মূল লেখায় যান
বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ইবির স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন অব এনএসের নেতৃত্বে গালিব-রাকিব এইমাত্রশিক্ষা ইবির স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন অব এনএসের নেতৃত্বে গালিব-রাকিব দুর্নীতির বরপুত্র ডিএফও মোস্তাফিজ! এইমাত্রঅন্যান্য দুর্নীতির বরপুত্র ডিএফও মোস্তাফিজ! নিয়মিত সূরা আর-রহমান তিলাওয়াতে সুস্থ হলেন পাকিস্তানি অভিনেতা নওমান ইজাজ এইমাত্রঅন্যান্য নিয়মিত সূরা আর-রহমান তিলাওয়াতে সুস্থ হলেন পাকিস্তানি অভিনেতা নওমান ইজাজ মেধাবী তরুণদের হাত ধরেই বৈষম্যহীন মানবিক রাষ্ট্র গড়ে উঠবে: সাঈদ আল নোমান এমপি এইমাত্রঅন্যান্য মেধাবী তরুণদের হাত ধরেই বৈষম্যহীন মানবিক রাষ্ট্র গড়ে উঠবে: সাঈদ আল নোমান এমপি ‘৪৮ ঘণ্টায় আমার বিরুদ্ধে ১০৯টি উদ্দেশ্যমূলক নিউজ হয়েছে, কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি’ এইমাত্রঅন্যান্য ‘৪৮ ঘণ্টায় আমার বিরুদ্ধে ১০৯টি উদ্দেশ্যমূলক নিউজ হয়েছে, কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি’ চট্টগ্রামে প্লাস্টিক বর্জ্যের বিনিময়ে মিলছে চিড়িয়াখানায় প্রবেশের সুযোগ এইমাত্রঅন্যান্য চট্টগ্রামে প্লাস্টিক বর্জ্যের বিনিময়ে মিলছে চিড়িয়াখানায় প্রবেশের সুযোগ পদত্যাগ করেছেন জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসান এইমাত্রঅন্যান্য পদত্যাগ করেছেন জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসান সাড়ে পাঁচ মাস পর দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস এইমাত্রঅন্যান্য সাড়ে পাঁচ মাস পর দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস
বাংলাদেশ

আন্দোলনে গুলির নির্দেশ দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা

প্রতিবেদক: স্টাফ রিপোর্টার, বাংলা ব্রিফ
আন্দোলনে গুলির নির্দেশ দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা

গত বছরের জুলাই-আগস্টে চলমান কোটাবিরোধী আন্দোলনে গুলি করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সম্প্রতি ফাঁস হওয়া একটি অডিও রেকর্ডিং এর বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি। 

ফাঁস হওয়া রেকর্ডিংটি যাচাই করে বিবিসি জানিয়েছে, শেখ হাসিনা তার নিরাপত্তা বাহিনীগুলোকে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে ‘প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার’ করার অনুমতি দিয়েছেন এবং ‘তারা (এসব বাহিনীর সদস্যরা) যেখানেই তাদের (আন্দোলনকারী) পাবে, তারা গুলি করবে’।

অজ্ঞাত একজন ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তার সঙ্গে শেখ হাসিনার কথোপকথনের ফাঁস হওয়া অডিওটি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ যে, তিনি সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের গুলি করার জন্য সরাসরি অনুমতি দিয়েছিলেন।

ফাঁস হওয়া অডিওটি সম্পর্কে জানেন এমন একটি সূত্র বিবিসিকে জানিয়েছে, গত ১৮ জুলাই নিজের সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে শেখ হাসিনা ওই ফোনালাপটি করেন। রেকর্ডিংয়ের কণ্ঠের সঙ্গে শেখ হাসিনার কণ্ঠস্বরের মিল শনাক্ত করেছে বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ।

বিবিসি আলাদাভাবে ইয়ারশটের অডিও ফরেনসিক এক্সপার্টদের দিয়ে এই রেকর্ডিংয়ের সত্যতা যাচাই করেছে এবং তারা এটিতে এডিট করার বা কোনো রকম পরিবর্তন করার কোনো প্রমাণ পায়নি। অডিওটি কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হয়েছে এমন সম্ভাবনাও খুবই কম বলে তারা জানিয়েছে।

মানবাধিকার বা পরিবেশ রক্ষার ইস্যুতে অডিও সংক্রান্ত তদন্তের কাজ করে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ইয়ারশট। তারা বলছে, ফাঁস হওয়া রেকর্ডিংটি সম্ভবত এমন একটি ঘরে ধারণ করা হয়েছিল যেখানে ফোন কলটি স্পিকারে বাজানো হয়েছিল। কারণ এতে স্বতন্ত্র টেলিফোনিক ফ্রিকোয়েন্সি এবং ব্যাকগ্রাউন্ডে কিছু শব্দ ছিল।

ইয়ারশটের বিশেষজ্ঞরা রেকর্ডিংজুড়ে ইলেকট্রিক নেটওয়ার্ক ফ্রিকোয়েন্সি বা ইএনএফ শনাক্ত করেছে, যে ফ্রিকোয়েন্সি অন্য একটি ডিভাইস থেকে অডিও রেকর্ডিংয়ের ক্ষেত্রে প্রায়ই উপস্থিত থাকে।

এটি এমন এক সূচক যার মানে হলো অডিওটিতে হেরফের করা হয়নি।

 

তারা শেখ হাসিনার বক্তব্যে ছন্দ, স্বর এবং শ্বাসের শব্দ বিশ্লেষণ করেছে এবং ধারাবাহিক নয়েজের স্তরও শনাক্ত করেছে। অডিওতে কৃত্রিম কোনো পরিবর্তন আনার প্রমাণও খুঁজে পায়নি।

ব্রিটিশ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনজীবী টবি ক্যাডম্যান বিবিসিকে বলেছেন, ‘রেকর্ডিংগুলো তার (শেখ হাসিনার) ভূমিকা প্রমাণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এগুলো স্পষ্ট এবং সঠিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে এবং অন্যান্য প্রমাণ দ্বারা সমর্থিত।’

তিনি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) পরামর্শক হিসেবে কাজ করছেন যেখানে শেখ হাসিনাসহ অন্যদের বিরুদ্ধে মামলা চলছে।

আওয়ামী লীগের একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘বিবিসির উল্লেখ করা টেপ রেকর্ডিংটি সত্য কিনা তা আমরা নিশ্চিত করতে পারছি না’।