মূল লেখায় যান
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মানিকছড়িতে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন এইমাত্রঅন্যান্য মানিকছড়িতে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন বিশ্বের প্রথম ক্যাজ-ফ্রেম ডিজাইন করা স্মার্টফোন নিয়ে বাজারে এলো আইটেল পাওয়ার ৮০ এইমাত্রঅন্যান্য বিশ্বের প্রথম ক্যাজ-ফ্রেম ডিজাইন করা স্মার্টফোন নিয়ে বাজারে এলো আইটেল পাওয়ার ৮০ শ্যামনগরে এমপি নজরুলের বিচার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও পুত্তলিকা দাহ এইমাত্রঅন্যান্য শ্যামনগরে এমপি নজরুলের বিচার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও পুত্তলিকা দাহ এমপি নজরুল ও প্রথম স্ত্রীর ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন এইমাত্রঅন্যান্য এমপি নজরুল ও প্রথম স্ত্রীর ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন নজরুলের ঘটনায় জামায়াতের প্রতিক্রিয়া: ‘তিনি জামায়াতের কেউ নন’ এইমাত্রঅন্যান্য নজরুলের ঘটনায় জামায়াতের প্রতিক্রিয়া: ‘তিনি জামায়াতের কেউ নন’ বাউফলে স্কুলে ডিমের গরম পানিতে ঝলসে গেল শিক্ষার্থী এইমাত্রঅন্যান্য বাউফলে স্কুলে ডিমের গরম পানিতে ঝলসে গেল শিক্ষার্থী গুরুদাসপুরে গ্রামপুলিশের পোষাকসহ বিভিন্ন উপকরণ পেলেন অস্বচ্ছলরা এইমাত্রঅন্যান্য গুরুদাসপুরে গ্রামপুলিশের পোষাকসহ বিভিন্ন উপকরণ পেলেন অস্বচ্ছলরা নজরুলের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর নেপথ্যে শ্যালক ওবায়দুর: মরিয়মের বাবা এইমাত্রঅন্যান্য নজরুলের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর নেপথ্যে শ্যালক ওবায়দুর: মরিয়মের বাবা
অন্যান্য

মসজিদুল হারামে শেষ আজান, মারা গেলেন মুয়াজ্জিন শেখ ইব্রাহিম

প্রতিবেদক:
মসজিদুল হারামে শেষ আজান, মারা গেলেন মুয়াজ্জিন শেখ ইব্রাহিম

মক্কার পবিত্র গ্র্যান্ড মসজিদের (মসজিদুল হারাম) মুয়াজ্জিন শেখ ইব্রাহিম আল-মাদানি মারা গেছেন। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ভোরে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে ‘ইনসাইড দ্য হারামাইন’।

মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে সোমবার ফজরের প্রথম আজান দিয়েছিলেন শেখ ইব্রাহিম। মসজিদুল হারামে সেটিই ছিল তার জীবনের শেষ আজান।

‘ইনসাইড দ্য হারামাইন’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার শেষ আজানের ভিডিও প্রকাশ করেছে। সেখানে সোমবার ভোরে তাকে মসজিদুল হারামে আজান দিতে দেখা যায়।

সোমবার আসরের নামাজের পর মসজিদুল হারামেই শেখ ইব্রাহিম আল-মাদানির জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে মক্কার আল-মুয়াল্লা কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

১৫ বছর বয়সে মুয়াজ্জিনের দায়িত্ব
১৯৭৬ সালে মদিনায় জন্মগ্রহণ করেন শেখ ইব্রাহিম আল-মাদানি। ধর্মীয় পরিবেশে বেড়ে ওঠা এই মুয়াজ্জিনের ওপর তার কোরআনের হাফেজ দাদার গভীর প্রভাব ছিল। তিনি কোরআন বিষয়ে উচ্চশিক্ষাও গ্রহণ করেন।

মাত্র ১৫ বছর বয়সে মদিনার একটি স্থানীয় মসজিদে আজান দেওয়ার মাধ্যমে মুয়াজ্জিন হিসেবে তার যাত্রা শুরু হয়। কলেজে পড়াশোনা শেষ করা পর্যন্ত তিনি কয়েকজন প্রতিবেশী মুয়াজ্জিনের সঙ্গে পালাক্রমে আজান দেওয়ার দায়িত্ব পালন করেন।

পরে মদিনার বাইরে শিক্ষকতার দায়িত্বের কারণে কিছু সময় আজান দেওয়া থেকে বিরত থাকেন। ২০০৭-০৮ সালের দিকে তিনি আবার মদিনার মসজিদ আল-মাদ্দাহতে আজান দেওয়ার দায়িত্ব নেন।

এরপর মসজিদুল হারামে মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পান তিনি। ২০১৭-১৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদের মুয়াজ্জিন হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

মদিনায় বেড়ে ওঠার কারণে তার আজানের ধরনে মদিনার ঐতিহ্যবাহী রীতির প্রভাব ছিল। পাশাপাশি বাবার সঙ্গে মক্কা সফরের সময় গ্র্যান্ড মসজিদের সাবেক মুয়াজ্জিন শেখ আবদুল লতিফ মুল্লার কাছ থেকে মক্কার আজানের স্বাতন্ত্র্যপূর্ণ রীতির সঙ্গেও পরিচিত হন তিনি।

সূত্র-khaleejtimes