মূল লেখায় যান
বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬, ১:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করল ইরান এইমাত্রঅন্যান্য যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করল ইরান আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচ ও ভিএআর বিতর্ক: মুখ খুললেন ফিফা সভাপতি এইমাত্রঅন্যান্য আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচ ও ভিএআর বিতর্ক: মুখ খুললেন ফিফা সভাপতি পঞ্চগড়ে কৃষি ব্যাংকে সাংবাদিক লাঞ্চিতের ঘটনায় তদন্ত কমিটি এইমাত্রঅন্যান্য পঞ্চগড়ে কৃষি ব্যাংকে সাংবাদিক লাঞ্চিতের ঘটনায় তদন্ত কমিটি শীর্ষস্থান হারাল আর্জেন্টিনা এইমাত্রঅন্যান্য শীর্ষস্থান হারাল আর্জেন্টিনা সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য হলেন কুড়িগ্রাম-১ আসনের এমপি এইমাত্রঅন্যান্য সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য হলেন কুড়িগ্রাম-১ আসনের এমপি নতুন দায়িত্ব পেলেন ৭ মন্ত্রী এইমাত্রঅন্যান্য নতুন দায়িত্ব পেলেন ৭ মন্ত্রী বরগুনায় আন্তর্জাতিক কমিউনিটি প্যারামেডিক দিবস ও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত এইমাত্রঅন্যান্য বরগুনায় আন্তর্জাতিক কমিউনিটি প্যারামেডিক দিবস ও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাংকের আমানতকারীরা সুদসহ টাকা ফেরত পাবেন: অর্থমন্ত্রী এইমাত্রঅন্যান্য ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাংকের আমানতকারীরা সুদসহ টাকা ফেরত পাবেন: অর্থমন্ত্রী
অন্যান্য

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাংকের আমানতকারীরা সুদসহ টাকা ফেরত পাবেন: অর্থমন্ত্রী

প্রতিবেদক:
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাংকের আমানতকারীরা সুদসহ টাকা ফেরত পাবেন: অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, দেশের ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাংকগুলোর কোনো আমানতকারীর অর্থে ‘হেয়ারকাট’ হবে না। সব আমানতকারী তাদের মূল অর্থের পাশাপাশি সুদও ফেরত পাবেন। তবে লোকসানে থাকা ব্যাংকগুলোর আর্থিক অবস্থার কারণে পুরো প্রক্রিয়ায় কিছুটা সময় লাগবে।

বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদে এক জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশের জবাবে তিনি বলেন, সরকার আর্থিক খাতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা, আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং ব্যাংকিং খাত থেকে পাচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারে সমন্বিত আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো হেয়ারকাট হবে না। আমানতকারীরা তাদের টাকা ও সুদ—দুটিই ফেরত পাবেন। আমি এ বিষয়ে নিশ্চয়তা দিচ্ছি।’ তবে তিনি আমানতকারীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাংকগুলো প্রতিনিয়ত লোকসানে থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে সব অর্থ পরিশোধ সম্ভব নয়।

তিনি জানান, ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে সরকার ব্যাংক রেজ্যুলেশন আইন, ২০২৬ প্রণয়ন করেছে। এ আইনের আওতায় আর্থিকভাবে দুর্বল পাঁচটি ব্যাংক—এক্সিম ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংককে একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি গঠন করা হয়েছে। একীভূত হওয়া ব্যাংকগুলোর সব আমানতকারীর স্বার্থ সুরক্ষিত রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এ ছাড়া আমানত সুরক্ষা আইন, ২০২৬ অনুযায়ী বীমাকৃত আমানতের সীমা ১ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ লাখ টাকা করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাংকের আমানতকারীরা ধাপে ধাপে তাদের অর্থ ফেরত পাচ্ছেন বলেও জানান অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, পাঁচটি ব্যাংকের ঋণ অনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতির ঘটনায় বিশেষ ফরেনসিক নিরীক্ষা চলছে। দায়ীদের সম্পদ জব্দ ও বিক্রির মাধ্যমে আমানতকারীদের অর্থ উদ্ধার এবং বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে সরকার আইনগত পদক্ষেপ নিয়েছে। এ লক্ষ্যে ‘নো উইন, নো ফি’ ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক আইন প্রতিষ্ঠানও নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার ব্যাংকিং ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে এবং আমানতকারীরা তাদের মূল অর্থ ও সুদ—উভয়ই ফেরত পাবেন, তবে এ জন্য কিছুটা সময় প্রয়োজন।