মূল লেখায় যান
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বদলি বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে, অনড় জামালপুর নার্সিং শিক্ষার্থীরা এইমাত্রঅন্যান্য বদলি বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে, অনড় জামালপুর নার্সিং শিক্ষার্থীরা বরগুনায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি ডিআইজির এইমাত্রঅন্যান্য বরগুনায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি ডিআইজির সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ও পরিবারের ৮৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ এইমাত্রঅন্যান্য সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ও পরিবারের ৮৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ ধর্ষণ প্রতিরোধে বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার কঠিন পরীক্ষা এইমাত্রঅন্যান্য ধর্ষণ প্রতিরোধে বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার কঠিন পরীক্ষা হরমুজে ডুবল পণ্যবাহী জাহাজ, সাগরে ভাসছে আইফোন ও দামি সুগন্ধি এইমাত্রঅন্যান্য হরমুজে ডুবল পণ্যবাহী জাহাজ, সাগরে ভাসছে আইফোন ও দামি সুগন্ধি ফরিদপুরে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের দায়ে যুবকের মৃত্যুদণ্ড এইমাত্রঅন্যান্য ফরিদপুরে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের দায়ে যুবকের মৃত্যুদণ্ড সখীপুরে ১৩ বছরের কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২ এইমাত্রঅন্যান্য সখীপুরে ১৩ বছরের কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২ শারদীয় দুর্গাপূজা: নড়াইলে ৫৪৩টি মণ্ডপে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্ততি এইমাত্রঅন্যান্য শারদীয় দুর্গাপূজা: নড়াইলে ৫৪৩টি মণ্ডপে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্ততি
খেলা

স্ত্রীকে ক্ষমা করে দিতে বলেছিলেন মাহমুদউল্লাহ

প্রতিবেদক: স্টাফ রিপোর্টার, বাংলা ব্রিফ
স্ত্রীকে ক্ষমা করে দিতে বলেছিলেন মাহমুদউল্লাহ

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর যেন মৃত্যুকে খুব কাছ থেকে দেখা হয়ে গিয়েছিল মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের। দেশে এখন মহামারি ডেঙ্গুতে প্রতিদিনই শোনা যাচ্ছে মৃত্যুর খবর। সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার স্মৃতি তুলে ধরেছেন মাহমুদউল্লাহর স্ত্রী জান্নাতুল কাওসার মিষ্টি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ব্যক্তিগত প্রোফাইলে কার্ডিওথোরাসিক হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটের (সিএইচডিউ) একটি ছবি পোস্ট করেছেন মিষ্টি। ছবিটির সঙ্গে তিনি লিখেছেন গত সপ্তাহের সেই দুঃসহ সময়ের কথা।

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের স্ত্রী নিজের সেই স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘এই দরজার সামনে আল্লাহ আর কখনো দাঁড় না করাক। এটা ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে কঠিন আর ভয়ংকর সময় (27/10/2025)। এই দরজার ভিতরে ঢুকার আগে সে যখন আমাকে বললো আমি যেন তাকে ক্ষমা করে দেই, সেটা শুনেও আমি এমন ভান করলাম যেন কিছুই হয়নি, হবেও না ইনশাআল্লাহ। ওই সময় নিজেকে খুব শক্ত করে সামলালাম এখন সেটা ভেবে নিজের কাছেই খুব অবাক লাগছে সেই আমি কিভাবে এতো শক্ত ছিলাম।’

জান্নাতুল কাওসার মিষ্টি আরও যোগ করেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাসী ছিলাম যে আমার আল্লাহ আমাকে সবরের পরীক্ষা করছিলেন, এই পরীক্ষায় আমি উত্তীর্ণ হবোই হব ইনশাআল্লাহ। কিন্তু যতক্ষণ তার পাশে ছিলাম মনে মনে ভয় পাচ্ছিলাম আর ভাবছিলাম তার হায়াত কতটুকু সেটা তো একমাত্র আল্লাহই জানেন। সর্বক্ষণ দোয়া আর জিকিরে কিভাবে যেন সেই কঠিন সময়টুকু পার হয়ে গেল আলহামদুলিল্লাহ, মাশাআল্লাহ। আল্লাহ মহান, পরম দয়ালু। তার দয়ার কাছে আমি চিরকৃতজ্ঞ। মানুষের জীবনে এমন কিছু মুহূর্ত আসে যা কখনো ভোলা যায় না। সেই কঠিন সময়টুকু এখনো বার বার মনে পড়ছে, হয়তো এই ট্রমা কাটতেও সময় লাগবে।’