মূল লেখায় যান
সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মাগুরার আলোচিত শিশু আছিয়া হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করল হাইকোর্ট এইমাত্রঅন্যান্য মাগুরার আলোচিত শিশু আছিয়া হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করল হাইকোর্ট বাবার এজাহারে ছয়জন, পুলিশের মামলায় অজ্ঞাত এইমাত্রঅন্যান্য বাবার এজাহারে ছয়জন, পুলিশের মামলায় অজ্ঞাত অন্ধত্বের ঝুঁকিতে থাকা মানুষের পাশে তরুণরা, বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা এইমাত্রঅন্যান্য অন্ধত্বের ঝুঁকিতে থাকা মানুষের পাশে তরুণরা, বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা বরের গাড়ি থামিয়ে নববধূ নিয়ে উধাও প্রেমিক এইমাত্রঅন্যান্য বরের গাড়ি থামিয়ে নববধূ নিয়ে উধাও প্রেমিক ‘ইসলাম শ্রেষ্ঠ ধর্ম’ মন্তব্য করে বিজেপির তোপের মুখে ভারতের মন্ত্রী এইমাত্রঅন্যান্য ‘ইসলাম শ্রেষ্ঠ ধর্ম’ মন্তব্য করে বিজেপির তোপের মুখে ভারতের মন্ত্রী ফ্যাশন ডিজাইন থেকে বৈশ্বিক ব্যবসায় নেতৃত্ব, ফারহানা ইমামের ১৮ বছরের পথচলা এইমাত্রঅন্যান্য ফ্যাশন ডিজাইন থেকে বৈশ্বিক ব্যবসায় নেতৃত্ব, ফারহানা ইমামের ১৮ বছরের পথচলা নেত্রকোণায় আর্থিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ এইমাত্রঅন্যান্য নেত্রকোণায় আর্থিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ ফুলবাড়িয়ায় নজরুল বর্ষে উপলক্ষে  আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান  এইমাত্রঅন্যান্য ফুলবাড়িয়ায় নজরুল বর্ষে উপলক্ষে  আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান 
আন্তর্জাতিক

প্রতি বছর ১ ফুট হারে তলিয়ে যাচ্ছে যে শহর

প্রতিবেদক: স্টাফ রিপোর্টার, বাংলা ব্রিফ
প্রতি বছর ১ ফুট হারে তলিয়ে যাচ্ছে যে শহর

ইরানে ভূগর্ভস্থ পানির সংকট এখন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। দেশটির মোট পানির প্রায় ৬০ শতাংশই ভূগর্ভস্থ জলাধার থেকে উত্তোলন করা হয়। কিন্তু কম বৃষ্টিপাত ও অতিরিক্ত পানি উত্তোলনের কারণে এসব জলাধারের পানি দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে। এর ফলেই দেশের বিস্তীর্ণ এলাকা ধীরে ধীরে মাটির নিচে তলিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে গবেষণা।

সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের লিডস বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ববিদ জেসিকা পাইন পরিচালিত এক গবেষণায় জানা গেছে, ইরানের মধ্যাঞ্চলের প্রায় ৩১ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা পৃথিবীর অন্য যে কোনো অঞ্চলের তুলনায় দ্রুত গতিতে নিচের দিকে যাচ্ছে।

সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা দেখা যাচ্ছে দেশটির ঐতিহাসিক রাফসানজান শহরে। গবেষণা অনুযায়ী, শহরটি প্রতি বছর প্রায় এক ফুট করে নিচে বসে যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি একটি গুরুতর সতর্ক সংকেত।

প্রফেসর জেসিকা পাইন জানিয়েছেন, যদি তলিয়ে যাওয়ার এই হার একইভাবে চলতে থাকে, তবে আগামী কয়েক দশকের মধ্যেই রাফসানজান সম্পূর্ণভাবে মানচিত্র থেকে বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে।

তিনি আরও সতর্ক করেছেন যে, এ ধরনের ভূ-তলানো শুধু স্থাপনা ও অবকাঠামোর ক্ষতি করছে না, বরং লক্ষাধিক মানুষের জীবিকা, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎকেও হুমকির মুখে ফেলছে।