্যান্য

৪০০-৫০০ টাকা কেজি মাল্টা বিক্রি গ্রহণযোগ্য নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রতিবেদক:
৪০০-৫০০ টাকা কেজি মাল্টা বিক্রি গ্রহণযোগ্য নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী

শুল্ক পরিশোধের পরও প্রতি কেজি মাল্টা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। রমজানসহ বিশেষ উপলক্ষকে কেন্দ্র করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত মুনাফা করার চেষ্টা করা হলে তা বরদাশত করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের সম্মেলনকক্ষে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির উদ্যোগে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং বাজার স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকদের সঙ্গে এ সভার আয়োজন করা হয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সারা বছর নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ও দাম স্থিতিশীল রাখতে ভৌগোলিক সুবিধা বিবেচনায় নিয়ে এলাকাভিত্তিক কৃষি উৎপাদনের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। কোন অঞ্চলে কোন সময়ে কী ধরনের ফসল উৎপাদন হবে, তা নির্ধারণ করে পরিকল্পিতভাবে খাদ্যশস্য ও সবজি উৎপাদন করা গেলে বছরের বিভিন্ন সময়ে বাজারে পণ্যের ঘাটতি এবং অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

আসন্ন রমজান সামনে রেখে দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে বলেও জানান খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, চিনি, ছোলা, খেজুর, পেঁয়াজ ও ভোজ্যতেলসহ প্রয়োজনীয় পণ্যের যথেষ্ট মজুত রয়েছে। কোনো পণ্যের সরবরাহে ঘাটতি নেই। এ ছাড়া আমদানি করা আরও কিছু পণ্য দেশে আসার অপেক্ষায় রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, রমজান কিংবা অন্য কোনো বিশেষ সময়ে কোনো ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃতভাবে বা জোটবদ্ধ হয়ে পণ্যের দাম বাড়ানোর চেষ্টা করলে সরকার তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে। বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অতিরিক্ত মুনাফা করার সুযোগ দেওয়া হবে না।

চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হকের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন চেম্বারের সাবেক সভাপতি ও পোর্ট ইউজার্স ফোরামের চেয়ারম্যান আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী, সাবেক সভাপতি আলী আহমেদ, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মো. আমজাদ হোসেন চৌধুরী, বিজিএমইএর প্রথম সহসভাপতি সেলিম রহমান, খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি এম এ সালাম, বিপিএএমইএর প্রথম সহসভাপতি শহীদুল্লাহ চৌধুরী, কাস্টমস কমিশনার মুহা. মাহবুবুর রহমানসহ ব্যবসায়ী নেতারা।