মূল লেখায় যান
বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২৬, ৪:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
অর্থনৈতিক জরিপেও পিছিয়ে ট্রাম্প: প্রভাব ফেলতে পারে মধ্যবর্তী নির্বাচনে এইমাত্রঅন্যান্য অর্থনৈতিক জরিপেও পিছিয়ে ট্রাম্প: প্রভাব ফেলতে পারে মধ্যবর্তী নির্বাচনে আড়াই লাখের বেশি ইমাম-মুয়াজ্জিন ও ধর্মীয় কর্মী পাচ্ছেন মাসিক সম্মানি এইমাত্রঅন্যান্য আড়াই লাখের বেশি ইমাম-মুয়াজ্জিন ও ধর্মীয় কর্মী পাচ্ছেন মাসিক সম্মানি নবম জাতীয় পে-স্কেল নিয়ে নতুন দুঃসংবাদ, বাড়ছে হতাশা এইমাত্রঅন্যান্য নবম জাতীয় পে-স্কেল নিয়ে নতুন দুঃসংবাদ, বাড়ছে হতাশা জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল: প্রধানমন্ত্রী এইমাত্রঅন্যান্য জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল: প্রধানমন্ত্রী চুড়ি'র ব্যবসার আড়ালে প্রতারণার ফাঁদ, আবারও সক্রিয় হচ্ছেন নওশীন এইমাত্রঅন্যান্য চুড়ি'র ব্যবসার আড়ালে প্রতারণার ফাঁদ, আবারও সক্রিয় হচ্ছেন নওশীন ৫ লাখ না দিলে রিপন মিয়ার বাড়ি সেই কিশোরীর, আরো যা যা ঘটলো এইমাত্রঅন্যান্য ৫ লাখ না দিলে রিপন মিয়ার বাড়ি সেই কিশোরীর, আরো যা যা ঘটলো সরকার পতনের চূড়ান্ত আন্দোলনের সময় এখনো আসেনি: ডা. তাহের এইমাত্রঅন্যান্য সরকার পতনের চূড়ান্ত আন্দোলনের সময় এখনো আসেনি: ডা. তাহের জুলাই আন্দোলনে জাতিকে চরম ত্যাগ ও রক্তমূল্য দিতে হয়েছে: জামায়াত আমির এইমাত্রঅন্যান্য জুলাই আন্দোলনে জাতিকে চরম ত্যাগ ও রক্তমূল্য দিতে হয়েছে: জামায়াত আমির
অন্যান্য

হরমুজের আকাশে ৩ কোটি ডলারের মার্কিন ড্রোন ধ্বংস করল ইরান

প্রতিবেদক:
হরমুজের আকাশে ৩ কোটি ডলারের মার্কিন ড্রোন ধ্বংস করল ইরান

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির আকাশসীমায় একটি মার্কিন এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন শনাক্ত করে ধ্বংস করা হয়েছে।

ইরনা’র বরাতে পার্সটুডে জানায়, আজ (সোমবার) আইআরজিসি এক বিবৃতিতে বলেছে, আইআরজিসির মহাকাশ বাহিনীর উন্নত ও আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থেকে নিক্ষিপ্ত গোলার মাধ্যমে হরমুজ প্রণালির আকাশে একটি এমকিউ-৯ ড্রোনকে শনাক্ত, লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত এবং আঘাত করা হয়।

প্রতিটি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোনের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের খরচ হয় প্রায় ৩ কোটি মার্কিন ডলার বা সাড়ে ৩০০ কোটি টাকারও বেশি। 

পেন্টাগনের বাজেট নথি অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির শেষভাগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যখন ইরানের বিরুদ্ধে সংঘাত শুরু করে, তখন মার্কিন বাহিনীর কাছে মোট প্রায় ২৫০টি এমকিউ-৯ রিপার সরবরাহ করা ছিল। এর মধ্যে বিমানবাহিনীর অধীনে ছিল ২০৬টি, যার সক্রিয় বা যুদ্ধ-প্রস্তুত বহরে ছিল আনুমানিক ১৫৫টি ড্রোন। বাকিগুলো ছিল মেরিন কর্পস ও এয়ার ন্যাশনাল গার্ডের অধীনে। এই সক্রিয় ১৫৫টি ড্রোনের ওপর সংঘাতের প্রথম কয়েক মাসেই ভয়াবহ ধস নামে। সংঘাত শুরু হওয়ার ৮৩ দিনের মাথায়, মে মাসের শেষের দিকে ব্লুমবার্গ এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে সরাসরি পেন্টাগনের সূত্রের বরাতে জানায়, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরান অন্তত ৩০টি সক্রিয় রিপার ধ্বংস করেছে।