মূল লেখায় যান
বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২৬, ৫:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
অর্থনৈতিক জরিপেও পিছিয়ে ট্রাম্প: প্রভাব ফেলতে পারে মধ্যবর্তী নির্বাচনে এইমাত্রঅন্যান্য অর্থনৈতিক জরিপেও পিছিয়ে ট্রাম্প: প্রভাব ফেলতে পারে মধ্যবর্তী নির্বাচনে আড়াই লাখের বেশি ইমাম-মুয়াজ্জিন ও ধর্মীয় কর্মী পাচ্ছেন মাসিক সম্মানি এইমাত্রঅন্যান্য আড়াই লাখের বেশি ইমাম-মুয়াজ্জিন ও ধর্মীয় কর্মী পাচ্ছেন মাসিক সম্মানি নবম জাতীয় পে-স্কেল নিয়ে নতুন দুঃসংবাদ, বাড়ছে হতাশা এইমাত্রঅন্যান্য নবম জাতীয় পে-স্কেল নিয়ে নতুন দুঃসংবাদ, বাড়ছে হতাশা জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল: প্রধানমন্ত্রী এইমাত্রঅন্যান্য জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল: প্রধানমন্ত্রী চুড়ি'র ব্যবসার আড়ালে প্রতারণার ফাঁদ, আবারও সক্রিয় হচ্ছেন নওশীন এইমাত্রঅন্যান্য চুড়ি'র ব্যবসার আড়ালে প্রতারণার ফাঁদ, আবারও সক্রিয় হচ্ছেন নওশীন ৫ লাখ না দিলে রিপন মিয়ার বাড়ি সেই কিশোরীর, আরো যা যা ঘটলো এইমাত্রঅন্যান্য ৫ লাখ না দিলে রিপন মিয়ার বাড়ি সেই কিশোরীর, আরো যা যা ঘটলো সরকার পতনের চূড়ান্ত আন্দোলনের সময় এখনো আসেনি: ডা. তাহের এইমাত্রঅন্যান্য সরকার পতনের চূড়ান্ত আন্দোলনের সময় এখনো আসেনি: ডা. তাহের জুলাই আন্দোলনে জাতিকে চরম ত্যাগ ও রক্তমূল্য দিতে হয়েছে: জামায়াত আমির এইমাত্রঅন্যান্য জুলাই আন্দোলনে জাতিকে চরম ত্যাগ ও রক্তমূল্য দিতে হয়েছে: জামায়াত আমির
অন্যান্য

ইরান যুদ্ধে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত প্রায় শেষ যুক্তরাষ্ট্রের

প্রতিবেদক:
ইরান যুদ্ধে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত প্রায় শেষ যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানের সঙ্গে পাঁচ মাসের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র তাদের দীর্ঘপাল্লার নির্ভুল হামলার সক্ষমতাসম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্রের মজুতের বড় অংশ ব্যবহার করে ফেলেছে। এতে ভবিষ্যতে নতুন কোনো সংঘাত শুরু হলে মার্কিন সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিনটি সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী আর্মি ট্যাকটিক্যাল মিসাইল সিস্টেম (ATACMS) এবং প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল (PrSM)-এর প্রায় পুরো মজুতই ব্যবহার করেছে। দুটি সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, এই দুই ধরনের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের ‘প্রায় সবই’ ইতোমধ্যে ব্যবহৃত হয়েছে।

এছাড়া একটি সূত্র জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র তাদের বৈশ্বিক টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের মোট মজুতের প্রায় অর্ধেকও ব্যবহার করেছে। তবে রয়টার্স স্বাধীনভাবে এ তথ্য যাচাই করতে পারেনি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, একেকটি ATACMS ও PrSM ক্ষেপণাস্ত্রের দাম ১০ লাখ মার্কিন ডলারেরও বেশি। এগুলো নিরাপদ দূরত্ব থেকে অত্যন্ত নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম হওয়ায় মার্কিন সেনাবাহিনীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র হিসেবে বিবেচিত হয়।

সূত্রগুলো আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছে, ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত দ্রুত কমে যাওয়ায় ভবিষ্যতে রাশিয়া বা চীনের মতো প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরোধ সক্ষমতা দুর্বল হতে পারে। একই সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নিলে তাকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের বদলে ঝুঁকিপূর্ণ মানবচালিত বোমারু অভিযানের ওপর বেশি নির্ভর করতে হতে পারে।

তবে হোয়াইট হাউস এসব উদ্বেগ উড়িয়ে দিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এক বিবৃতিতে বলেন, “বিশ্বের অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অনেক বেশি গোলাবারুদ রয়েছে—আমাদের প্রয়োজনেরও বেশি। একই সঙ্গে আমাদের প্রতিরক্ষা কোম্পানিগুলো ইতিহাসের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন বেশি পরিমাণে অস্ত্র উৎপাদন করছে এবং উৎপাদন সক্ষমতাও রেকর্ড হারে বাড়ানো হচ্ছে।”

অন্যদিকে পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পারনেল বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বাহিনী এবং প্রেসিডেন্ট যখন, যেখানে প্রয়োজন মনে করবেন, সেখানে অভিযান পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সব সক্ষমতাই তাদের রয়েছে।”

রয়টার্সের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে ট্রাম্প প্রশাসনের অভ্যন্তরে ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত নিয়ে উদ্বেগপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। একই সময়ে কিছু মার্কিন কর্মকর্তা প্রেসিডেন্টকে সতর্ক করেছেন যে, প্যাট্রিয়ট ও THAAD ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ইন্টারসেপ্টরের মজুতও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে।

এদিকে সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (CSIS)-এর সাম্প্রতিক এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাইয়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের প্রায় ৬৫ শতাংশ এবং THAAD ইন্টারসেপ্টরের অন্তত ৩৮ শতাংশ ব্যবহার করেছে। রয়টার্সের সঙ্গে কথা বলা দুটি সূত্র জানিয়েছে, অভ্যন্তরীণ মার্কিন তথ্যও এই হিসাবের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।