মূল লেখায় যান
শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬, ৩:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ছাত্ররাজনীতি থেকে রাষ্ট্রপতি হওয়ার পথে মির্জা ফখরুল এইমাত্রঅন্যান্য ছাত্ররাজনীতি থেকে রাষ্ট্রপতি হওয়ার পথে মির্জা ফখরুল পরমাণু হামলা হলে বিশ্বজুড়ে সব মার্কিন ঘাঁটি দখলের হুমকি ইরানের এইমাত্রঅন্যান্য পরমাণু হামলা হলে বিশ্বজুড়ে সব মার্কিন ঘাঁটি দখলের হুমকি ইরানের বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত এইমাত্রঅন্যান্য বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বিশ্বসেরা ৩ দলের বিপক্ষে হাসান মাহমুদের অনন্য কীর্তি এইমাত্রঅন্যান্য বিশ্বসেরা ৩ দলের বিপক্ষে হাসান মাহমুদের অনন্য কীর্তি খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ পার্কে যুক্ত হলো জায়ান্ট সুইং, জিপ লাইন ও কিডস জোন এইমাত্রঅন্যান্য খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ পার্কে যুক্ত হলো জায়ান্ট সুইং, জিপ লাইন ও কিডস জোন স্কুলছাত্রীকে শ্লীলতাহানি: শিক্ষক রাকিবুলের অপকর্ম ঢাকতে 'সালিশের' উদ্যোগ এইমাত্রঅন্যান্য স্কুলছাত্রীকে শ্লীলতাহানি: শিক্ষক রাকিবুলের অপকর্ম ঢাকতে 'সালিশের' উদ্যোগ বগুড়ায় আবাসিক হোটেল থেকে স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার: হত্যা নাকি আত্মহত্যা? এইমাত্রঅন্যান্য বগুড়ায় আবাসিক হোটেল থেকে স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার: হত্যা নাকি আত্মহত্যা? রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অলি আহমদের নামে দুটি মনোনয়নপত্র কেন এইমাত্রঅন্যান্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অলি আহমদের নামে দুটি মনোনয়নপত্র কেন
অন্যান্য

হরমুজের আকাশে ৩ কোটি ডলারের মার্কিন ড্রোন ধ্বংস করল ইরান

প্রতিবেদক:
হরমুজের আকাশে ৩ কোটি ডলারের মার্কিন ড্রোন ধ্বংস করল ইরান

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির আকাশসীমায় একটি মার্কিন এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন শনাক্ত করে ধ্বংস করা হয়েছে।

ইরনা’র বরাতে পার্সটুডে জানায়, আজ (সোমবার) আইআরজিসি এক বিবৃতিতে বলেছে, আইআরজিসির মহাকাশ বাহিনীর উন্নত ও আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থেকে নিক্ষিপ্ত গোলার মাধ্যমে হরমুজ প্রণালির আকাশে একটি এমকিউ-৯ ড্রোনকে শনাক্ত, লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত এবং আঘাত করা হয়।

প্রতিটি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোনের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের খরচ হয় প্রায় ৩ কোটি মার্কিন ডলার বা সাড়ে ৩০০ কোটি টাকারও বেশি। 

পেন্টাগনের বাজেট নথি অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির শেষভাগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যখন ইরানের বিরুদ্ধে সংঘাত শুরু করে, তখন মার্কিন বাহিনীর কাছে মোট প্রায় ২৫০টি এমকিউ-৯ রিপার সরবরাহ করা ছিল। এর মধ্যে বিমানবাহিনীর অধীনে ছিল ২০৬টি, যার সক্রিয় বা যুদ্ধ-প্রস্তুত বহরে ছিল আনুমানিক ১৫৫টি ড্রোন। বাকিগুলো ছিল মেরিন কর্পস ও এয়ার ন্যাশনাল গার্ডের অধীনে। এই সক্রিয় ১৫৫টি ড্রোনের ওপর সংঘাতের প্রথম কয়েক মাসেই ভয়াবহ ধস নামে। সংঘাত শুরু হওয়ার ৮৩ দিনের মাথায়, মে মাসের শেষের দিকে ব্লুমবার্গ এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে সরাসরি পেন্টাগনের সূত্রের বরাতে জানায়, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরান অন্তত ৩০টি সক্রিয় রিপার ধ্বংস করেছে।