মূল লেখায় যান
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বিএনপির মুখে জুলাই সনদ, অন্তরে আওয়ামী লীগ: হাসনাত এইমাত্রঅন্যান্য বিএনপির মুখে জুলাই সনদ, অন্তরে আওয়ামী লীগ: হাসনাত বুড়িচংয়ে কৃষিজমি রক্ষায় লাঙল-কোদাল হাতে কৃষকদের বিক্ষোভ এইমাত্রঅন্যান্য বুড়িচংয়ে কৃষিজমি রক্ষায় লাঙল-কোদাল হাতে কৃষকদের বিক্ষোভ ‘ফাটাকেষ্টর ভাব ধরতে গিয়ে পানি ঘোলা করে খায়’ এইমাত্রঅন্যান্য ‘ফাটাকেষ্টর ভাব ধরতে গিয়ে পানি ঘোলা করে খায়’ নিরাপত্তাঝুঁকি ও হামলার আশঙ্কায় অস্ত্র উঁচিয়েছিলাম: ইশরাক হোসেন এইমাত্রঅন্যান্য নিরাপত্তাঝুঁকি ও হামলার আশঙ্কায় অস্ত্র উঁচিয়েছিলাম: ইশরাক হোসেন কুমিল্লায় নির্যাতনের শিকার গৃহবধূর মৃত্যু: স্বামীসহ পরিবারের সদস্যরা পলাতক এইমাত্রঅন্যান্য কুমিল্লায় নির্যাতনের শিকার গৃহবধূর মৃত্যু: স্বামীসহ পরিবারের সদস্যরা পলাতক নম্বর ব্লক করায় দুই বান্ধবীকে ডেকে নিয়ে মারধর ও জুতাপেটার অভিযোগ এইমাত্রঅন্যান্য নম্বর ব্লক করায় দুই বান্ধবীকে ডেকে নিয়ে মারধর ও জুতাপেটার অভিযোগ সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় সরকারি আবাসন প্রকল্পের ঘর বিক্রির অভিযোগ এইমাত্রঅন্যান্য সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় সরকারি আবাসন প্রকল্পের ঘর বিক্রির অভিযোগ সীতাকুণ্ডে যুবদল কর্মী হত্যা: ২৪ ঘণ্টায় মূল আসামিসহ গ্রেপ্তার ৬ এইমাত্রঅন্যান্য সীতাকুণ্ডে যুবদল কর্মী হত্যা: ২৪ ঘণ্টায় মূল আসামিসহ গ্রেপ্তার ৬
রাজনীতি

এবার বিএনপিকর্মীকে ‘খেয়ে’ ফেলার হুমকি হানজালার, জানা গেল কারণ

প্রতিবেদক: বাংলা ব্রিফ
এবার বিএনপিকর্মীকে ‘খেয়ে’ ফেলার হুমকি হানজালার, জানা গেল কারণ

মাদারীপুরের শিবচরে একটি সালিশ বৈঠকে মাদারীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য সাইদ উদ্দিন আহমাদ হানজালার উত্তেজিত আচরণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

এক মিনিটের ওই ভিডিওতে তাকে টেবিল চাপড়ে উপস্থিত বিএনপিকর্মী ও অন্যদের উদ্দেশে তীব্র ভাষায় কথা বলতে শোনা যায়। তিনি বলেন, “কথা বললেন কেন? আপনারা এখানে কাউন্টার দিলেন কেন?” এক পর্যায়ে তিনি আরও বলেন, “এই মিয়া চুপ করেন, একেবারে খেয়ে ফেলব। চুপ করেন। আমি আসছি বিচার করার জন্য। কাউন্টার দিলে আমি দেব।”

তার এ বক্তব্য ও আচরণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনাটি শিবচর উপজেলার দত্তপাড়া ইউনিয়নের ‘চর বাচামারা মৌলভীকান্দি’ গ্রামে একটি সালিশ বৈঠকের সময় ঘটে। ওই এলাকায় মারামারির একটি ঘটনা নিয়ে সালিশ বসানো হয়, যেখানে দুই পক্ষের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

সালিশে এক পর্যায়ে একপক্ষকে এক লাখ টাকা জরিমানা নির্ধারণ করা হয়। এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং উপস্থিতদের মধ্যে হট্টগোল শুরু হয়। এ সময় এমপি হানজালা উত্তেজিত হয়ে বিএনপিকর্মী তারা মিয়াকে ধমক দেন বলে জানা যায়।

ভুক্তভোগী তারা মিয়া গণমাধ্যমকে জানান, ঘটনাটি প্রায় এক মাস আগের। সালিশ চলাকালে তার সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয় এবং এমপি একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত দেওয়ার চেষ্টা করেন বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি আরও বলেন, জরিমানা হিসেবে এক লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়, যা একজন গরিব ও অসহায় ব্যক্তির পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয়।

তিনি দাবি করেন, সালিশে উপস্থিত লোকজন বিভিন্ন মতামত দিলেও বিচারকের উচিত ছিল ধৈর্য ধরে সব কথা শোনা। তা না হলে এটি নিরপেক্ষ বিচার হিসেবে বিবেচিত হয় না।

স্থানীয়রা জানান, বৈঠকে উত্তেজনা বাড়লে এমপি হানজালা মেজাজ হারান। এ সময় উপস্থিত একজন ভিডিও ধারণ করছিলেন এবং পরে সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

পরে ভিডিওটি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। এ ঘটনায় বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক মহল থেকে প্রতিক্রিয়া আসতে শুরু করেছে।

এদিকে সংসদ সদস্য পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালা গণমাধ্যমকে বলেন, ঘটনাটি এক থেকে দেড় মাস আগের। ওরা আমাকে ছাড়া বিচারে বসবেই না। পরে আমি গিয়েছি। সালিশের সময় উভয়পক্ষই কথা বলতেছিল। তর্কে জড়াইছিল। তারা বেশ প্যাঁচাপেঁচি করতেছিল। তখন আমি ধমক দিয়েছি। তবে বিচার কাজটি বেশ সুন্দরভাবে সমাধান হয়েছে।