মূল লেখায় যান
সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬, ৩:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মাগুরার আলোচিত শিশু আছিয়া হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করল হাইকোর্ট এইমাত্রঅন্যান্য মাগুরার আলোচিত শিশু আছিয়া হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করল হাইকোর্ট বাবার এজাহারে ছয়জন, পুলিশের মামলায় অজ্ঞাত এইমাত্রঅন্যান্য বাবার এজাহারে ছয়জন, পুলিশের মামলায় অজ্ঞাত অন্ধত্বের ঝুঁকিতে থাকা মানুষের পাশে তরুণরা, বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা এইমাত্রঅন্যান্য অন্ধত্বের ঝুঁকিতে থাকা মানুষের পাশে তরুণরা, বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা বরের গাড়ি থামিয়ে নববধূ নিয়ে উধাও প্রেমিক এইমাত্রঅন্যান্য বরের গাড়ি থামিয়ে নববধূ নিয়ে উধাও প্রেমিক ‘ইসলাম শ্রেষ্ঠ ধর্ম’ মন্তব্য করে বিজেপির তোপের মুখে ভারতের মন্ত্রী এইমাত্রঅন্যান্য ‘ইসলাম শ্রেষ্ঠ ধর্ম’ মন্তব্য করে বিজেপির তোপের মুখে ভারতের মন্ত্রী ফ্যাশন ডিজাইন থেকে বৈশ্বিক ব্যবসায় নেতৃত্ব, ফারহানা ইমামের ১৮ বছরের পথচলা এইমাত্রঅন্যান্য ফ্যাশন ডিজাইন থেকে বৈশ্বিক ব্যবসায় নেতৃত্ব, ফারহানা ইমামের ১৮ বছরের পথচলা নেত্রকোণায় আর্থিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ এইমাত্রঅন্যান্য নেত্রকোণায় আর্থিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ ফুলবাড়িয়ায় নজরুল বর্ষে উপলক্ষে  আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান  এইমাত্রঅন্যান্য ফুলবাড়িয়ায় নজরুল বর্ষে উপলক্ষে  আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান 
আন্তর্জাতিক

মর্গ থেকে অলৌকিকভাবে জীবিত ফিরে এলো কিশোরী

প্রতিবেদক: স্টাফ রিপোর্টার, বাংলা ব্রিফ
মর্গ থেকে অলৌকিকভাবে জীবিত ফিরে এলো কিশোরী

ইসরায়লি হামলায় ‘মৃত’ ঘোষণার পর গাজার একটি মর্গে আট ঘণ্টা অচেতন অবস্থায় পড়ে ছিল ১২ বছরের রাগাদ আল-আসার। গত বছরের ওই হামলার পর তাকে মৃত মনে করে মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে এক ব্যক্তি নিজের সন্তানের মরদেহ খুঁজতে গিয়ে রাগাদের হাতের নড়াচড়া দেখতে পেয়ে বিষয়টি চিকিৎসকদের জানান।

আলজাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাগাদ বলেন, আমরা ঘরে বসে ছিলাম। হঠাৎ গুলি, ড্রোন আর বিমান আমাদের ওপর হামলে পড়ল।

হামলার পর দুই সপ্তাহ তিনি কোমায় ছিলেন। জ্ঞান ফেরার পর পরিবার জানায়— তাকে মর্গের ফ্রিজে রাখা হয়েছিল।

গত বছরের ৮ জুন কেন্দ্রীয় গাজায় তাদের বাড়িতে ইসরায়লি হামলায় রাগাদের দুই বোন নিহত হয়। পরিবারে সবাই কমবেশি আহত হন। রাগাদ জানান, বড় বোনের অবস্থা এখনো গুরুতর— এক চোখে দেখতে পান না, শরীরে গভীর ক্ষত এবং অভ্যন্তরীণ জটিলতা রয়েছে।

রাগাদের এই বেঁচে যাওয়ার গল্প গাজার যুদ্ধের অসংখ্য হৃদয়বিদারক ঘটনার একটি মাত্র অংশ। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা ইসরায়লের এই অভিযানকে গণহত্যা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

 

জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত প্রায় ৬৪ হাজার শিশু নিহত ও আহত হয়েছে বলে রিপোর্ট পাওয়া গেছে। পাল্টা হামলা শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত গাজায় অন্তত ৬৯,১৮৭ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১,৭০,৭০৩ জন আহত হয়েছেন।

গাজার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় অনেক সময় আহতদের দ্রুত শনাক্ত বা চিকিৎসা সম্ভব হচ্ছে না। একইসঙ্গে, মর্গগুলোও অতিরিক্ত চাপের মুখে। যেখানে ভুলভাবে মৃত ঘোষণা বা শনাক্তকরণের মতো ঘটনা বেড়েই চলেছে।

রাগাদের গল্প শুধু এক শিশুর অলৌকিকভাবে বেঁচে যাওয়ার ঘটনা নয়। এটি গাজায় চলমান মানবিক বিপর্যয়ের গভীরতা ও নির্মম বাস্তবতার আরেকটি প্রমাণ।