মূল লেখায় যান
সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬, ৩:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মাগুরার আলোচিত শিশু আছিয়া হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করল হাইকোর্ট এইমাত্রঅন্যান্য মাগুরার আলোচিত শিশু আছিয়া হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করল হাইকোর্ট বাবার এজাহারে ছয়জন, পুলিশের মামলায় অজ্ঞাত এইমাত্রঅন্যান্য বাবার এজাহারে ছয়জন, পুলিশের মামলায় অজ্ঞাত অন্ধত্বের ঝুঁকিতে থাকা মানুষের পাশে তরুণরা, বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা এইমাত্রঅন্যান্য অন্ধত্বের ঝুঁকিতে থাকা মানুষের পাশে তরুণরা, বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা বরের গাড়ি থামিয়ে নববধূ নিয়ে উধাও প্রেমিক এইমাত্রঅন্যান্য বরের গাড়ি থামিয়ে নববধূ নিয়ে উধাও প্রেমিক ‘ইসলাম শ্রেষ্ঠ ধর্ম’ মন্তব্য করে বিজেপির তোপের মুখে ভারতের মন্ত্রী এইমাত্রঅন্যান্য ‘ইসলাম শ্রেষ্ঠ ধর্ম’ মন্তব্য করে বিজেপির তোপের মুখে ভারতের মন্ত্রী ফ্যাশন ডিজাইন থেকে বৈশ্বিক ব্যবসায় নেতৃত্ব, ফারহানা ইমামের ১৮ বছরের পথচলা এইমাত্রঅন্যান্য ফ্যাশন ডিজাইন থেকে বৈশ্বিক ব্যবসায় নেতৃত্ব, ফারহানা ইমামের ১৮ বছরের পথচলা নেত্রকোণায় আর্থিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ এইমাত্রঅন্যান্য নেত্রকোণায় আর্থিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ ফুলবাড়িয়ায় নজরুল বর্ষে উপলক্ষে  আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান  এইমাত্রঅন্যান্য ফুলবাড়িয়ায় নজরুল বর্ষে উপলক্ষে  আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান 
খেলা

স্ত্রীকে ক্ষমা করে দিতে বলেছিলেন মাহমুদউল্লাহ

প্রতিবেদক: স্টাফ রিপোর্টার, বাংলা ব্রিফ
স্ত্রীকে ক্ষমা করে দিতে বলেছিলেন মাহমুদউল্লাহ

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর যেন মৃত্যুকে খুব কাছ থেকে দেখা হয়ে গিয়েছিল মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের। দেশে এখন মহামারি ডেঙ্গুতে প্রতিদিনই শোনা যাচ্ছে মৃত্যুর খবর। সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার স্মৃতি তুলে ধরেছেন মাহমুদউল্লাহর স্ত্রী জান্নাতুল কাওসার মিষ্টি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ব্যক্তিগত প্রোফাইলে কার্ডিওথোরাসিক হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটের (সিএইচডিউ) একটি ছবি পোস্ট করেছেন মিষ্টি। ছবিটির সঙ্গে তিনি লিখেছেন গত সপ্তাহের সেই দুঃসহ সময়ের কথা।

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের স্ত্রী নিজের সেই স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘এই দরজার সামনে আল্লাহ আর কখনো দাঁড় না করাক। এটা ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে কঠিন আর ভয়ংকর সময় (27/10/2025)। এই দরজার ভিতরে ঢুকার আগে সে যখন আমাকে বললো আমি যেন তাকে ক্ষমা করে দেই, সেটা শুনেও আমি এমন ভান করলাম যেন কিছুই হয়নি, হবেও না ইনশাআল্লাহ। ওই সময় নিজেকে খুব শক্ত করে সামলালাম এখন সেটা ভেবে নিজের কাছেই খুব অবাক লাগছে সেই আমি কিভাবে এতো শক্ত ছিলাম।’

জান্নাতুল কাওসার মিষ্টি আরও যোগ করেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাসী ছিলাম যে আমার আল্লাহ আমাকে সবরের পরীক্ষা করছিলেন, এই পরীক্ষায় আমি উত্তীর্ণ হবোই হব ইনশাআল্লাহ। কিন্তু যতক্ষণ তার পাশে ছিলাম মনে মনে ভয় পাচ্ছিলাম আর ভাবছিলাম তার হায়াত কতটুকু সেটা তো একমাত্র আল্লাহই জানেন। সর্বক্ষণ দোয়া আর জিকিরে কিভাবে যেন সেই কঠিন সময়টুকু পার হয়ে গেল আলহামদুলিল্লাহ, মাশাআল্লাহ। আল্লাহ মহান, পরম দয়ালু। তার দয়ার কাছে আমি চিরকৃতজ্ঞ। মানুষের জীবনে এমন কিছু মুহূর্ত আসে যা কখনো ভোলা যায় না। সেই কঠিন সময়টুকু এখনো বার বার মনে পড়ছে, হয়তো এই ট্রমা কাটতেও সময় লাগবে।’