মূল লেখায় যান
রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজারের দাবিতে আজও উত্তাল মিরপুর এইমাত্রঅন্যান্য ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজারের দাবিতে আজও উত্তাল মিরপুর পত্রিকা ছেঁড়ার ঘটনায় রাশেদ খানের সমালোচনায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এইমাত্রঅন্যান্য পত্রিকা ছেঁড়ার ঘটনায় রাশেদ খানের সমালোচনায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণের পরিকল্পনা বিপাশা হায়াতের এইমাত্রঅন্যান্য মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণের পরিকল্পনা বিপাশা হায়াতের মাদ্রাসা বোর্ডে দেশের শীর্ষে দারুননাজাত, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৯২ শিক্ষার্থী এইমাত্রঅন্যান্য মাদ্রাসা বোর্ডে দেশের শীর্ষে দারুননাজাত, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৯২ শিক্ষার্থী হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ায় তাহসিফকে হত্যা, সন্দেহ রাষ্ট্রপক্ষের এইমাত্রঅন্যান্য হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ায় তাহসিফকে হত্যা, সন্দেহ রাষ্ট্রপক্ষের মিলানে অশ্রুসিক্ত কিংবদন্তি কাকা, পেলেন বিরল সম্মাননা এইমাত্রঅন্যান্য মিলানে অশ্রুসিক্ত কিংবদন্তি কাকা, পেলেন বিরল সম্মাননা ইয়ামাল-রাফিনিয়ার জোড়া গোল, আলাভেসকে উড়িয়ে শীর্ষে ফিরল বার্সা এইমাত্রঅন্যান্য ইয়ামাল-রাফিনিয়ার জোড়া গোল, আলাভেসকে উড়িয়ে শীর্ষে ফিরল বার্সা নেতানিয়াহুবিরোধী জোট সরকার গঠনের দাবিতে বিক্ষোভ এইমাত্রঅন্যান্য নেতানিয়াহুবিরোধী জোট সরকার গঠনের দাবিতে বিক্ষোভ
অন্যান্য

মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণের পরিকল্পনা বিপাশা হায়াতের

প্রতিবেদক:
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণের পরিকল্পনা বিপাশা হায়াতের

মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও আবেগকে পর্দায় তুলে ধরতে চলচ্চিত্র নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন অভিনেত্রী ও নাট্যকার বিপাশা হায়াত। তিনি জানিয়েছেন, চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর। এটি নির্মাণের পেছনে তাঁর উদ্দেশ্য চলচ্চিত্রকার হওয়া নয়, বরং মুক্তিযুদ্ধের সন্তান হিসেবে ইতিহাসের প্রতি নিজের দায়িত্ব পালন করা।

বিপাশা হায়াতের ভাষ্য অনুযায়ী, বেঁচে থাকলে আগামী তিন বছরের মধ্যে তিনি এই চলচ্চিত্রের কাজ শুরু করতে চান। মুক্তিযুদ্ধের গল্প ও সেই সময়ের আবেগ যেন হারিয়ে না যায়, তা সংরক্ষণ করতেই তাঁর এই উদ্যোগ।

তিনি বলেন, ‘আমি এই চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করতে চাই চলচ্চিত্রকার হওয়ার জন্য নয়, দায়িত্ববোধ থেকে। আমি মুক্তিযুদ্ধের সন্তান।’

১৯৭১ সালে জন্ম নেওয়া বিপাশা হায়াত বলেন, তিনি যেখানেই থাকুন না কেন, নিজেকে বাংলাদেশের মানুষ হিসেবেই মনে করেন। ভবিষ্যতে দেশে ফিরে আসার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি তিনি।

তাঁর কাছে এই চলচ্চিত্র হবে জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ ও ভাবনার একটি প্রকাশ। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং এর আবেগকে বাঁচিয়ে রাখাই হবে চলচ্চিত্রটির মূল লক্ষ্য।