মূল লেখায় যান
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ৫:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
আন্তর্জাতিক

দক্ষিণ গাজায় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

প্রতিবেদক: স্টাফ রিপোর্টার, বাংলা ব্রিফ
দক্ষিণ গাজায় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। রোববার গাজার দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান থেকে অন্তত দু’বার হামলা চালানো হয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

যদিও ইসরায়েলের এক সামরিক কর্মকর্তা ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন ও ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর হামলার অভিযোগ করেছেন।

ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে প্রত্যক্ষদর্শী দুই ফিলিস্তিনি বলেছেন, দক্ষিণ রাফাহ শহরের ইসরায়েল-নিয়ন্ত্রিত এলাকায় সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে সংঘর্ষের পর ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান থেকে দু’বার হামলা চালানো হয়েছে।

ইসরায়েলি ওই কর্মকর্তা বিমান হামলার বিষয়টি নিশ্চিত না করলেও বলেছেন, হামাসের যোদ্ধারা ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর হামলা করেছেন। তারা ইসরায়েলি সৈন্যদের লক্ষ্য করে স্নাইপার থেকে গুলি ছুড়েছেন এবং রকেটচালিত গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছেন।

তিনি বলেন, দু’টি ঘটনাই ইয়েলো লাইনের পূর্ব দিকে ইসরায়েল-নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ঘটেছে। এটি যুদ্ধবিরতির স্পষ্ট লঙ্ঘন।

ইসরায়েলি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাফাহসহ দক্ষিণ গাজার বিভিন্ন স্থানে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। ইসরায়েলের টেলিভিশন চ্যানেল ১২ বলেছে, দক্ষিণ গাজার সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজের মধ্যে ফোনালাপ চলছে।

ইসরায়েলের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, হামাস সদস্যদের সঙ্গে সৈন্যদের গুলি বিনিময়ের পর দক্ষিণ গাজায় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী।

কাতার-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলেছে, গাজার রাফাহ এলাকায় হামাস যোদ্ধা ও ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। এছাড়া একটি বিস্ফোরক ডিভাইস (আইইডি) বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। আইইডি বিস্ফোরণে সেখানে ক্ষয়ক্ষতি ও ইসরায়েলি সৈন্যরা আহত হয়েছেন।

গাজায় যুদ্ধ চলাকালীন ইসরায়েলি সৈন্যদের সঙ্গে কাজ করা একটি গোষ্ঠীর সদস্যদের বিরুদ্ধে হামাসের অভিযান ঘিরে নতুন করে এই সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। ইসরায়েলি সৈন্যদের সহায়তা করায় ওই গোষ্ঠীর সদস্যদের অত্যন্ত ঘৃণিত বলে মনে করেন ফিলিস্তিনিরা। সশস্ত্র ওই মিলিশিয়া গোষ্ঠীর সদস্যদের হামাস খুঁজছে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।