মূল লেখায় যান
শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভারতীয় বন্দি বাচ্চুলা মাঝির মৃত্যু এইমাত্রঅন্যান্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভারতীয় বন্দি বাচ্চুলা মাঝির মৃত্যু এবার রিয়াদ বিমানবন্দরে ভয়াবহ হামলা, পাইলটসহ নিহত ৩ এইমাত্রঅন্যান্য এবার রিয়াদ বিমানবন্দরে ভয়াবহ হামলা, পাইলটসহ নিহত ৩ গ্রেপ্তার অটোচালকের তথ্যে মিললো আইফোন, দুই ক্লু ধরে তদন্তে পুলিশ এইমাত্রঅন্যান্য গ্রেপ্তার অটোচালকের তথ্যে মিললো আইফোন, দুই ক্লু ধরে তদন্তে পুলিশ জান্নাতুল তাজমিন হত্যাকাণ্ড: বান্ধবীকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন মা এইমাত্রঅন্যান্য জান্নাতুল তাজমিন হত্যাকাণ্ড: বান্ধবীকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন মা শিক্ষক নিয়োগে যোগ্যতা-দক্ষতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী এইমাত্রঅন্যান্য শিক্ষক নিয়োগে যোগ্যতা-দক্ষতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী সৌদি আরবের বিমানবন্দরে হামলার কঠোর নিন্দা জানাল বাংলাদেশ এইমাত্রঅন্যান্য সৌদি আরবের বিমানবন্দরে হামলার কঠোর নিন্দা জানাল বাংলাদেশ সালমান খানকে আদালতের নোটিশ এইমাত্রঅন্যান্য সালমান খানকে আদালতের নোটিশ মাদকসহ আটকদের ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ ইউএনওর বিরুদ্ধে! এইমাত্রঅন্যান্য মাদকসহ আটকদের ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ ইউএনওর বিরুদ্ধে!
অন্যান্য

মাদকসহ আটকদের ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ ইউএনওর বিরুদ্ধে!

প্রতিবেদক:
মাদকসহ আটকদের ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ ইউএনওর বিরুদ্ধে!

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে পুলিশের অভিযানে মাদকসহ আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে। মাদক সেবনের কথা স্বীকার করায় দুজনসহ তিনজনকে মুচলেকায় ছেড়ে দেওয়া হলেও আরও এক ব্যক্তিকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাফফাত আরা সাঈদের সিদ্ধান্তের আইনি ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

ছাড়া পাওয়া তিনজন হলেন কুলিয়ারচরের পূর্ব গোবরিয়া গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে সিয়াম (১৮), লক্ষ্মীপুর গ্রামের সাফি মিয়ার ছেলে সানি (২৭) ও একই গ্রামের ইসমাইল মিয়ার স্ত্রী বকুলা বেগম (৩৫)।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে মাদক সেবন ও রাখার অভিযোগে আটজনকে আটক করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সিয়াম ও সানিকে প্রায় ৫০০ গ্রাম মদ ও বোতলসহ আটক করা হয়। তাঁরা মাদক সেবনের কথা স্বীকার করলে উদ্ধার করা মদ জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয় এবং মুচলেকা নিয়ে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

অন্যদিকে, লক্ষ্মীপুর গ্রামের ইসমাইল মিয়া (৫০) ও তাঁর স্ত্রী বকুলা বেগমকে বাড়ি থেকে আটক করা হয়। তাঁদের ঘর থেকে ১১টি ইয়াবা বড়ি ও গাঁজা উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় ইসমাইলকে ছয় মাসের কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে আরও সাত দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাঁর স্ত্রী বকুলাকেও মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯-এর ৭(২) ধারায় অভিযোগ স্বীকার করলে তা লিপিবদ্ধ করে উপযুক্ত দণ্ড দেওয়ার বিধান রয়েছে। অন্যদিকে, ৭(৩) ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির ব্যাখ্যা সন্তোষজনক হলে অব্যাহতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এই অবস্থায় সিয়াম ও সানিকে কোন আইনি বিধানে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এবং বকুলাকে অব্যাহতি দেওয়ার ভিত্তি কী ছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অভিযানে আটক অপর চারজনকে কিশোরগঞ্জের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ইউএনও সাফফাত আরা সাঈদের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক বলেন, ‘মোবাইল কোর্টে ইউএনও স্যার ইসমাইল মিয়াকে কারাদণ্ড দেন এবং তিনজনকে মুচলেকা নিয়ে ক্ষমা করে দেন।’